গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে লাথি মারাসহ দু'দফায় মারধর এবং বরখাস্তের ঘটনায় মানববন্ধন, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি ও জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দরা।
সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওই সহকারী শিক্ষা অফিসার শুধু একজন শিক্ষককে লাথি মারেননি। তিনি বিশ্বের সমস্ত শিক্ষকের বুকে লাথি মেরেছেন। এমন জঘন্য ঘটনা ঘটানোর পরও পরিকল্পিতভাবে প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে উল্টো বরখাস্ত করা হয়েছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। আগামী ৭ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সারা দেশের শিক্ষকদের নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলন করা হবে।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আছমা খানমের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন-কেন্দ্রীয় কমিটির উপমহিলা সম্পাদক মোছা খাদিজা বেগম, গোপালগঞ্জ জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদের সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন মিশরী প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত ৩ অক্টোবর বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ২৮ নম্বর উরফি বড়বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে লাথি মারেন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গৌতম কুমার রায়। পরে ৫ অক্টোবর সকালে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে গেলে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মহিদুল আলম মাহাত্তাব খানের লোকজন তাঁকে ডেকে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় গালিগালাজ ও মারধর করেন। এ ঘটনার পর থেকে মনোজ কান্তি বিশ্বাস গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে লাথি মারাসহ দু'দফায় মারধর এবং বরখাস্তের ঘটনায় মানববন্ধন, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি ও জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দরা।
সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ওই সহকারী শিক্ষা অফিসার শুধু একজন শিক্ষককে লাথি মারেননি। তিনি বিশ্বের সমস্ত শিক্ষকের বুকে লাথি মেরেছেন। এমন জঘন্য ঘটনা ঘটানোর পরও পরিকল্পিতভাবে প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে উল্টো বরখাস্ত করা হয়েছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। আগামী ৭ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সারা দেশের শিক্ষকদের নিয়ে আরও কঠোর আন্দোলন করা হবে।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আছমা খানমের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন-কেন্দ্রীয় কমিটির উপমহিলা সম্পাদক মোছা খাদিজা বেগম, গোপালগঞ্জ জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদের সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন মিশরী প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত ৩ অক্টোবর বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ২৮ নম্বর উরফি বড়বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মনোজ কান্তি বিশ্বাসকে লাথি মারেন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গৌতম কুমার রায়। পরে ৫ অক্টোবর সকালে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে গেলে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মহিদুল আলম মাহাত্তাব খানের লোকজন তাঁকে ডেকে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় গালিগালাজ ও মারধর করেন। এ ঘটনার পর থেকে মনোজ কান্তি বিশ্বাস গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে