নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: টিকা উৎপাদনে নিজেদের সক্ষম বলে দাবি দেশের অন্যতম শীর্ষ ঔষধ প্রস্তুত ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ফার্মার। রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক-ভি ভ্যাকসিন দেশে উৎপাদন করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বরাবর মঙ্গলবার এক চিঠিতে এ আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওরিয়ন।
ওরিয়নের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেরিন করিম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশের চলমান সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতিকে সেবা দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে কোভিড-১৯ প্রতিরোধী টিকা উৎপাদন করতে চায় ওরিয়ন ফার্মা। সম্প্রতি নতুন ওষুধ পণ্যের জন্য চার তলা ভবন নির্মিত হয়েছে। যেখানে ভবনটির দ্বিতীয় তলার উৎপাদন ক্ষেত্রটি কোভিড-১৯ টিকার জন্য বাছাই করা হয়েছে।
চিঠিতে দাবি করা হয়, রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক-ভি ভ্যাকসিন সরবরাহে ইতিমধ্যে ওরিয়ন ফার্মা ‘দি রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (আরডিআইএফ)’ এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। টিকা উৎপাদনের জন্য তাদের নতুন একটি ফ্যাসিলিটি এবং প্রযুক্তিতেও তারা এগিয়েছে। টিকা উৎপাদনে যেকোন ধাপ তারা উত্তরণে সক্ষম। সরকারও টিকা উৎপাদনের পদ্ধতি সম্পর্কে তাঁদের জানিয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, আরডিআইএফ’র সঙ্গে যোগাযোগ অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে ওরিয়ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিল ফিনিশ ধাপ থেকে তারা উৎপাদনে যেতে চায়। ইতিমধ্যে ওরিয়নফার্মা নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটির বিষয়টি ঔষধ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। দেশের চলমান ক্রান্তিকালে নিজেদের সম্পদকে কাজে লাগিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি নিজেদের সক্ষমতারও প্রমাণ দেখাতে চায় ঔষধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানটি।
ঔষধ প্রশাসনের দেয়া তথ্যমতে, দেশে টিকা তৈরির সক্ষমতা রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের। ইনসেপ্টা, পপুলার ও হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের মাধ্যমে চাহিদা অনুযায়ী টিকা উৎপাদন সম্ভব বলে জানিয়েছে টিকার অনুমোদনের নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠানটি। তবে ইনসেপ্টার উৎপাদনের পাশাপাশি বাজারজাত করার সক্ষমতা থাকলেও বাকি দুটির নেই। তারপরও এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত টিকা দ্বারা চাহিদা পূরণ সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। এসবের বাইরে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, রেনেটা এবং এক্সি ফার্মাসিউটিক্যালস টিকা উৎপাদনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো স্থাপনে সক্ষম। যা তৈরিতে তাদের সময় লাগতে পারে এক বছর। তবে এর আগেই বেক্সিমকো সেরামের টিকা উৎপাদনে যেতে চায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যমতে, দেশের টিকা নিতে পারবেন এমন সাড়ে ১২ কোটি মানুষের জন্য টিকার প্রয়োজন ২৫ কোটি। সে অনুযায়ী বর্তমানে স্বল্প মেয়াদে তিন কোটি এবং দীর্ঘ মেয়াদে ১৪ কোটি ডোজ টিকা জরুরি। যা পেতে গত বছরের নভেম্বরের ভারতের সেরামের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে প্রক্রিয়া শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি না করার ফলে চলতি বছরের শুরুতেই টিকা নিয়ে চরম বাধার মুখে সরকার।
ফলে টিকার ঘাটতি পূরণে কেনার পাশাপাশি এখন উৎপাদনমুখী হতে চায় সরকার। ইতিমধ্যে সেরাম, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সেই প্রচেষ্টা এগিয়েছে বহুদূর। কিন্তু প্রযুক্তি ও কাঁচামাল দিলেও চাহিদামত দেশিয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টিকা উৎপাদন কতটা সম্ভব তা নিয়েই দেখা দিয়েছে শঙ্কা।
দেশে যে গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠান করোনার টিকা উৎপাদনে সক্ষম তার শীর্ষে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস। উৎপাদনের পাশাপাশি সরবারাহেও এগিয়ে প্রতিষ্ঠানটি। মাসে তিন–চার দিনেই উৎপাদন চাহিদা পূরণ করতে পারবে বলে আশা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের।
এই তিন প্রতিষ্ঠান মিলে মাসে দেড় কোটি ডোজ টিকা উৎপাদন সম্ভব হবে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে শুধু ইনসেপ্টা থেকেই প্রতিমাসে ৮০ লাখ ডোজ উৎপাদনের কথা আগেই জানিয়েছিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।
এদিকে টিকা সংগ্রহ, নিরাপদ ও কার্যকর টিকা নির্বাচন চাহিদা নিরূপণ, বিতরণ ও দর-কষাকষির মাধ্যমে টিকার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের সাত সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কমিটি গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন বলে মন্ত্রিসভা সূত্রে জানা গেছে।
সংক্রমণের বর্তমান ধারা ও ভবিষ্যৎ প্রক্ষেপণের আলোকে টিকার চাহিদা নিরূপণ করবে এই কমিটি। পাশাপাশি টিকার মূল্য, প্রাপ্যতা, কার্যকারিতা ইত্যাদি বিবেচনায় নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টিকার সম্ভাব্য সব উৎস থেকে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী টিকা নির্বাচন করবে। ইমার্জেন্সি ইউজ অথোরাইজেশন পাওয়া টিকার মূল্য দর-কষাকষির মাধ্যমে নির্ধারণ করবে। এই কমিটি প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়।

ঢাকা: টিকা উৎপাদনে নিজেদের সক্ষম বলে দাবি দেশের অন্যতম শীর্ষ ঔষধ প্রস্তুত ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন ফার্মার। রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক-ভি ভ্যাকসিন দেশে উৎপাদন করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বরাবর মঙ্গলবার এক চিঠিতে এ আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওরিয়ন।
ওরিয়নের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জেরিন করিম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশের চলমান সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতিকে সেবা দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে কোভিড-১৯ প্রতিরোধী টিকা উৎপাদন করতে চায় ওরিয়ন ফার্মা। সম্প্রতি নতুন ওষুধ পণ্যের জন্য চার তলা ভবন নির্মিত হয়েছে। যেখানে ভবনটির দ্বিতীয় তলার উৎপাদন ক্ষেত্রটি কোভিড-১৯ টিকার জন্য বাছাই করা হয়েছে।
চিঠিতে দাবি করা হয়, রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক-ভি ভ্যাকসিন সরবরাহে ইতিমধ্যে ওরিয়ন ফার্মা ‘দি রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (আরডিআইএফ)’ এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। টিকা উৎপাদনের জন্য তাদের নতুন একটি ফ্যাসিলিটি এবং প্রযুক্তিতেও তারা এগিয়েছে। টিকা উৎপাদনে যেকোন ধাপ তারা উত্তরণে সক্ষম। সরকারও টিকা উৎপাদনের পদ্ধতি সম্পর্কে তাঁদের জানিয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, আরডিআইএফ’র সঙ্গে যোগাযোগ অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে ওরিয়ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিল ফিনিশ ধাপ থেকে তারা উৎপাদনে যেতে চায়। ইতিমধ্যে ওরিয়নফার্মা নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটির বিষয়টি ঔষধ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। দেশের চলমান ক্রান্তিকালে নিজেদের সম্পদকে কাজে লাগিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি নিজেদের সক্ষমতারও প্রমাণ দেখাতে চায় ঔষধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানটি।
ঔষধ প্রশাসনের দেয়া তথ্যমতে, দেশে টিকা তৈরির সক্ষমতা রয়েছে তিনটি প্রতিষ্ঠানের। ইনসেপ্টা, পপুলার ও হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের মাধ্যমে চাহিদা অনুযায়ী টিকা উৎপাদন সম্ভব বলে জানিয়েছে টিকার অনুমোদনের নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠানটি। তবে ইনসেপ্টার উৎপাদনের পাশাপাশি বাজারজাত করার সক্ষমতা থাকলেও বাকি দুটির নেই। তারপরও এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত টিকা দ্বারা চাহিদা পূরণ সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। এসবের বাইরে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, রেনেটা এবং এক্সি ফার্মাসিউটিক্যালস টিকা উৎপাদনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো স্থাপনে সক্ষম। যা তৈরিতে তাদের সময় লাগতে পারে এক বছর। তবে এর আগেই বেক্সিমকো সেরামের টিকা উৎপাদনে যেতে চায়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যমতে, দেশের টিকা নিতে পারবেন এমন সাড়ে ১২ কোটি মানুষের জন্য টিকার প্রয়োজন ২৫ কোটি। সে অনুযায়ী বর্তমানে স্বল্প মেয়াদে তিন কোটি এবং দীর্ঘ মেয়াদে ১৪ কোটি ডোজ টিকা জরুরি। যা পেতে গত বছরের নভেম্বরের ভারতের সেরামের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে প্রক্রিয়া শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি না করার ফলে চলতি বছরের শুরুতেই টিকা নিয়ে চরম বাধার মুখে সরকার।
ফলে টিকার ঘাটতি পূরণে কেনার পাশাপাশি এখন উৎপাদনমুখী হতে চায় সরকার। ইতিমধ্যে সেরাম, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সেই প্রচেষ্টা এগিয়েছে বহুদূর। কিন্তু প্রযুক্তি ও কাঁচামাল দিলেও চাহিদামত দেশিয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টিকা উৎপাদন কতটা সম্ভব তা নিয়েই দেখা দিয়েছে শঙ্কা।
দেশে যে গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠান করোনার টিকা উৎপাদনে সক্ষম তার শীর্ষে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস। উৎপাদনের পাশাপাশি সরবারাহেও এগিয়ে প্রতিষ্ঠানটি। মাসে তিন–চার দিনেই উৎপাদন চাহিদা পূরণ করতে পারবে বলে আশা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের।
এই তিন প্রতিষ্ঠান মিলে মাসে দেড় কোটি ডোজ টিকা উৎপাদন সম্ভব হবে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে শুধু ইনসেপ্টা থেকেই প্রতিমাসে ৮০ লাখ ডোজ উৎপাদনের কথা আগেই জানিয়েছিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।
এদিকে টিকা সংগ্রহ, নিরাপদ ও কার্যকর টিকা নির্বাচন চাহিদা নিরূপণ, বিতরণ ও দর-কষাকষির মাধ্যমে টিকার যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের সাত সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই কমিটি গঠনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন বলে মন্ত্রিসভা সূত্রে জানা গেছে।
সংক্রমণের বর্তমান ধারা ও ভবিষ্যৎ প্রক্ষেপণের আলোকে টিকার চাহিদা নিরূপণ করবে এই কমিটি। পাশাপাশি টিকার মূল্য, প্রাপ্যতা, কার্যকারিতা ইত্যাদি বিবেচনায় নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত টিকার সম্ভাব্য সব উৎস থেকে বাংলাদেশের জন্য উপযোগী টিকা নির্বাচন করবে। ইমার্জেন্সি ইউজ অথোরাইজেশন পাওয়া টিকার মূল্য দর-কষাকষির মাধ্যমে নির্ধারণ করবে। এই কমিটি প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়।

বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
১৬ মিনিট আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২২ মিনিট আগে
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের জেটিঘাটে জাহাজ থেকে নামতেই মাইকিংয়ের শব্দ কানে ভেসে আসে। পরিবেশ অধিদপ্তরের এক কর্মীকে পর্যটকদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘সম্মানিত পর্যটকবৃন্দ, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে ভ্রমণ করবেন না, পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় সরকার ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে ভ্রমণ...
২৭ মিনিট আগে
নিজের অবৈধ আয়কে বৈধ দেখাতে ‘মায়ের দান’ হিসেবে উল্লেখ করার অভিযোগ উঠেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে।
২ ঘণ্টা আগে