নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর গুলাশান হোলি আর্টিজানে নিহত সহকারী পুলিশ কমিশনার রবিউল করিম ও ওসি সালাউদ্দিনের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়েছে একদল শিক্ষার্থী। আজ বুধবার বিকেল ৪টায় হোলি আর্টিজানে গিয়ে এ শ্রদ্ধা জানায় তারা।
শ্রদ্ধা জানাতে আসা শিক্ষার্থীরা জানায়, ২০১৬ সালে ১ জুলাই গুলশান হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় শহীদ হন সহকারী পুলিশ কমিশনার রবিউল করিম ও ওসি সালাউদ্দিন। তাঁদের স্মরণে গুলশান থানার পাশে ম্যুরাল স্থাপন করা হয়। গত ৫ আগস্টের পর সেই ম্যুরাল ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে হিযবুত তাহরীরের পোস্টার সাঁটানো হয়। পরে সেটি আর সংস্কার করা হয়নি। দায়ীরাও চিহ্নিত হয়নি। এ বছর জাতীয়ভাবে সেই শহীদদের স্মরণ করা হয়নি। কোনো কর্মসূচি পালন করেনি পুলিশও।
শিক্ষার্থীরা জানায়, আজ বিকেল ৪টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায় ও স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা তাদের দুজনের স্মরণে ম্যুরালের স্থানে নতুন ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ স্থাপন করতে আসে। এতে গুলশান থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যও অংশ নেন। এ সময় ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ স্থাপন করতে চাইলে পুলিশ তাদের নিষেধ করে। পরে শিক্ষার্থীরা পুলিশের প্রতি ম্যুরাল স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে সেখানে ব্যানার টানিয়ে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।
আজ রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার ইব্রাহীম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা পুলিশকে বলেছি তারা যেন ম্যুরালটি স্থাপন করে। নয়তো শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে সেখানে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করবে। পরে সেখানে ব্যানার টানিয়ে নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানিয়েছি।’
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, কিছু শিক্ষার্থী হোলি আর্টিজানের ঘটনা ও ম্যুরাল ভেঙে দেওয়ার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। তারা সেখানে শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের কথা বলেছে। সেই সঙ্গে সেখানে যেন পুনরায় ম্যুরাল স্থাপন করা হয়, সেই আহ্বান জানিয়েছে।

রাজধানীর গুলাশান হোলি আর্টিজানে নিহত সহকারী পুলিশ কমিশনার রবিউল করিম ও ওসি সালাউদ্দিনের স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়েছে একদল শিক্ষার্থী। আজ বুধবার বিকেল ৪টায় হোলি আর্টিজানে গিয়ে এ শ্রদ্ধা জানায় তারা।
শ্রদ্ধা জানাতে আসা শিক্ষার্থীরা জানায়, ২০১৬ সালে ১ জুলাই গুলশান হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় শহীদ হন সহকারী পুলিশ কমিশনার রবিউল করিম ও ওসি সালাউদ্দিন। তাঁদের স্মরণে গুলশান থানার পাশে ম্যুরাল স্থাপন করা হয়। গত ৫ আগস্টের পর সেই ম্যুরাল ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে হিযবুত তাহরীরের পোস্টার সাঁটানো হয়। পরে সেটি আর সংস্কার করা হয়নি। দায়ীরাও চিহ্নিত হয়নি। এ বছর জাতীয়ভাবে সেই শহীদদের স্মরণ করা হয়নি। কোনো কর্মসূচি পালন করেনি পুলিশও।
শিক্ষার্থীরা জানায়, আজ বিকেল ৪টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায় ও স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরা তাদের দুজনের স্মরণে ম্যুরালের স্থানে নতুন ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ স্থাপন করতে আসে। এতে গুলশান থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যও অংশ নেন। এ সময় ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ স্থাপন করতে চাইলে পুলিশ তাদের নিষেধ করে। পরে শিক্ষার্থীরা পুলিশের প্রতি ম্যুরাল স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে সেখানে ব্যানার টানিয়ে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।
আজ রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার ইব্রাহীম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা পুলিশকে বলেছি তারা যেন ম্যুরালটি স্থাপন করে। নয়তো শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে সেখানে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করবে। পরে সেখানে ব্যানার টানিয়ে নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানিয়েছি।’
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, কিছু শিক্ষার্থী হোলি আর্টিজানের ঘটনা ও ম্যুরাল ভেঙে দেওয়ার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। তারা সেখানে শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের কথা বলেছে। সেই সঙ্গে সেখানে যেন পুনরায় ম্যুরাল স্থাপন করা হয়, সেই আহ্বান জানিয়েছে।

চট্টগ্রামমুখী লেনে চলন্ত এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। এ সময় দাঁড়িয়ে থাকা আব্দুর রহমান ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
৮ মিনিট আগে
বাদীর অভিযোগ, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, তাঁর পরিবার, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলেও নালিশে উল্লেখ করা হয়।
১৩ মিনিট আগে
এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
৩৭ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে