নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল আতিক বিন কাদের তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলায় তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করার পর শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন। জাকির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগে কেনিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন। ওই আদালতের অতিরিক্ত পিপি তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জাকির হোসেন বাগেরহাট জেলা সদরের বাসাবাড়ি গ্রামের বাহারুল হকের ছেলে।
২০২২ সালের ১৪ মার্চ দুর্নীতির অভিযোগে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৭ (১), ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ (২) ও ৪ (৩) এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় এ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জাকির হোসেনের ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি, গাড়ি, ফ্লাট ও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র এবং ব্যাংকের হিসাবে সর্বমোট ১৩ কোটি ৮৮ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। ওই সম্পদের বিপরীতে আয়ের উৎস সম্পর্কে তিনি সঠিক তথ্য প্রদর্শন করতে সক্ষম হননি। বিধায় ওই সম্পত্তি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।
এছাড়া জাকির হোসেনের নিজ নামে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বাগেরহাট শাখায় বিভিন্ন সময়ে ৭টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৩১ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৯১৩ টাকা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ভিকারুননিসা নুন স্কুল শাখার একটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৪ কোটি ৩ লাখ ১০ হাজার ৯৩০ টাকা এবং পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের ধানমন্ডি শাখায় এফডিআর হিসাবে ৫ কোটি ৬২ লাখ ৩৫ হাজার ১৫৯ টাকাসহ সর্বমোট ৪১ কোটি ৩৬ লাখ ৭ হাজার দুই টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যাংকগুলোতে লেনদেন হওয়া ওই অর্থের বৈধ উৎস সংক্রান্ত কোনো তথ্য অনুসন্ধানকালে পাওয়া যায়নি।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল আতিক বিন কাদের তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এই মামলায় তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করার পর শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন। জাকির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগে কেনিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন। ওই আদালতের অতিরিক্ত পিপি তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জাকির হোসেন বাগেরহাট জেলা সদরের বাসাবাড়ি গ্রামের বাহারুল হকের ছেলে।
২০২২ সালের ১৪ মার্চ দুর্নীতির অভিযোগে জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৭ (১), ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ (২) ও ৪ (৩) এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় এ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জাকির হোসেনের ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি, গাড়ি, ফ্লাট ও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়পত্র এবং ব্যাংকের হিসাবে সর্বমোট ১৩ কোটি ৮৮ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। ওই সম্পদের বিপরীতে আয়ের উৎস সম্পর্কে তিনি সঠিক তথ্য প্রদর্শন করতে সক্ষম হননি। বিধায় ওই সম্পত্তি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।
এছাড়া জাকির হোসেনের নিজ নামে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বাগেরহাট শাখায় বিভিন্ন সময়ে ৭টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৩১ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার ৯১৩ টাকা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ভিকারুননিসা নুন স্কুল শাখার একটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৪ কোটি ৩ লাখ ১০ হাজার ৯৩০ টাকা এবং পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের ধানমন্ডি শাখায় এফডিআর হিসাবে ৫ কোটি ৬২ লাখ ৩৫ হাজার ১৫৯ টাকাসহ সর্বমোট ৪১ কোটি ৩৬ লাখ ৭ হাজার দুই টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যাংকগুলোতে লেনদেন হওয়া ওই অর্থের বৈধ উৎস সংক্রান্ত কোনো তথ্য অনুসন্ধানকালে পাওয়া যায়নি।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
২১ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে