নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের বাড়ি, জমি ও ফ্ল্যাট জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব ও বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের উপসহকারী পরিচালক আবু মোহাম্মদ আনোয়ারুল মাসুদ সাবেক এই মন্ত্রীর সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন।
দুদকের আবেদন থেকে জানা যায়, ঢাকার খিলগাঁও, ডেমরা, নারায়ণগঞ্জ, বন্দর, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ ও লাকসামে তাজুল ইসলামের ১,২৬৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ জমি, সাড়ে ৪ হাজার বর্গফুটের বেশি আয়তনের কুমিল্লার দুটি ফ্ল্যাট, লাকসামের তিনতলা একটি বাড়ি জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এগুলোর মূল্য শত শত কোটি টাকা। এ ছাড়া ৩৪টি ব্যাংক হিসাবে ও সঞ্চয়পত্র হিসাবে ২১ কোটি ২৪ লাখ ৮১ হাজার ৭০০ টাকা অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানির ২৫ লাখ ৫২ হাজার শেয়ার অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনটি গাড়ি জব্দেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, তাজুল ইসলাম মন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছে। ইতিমধ্যে গত ২২ জানুয়ারি তাজুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী ফৌজিয়া ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন ১৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১৬৬ কোটি টাকা অবৈধভাবে লেনদেনের অভিযোগে দুদক মামলা করেছে। দুদক ও মানি লন্ডারিং আইনে এই মামলা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তকালে জানা গেছে, বিপুল স্থাবর–অস্থাবর সম্পদ তিনি অন্যত্র হস্তান্তর বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন।
ভবিষ্যতে মামলা প্রমাণ হলে এই সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে। তাই তিনি সম্পদ বিক্রি, হস্তান্তর ও স্থানান্তর যাতে করতে না পারেন, সে জন্য আদালতের নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের বাড়ি, জমি ও ফ্ল্যাট জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব ও বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদকের উপসহকারী পরিচালক আবু মোহাম্মদ আনোয়ারুল মাসুদ সাবেক এই মন্ত্রীর সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আবেদন করেন।
দুদকের আবেদন থেকে জানা যায়, ঢাকার খিলগাঁও, ডেমরা, নারায়ণগঞ্জ, বন্দর, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ ও লাকসামে তাজুল ইসলামের ১,২৬৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ জমি, সাড়ে ৪ হাজার বর্গফুটের বেশি আয়তনের কুমিল্লার দুটি ফ্ল্যাট, লাকসামের তিনতলা একটি বাড়ি জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এগুলোর মূল্য শত শত কোটি টাকা। এ ছাড়া ৩৪টি ব্যাংক হিসাবে ও সঞ্চয়পত্র হিসাবে ২১ কোটি ২৪ লাখ ৮১ হাজার ৭০০ টাকা অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি বিভিন্ন কোম্পানির ২৫ লাখ ৫২ হাজার শেয়ার অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনটি গাড়ি জব্দেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, তাজুল ইসলাম মন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছে। ইতিমধ্যে গত ২২ জানুয়ারি তাজুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী ফৌজিয়া ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন ১৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১৬৬ কোটি টাকা অবৈধভাবে লেনদেনের অভিযোগে দুদক মামলা করেছে। দুদক ও মানি লন্ডারিং আইনে এই মামলা হয়।
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তকালে জানা গেছে, বিপুল স্থাবর–অস্থাবর সম্পদ তিনি অন্যত্র হস্তান্তর বা স্থানান্তরের চেষ্টা করছেন।
ভবিষ্যতে মামলা প্রমাণ হলে এই সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে। তাই তিনি সম্পদ বিক্রি, হস্তান্তর ও স্থানান্তর যাতে করতে না পারেন, সে জন্য আদালতের নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৬ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৭ ঘণ্টা আগে