
সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনকে আরও দুটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম আজ বুধবার এ নির্দেশ দেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম।
সাবিনা আক্তারকে আজ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে তাঁকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মিরপুরে মোক্তাকিন বিল্লাহ ও আশরাফুল ইসলাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
শুনানি শেষে সাবেক সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর ১০-এ ফায়ার সার্ভিসের সামনে আন্দোলনে অংশ নেন মোক্তাকিন বিল্লাহ। বিকেল ৪টার দিকে তাঁর মাথায় গুলি লাগে। পরদিন ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর মিরপুর থানায় মামলা হয়। সাবিনা আক্তার মামলার ৮ নম্বর আসামি।
অপর মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত বছরের ৪ আগস্ট মিরপুর এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন আশরাফুল ইসলাম। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর মিরপুর থানায় হওয়া মামলায় সাবিনা আক্তার ১৮ নম্বর আসামি।
চলতি বছরের ২২ জুন ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বাবার বাড়ি থেকে সাবিনা আক্তার তুহিনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরদিন তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাঁকে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় ছাত্রদলের এক নেতাকে চাকু দিয়ে আঘাত করলে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা।
৩৫ মিনিট আগে
নিহত ব্যক্তির স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী চোর না। ডেকে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছে। শিশুসন্তানের মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞেস করলে সে বলেছে, চুরি করেনি। মিথ্যা অপবাদ সইতে না পেরে সে বিষ খেয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে অভিযান চালালেও পুলিশের চোখের সামনেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। হাইওয়ে পুলিশ বলছে, মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই তাঁরা পুলিশ সদস্যদের লাঞ্চিত করছেন। এ জন্
৫ ঘণ্টা আগে
গত চার দিনে খুলনায় তিনটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এগুলোর মধ্যে খুলনা মহানগরীতে দুটি এবং জেলায় একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। এলাকার আধিপত্য বিস্তার, মাদক বেচাকেনা, চাঁদাবাজি ও চরমপন্থী সম্পৃক্ততায় এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, এসবের পেছনে রয়েছে সাতটি সন্ত্রাসী বাহিনী।
৫ ঘণ্টা আগে