উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাজধানীর খিলক্ষেতে দোকানপাটে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মনির হোসেন লিটন ও আব্দুর রহিম। খিলক্ষেত এলাকা থেকে গতকাল মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য দুই চাঁদাবাজকে খিলক্ষেত থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ওই চাঁদাবাজরা হলেন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার শহীদপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মনির হোসেন লিটন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াহাট গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহিম।
আজ বুধবার (২৩ এপ্রিল) উত্তরা আর্মি ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ স্বতন্ত্র এডি ব্রিগেডের অধীনস্থ উত্তরা আর্মি ক্যাম্প গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে খিলক্ষেত বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্থানীয় দোকানপাট থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়কারী আব্দুর রহিম এবং মনির হোসেন লিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সেনাবাহিনী জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজন নিয়মিতভাবে খিলক্ষেত এলাকার বিভিন্ন দোকানপাট থেকে চাঁদা আদায় করত। এ ছাড়া মনির হোসেন লিটনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ৮টি মামলা রয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাঁরা অপরাধ স্বীকার করেন। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য খিলক্ষেত থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সেনা কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া দুজনই বিএনপির পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন।
অপরদিকে খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সেনাবাহিনীর হাতে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর খিলক্ষেতে দোকানপাটে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মনির হোসেন লিটন ও আব্দুর রহিম। খিলক্ষেত এলাকা থেকে গতকাল মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য দুই চাঁদাবাজকে খিলক্ষেত থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ওই চাঁদাবাজরা হলেন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার শহীদপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মনির হোসেন লিটন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নোয়াহাট গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহিম।
আজ বুধবার (২৩ এপ্রিল) উত্তরা আর্মি ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ স্বতন্ত্র এডি ব্রিগেডের অধীনস্থ উত্তরা আর্মি ক্যাম্প গোপন ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে খিলক্ষেত বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্থানীয় দোকানপাট থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়কারী আব্দুর রহিম এবং মনির হোসেন লিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সেনাবাহিনী জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুজন নিয়মিতভাবে খিলক্ষেত এলাকার বিভিন্ন দোকানপাট থেকে চাঁদা আদায় করত। এ ছাড়া মনির হোসেন লিটনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ৮টি মামলা রয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাঁরা অপরাধ স্বীকার করেন। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য খিলক্ষেত থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে সেনাবাহিনী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সেনা কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া দুজনই বিএনপির পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন।
অপরদিকে খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সেনাবাহিনীর হাতে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে