কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের সেই সিফাতকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে এক ব্যক্তি ফেসবুকে পোস্ট দেন। সেই পোস্টে সাড়া দিয়ে অনেকে আর্থিক সহযোগিতা করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই টাকা সিফাতের মায়ের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
এলাকায় মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত মামুন বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তি গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সিফাতের বাড়ি গিয়ে ১ লাখ ৩ হাজার টাকা এবং ১১ হাজার টাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস, ওষুধ ও সিফাতকে নতুন পোশাক দেন।
মামুন বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী সিফাত ৫০ টাকার বিনিময়ে একটি চা-পরোটার দোকানে কাজ করে। সেই টাকায় মায়ের চিকিৎসা, বাজার খরচ ও নিজের স্কুলের খরচ চালায়। এ রকম খবর পাওয়ার পর স্থানীয় একজনের মাধ্যমে ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দেন।
সেই পোস্ট দেখে অনেকে আর্থিক সহায়তা দেন। তাতে ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা সংগ্রহ হয়। পরে সেই টাকায় সিফাতের মায়ের ওষুধ, সিফাতের স্কুলের পোশাক, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও নগদ ১ লাখ ৩ হাজার টাকা তার মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রতি মাসে সিফাতের পরিবারের জন্য ডা. ইতি নামের একজন ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
মামুন বিশ্বাস আরও বলেন, ‘মানবতার টানে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে ভালো লাগে। কৃতজ্ঞতা তাদের প্রতি, যারা ফেসবুকে পোস্ট দেখে সিফাত ও তার মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন।’
সিফাতের মা শিল্পী খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকের পত্রিকা ও সময় টেলিভিশনের সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। মামুন বিশ্বাস ভাইসহ যাঁরা আমার উপকার করলেন, তাঁদের জন্য আল্লাহর কাছে সারা জীবন দোয়া করব।’
এর আগে গত ১৭ জুলাই আজকের পত্রিকার অনলাইনে ‘চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সিফাতের ছোট্ট কাঁধে সংসারের দায়িত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের সেই সিফাতকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে এক ব্যক্তি ফেসবুকে পোস্ট দেন। সেই পোস্টে সাড়া দিয়ে অনেকে আর্থিক সহযোগিতা করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই টাকা সিফাতের মায়ের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
এলাকায় মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত মামুন বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তি গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সিফাতের বাড়ি গিয়ে ১ লাখ ৩ হাজার টাকা এবং ১১ হাজার টাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস, ওষুধ ও সিফাতকে নতুন পোশাক দেন।
মামুন বিশ্বাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী সিফাত ৫০ টাকার বিনিময়ে একটি চা-পরোটার দোকানে কাজ করে। সেই টাকায় মায়ের চিকিৎসা, বাজার খরচ ও নিজের স্কুলের খরচ চালায়। এ রকম খবর পাওয়ার পর স্থানীয় একজনের মাধ্যমে ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করে নিজের ফেসবুকে পোস্ট দেন।
সেই পোস্ট দেখে অনেকে আর্থিক সহায়তা দেন। তাতে ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা সংগ্রহ হয়। পরে সেই টাকায় সিফাতের মায়ের ওষুধ, সিফাতের স্কুলের পোশাক, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও নগদ ১ লাখ ৩ হাজার টাকা তার মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রতি মাসে সিফাতের পরিবারের জন্য ডা. ইতি নামের একজন ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
মামুন বিশ্বাস আরও বলেন, ‘মানবতার টানে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে ভালো লাগে। কৃতজ্ঞতা তাদের প্রতি, যারা ফেসবুকে পোস্ট দেখে সিফাত ও তার মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন।’
সিফাতের মা শিল্পী খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকের পত্রিকা ও সময় টেলিভিশনের সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। মামুন বিশ্বাস ভাইসহ যাঁরা আমার উপকার করলেন, তাঁদের জন্য আল্লাহর কাছে সারা জীবন দোয়া করব।’
এর আগে গত ১৭ জুলাই আজকের পত্রিকার অনলাইনে ‘চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সিফাতের ছোট্ট কাঁধে সংসারের দায়িত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাত সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুর রহিম (৫০) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমানের ছেলে।
১১ মিনিট আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য ফেরদৌস আরাকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
৩৫ মিনিট আগে
টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
২ ঘণ্টা আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
২ ঘণ্টা আগে