রাজধানীতে অবৈধ যান
আমানুর রহমান রনি, ঢাকা

ঢাকার মিরপুরের শাহ আলীর উত্তর বিশিল বউবাজারসহ বেড়িবাঁধসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় টিন ও বাঁশ দিয়ে তৈরি অসংখ্য ঘর। ঘরগুলো ব্যাটারিচালিত রিকশার (অটোরিকশা) গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট (ব্যাটারি চার্জ দেওয়া হয়)। একেকটি গ্যারেজে ৮০ থেকে ১৫০টি পর্যন্ত রিকশা রাখা হয়।
রাজধানীতে অনুমোদন ছাড়াই চলাচল করা ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোরিকশা বা ইজিবাইকের এসব গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্টেরও কোনো অনুমতি নেই। এরপরও কিছুর ধার না ধেরে বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে এমন অসংখ্য অবৈধ গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তালিকা অনুযায়ী, তাদের ১০ অপরাধ বিভাগের মধ্যে আট বিভাগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবৈধ ৪৮ হাজার ১৩৬টি চার্জিং পয়েন্ট ও ৯৯২টি গ্যারেজ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে শুধু মিরপুর বিভাগেই রয়েছে ৩৯ হাজার ৮৩টি চার্জিং পয়েন্ট ও ২৫৯টি গ্যারেজ। বাকি দুই বিভাগ ধরলে ব্যাটারিচালিত রিকশার গ্যারেজ ১ হাজার ২৫০টির বেশি। প্রতিটি গ্যারেজে রয়েছে চার্জ দেওয়ার সুবিধা। চার্জে অনেক বিদ্যুৎ লাগে। গ্যারেজগুলোর বিদ্যুতের সংযোগ বৈধ না অবৈধ, তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন।
ডিএমপি গত এপ্রিলে এসব অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট ও গ্যারেজের তালিকা তৈরি করেছে। পুলিশ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) যৌথভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। গ্যারেজের জমি ও বাড়িমালিকদের সতর্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার বলেন, একটি তালিকা করা হয়েছে, এটি নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কাজ করছে। তারা পুলিশের সহায়তা চাইলে সহায়তা করা হয়।
পুলিশের সূত্র বলেছে, ডিএমপির তালিকায় থাকা ব্যাটারিচালিত রিকশার অবৈধ গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্টের বেশির ভাগ মিরপুর বিভাগের সাত থানা এলাকায়। থানাগুলো হলো মিরপুর মডেল, পল্লবী, কাফরুল, শাহ আলী, দারুস সালাম, রূপনগর ও ভাষানটেক। এসব থানা এলাকার ৩৯ হাজার ৮৩টি চার্জিং পয়েন্ট ও ২৫৯টি গ্যারেজকে অবৈধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে পুলিশ। ডিএমপির অপর সাতটি অপরাধ বিভাগে অবৈধ ৯ হাজার চার্জিং পয়েন্ট ও ৭৩৩টি গ্যারেজের তালিকা করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ওয়ারী বিভাগে ৩ হাজার ৫১৬ চার্জিং পয়েন্ট ও ১৩৬টি গ্যারেজ, গুলশান বিভাগে ২ হাজার ৬৪৩টি চার্জিং পয়েন্ট ও ১২৮টি গ্যারেজ, উত্তরায় ১ হাজার ৩০৫টি চার্জিং পয়েন্ট ও ৭২টি গ্যারেজ, মতিঝিল বিভাগে ১ হাজার ৩৯০টি চার্জিং পয়েন্ট ও ৬০টি গ্যারেজ, লালবাগে ১৯৯টি চার্জিং পয়েন্ট ও ৭৭টি গ্যারেজ রয়েছে।
এ ছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ২৩৪টি এবং রমনা বিভাগে ২৬টি অবৈধ গ্যারেজের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। তবে এই দুই বিভাগের চার্জিং পয়েন্টগুলোর তথ্য সংগ্রহ করেনি তারা।
ডিএমপির তালিকা ধরে কয়েকটি এলাকার অবৈধ গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট সম্প্রতি ঘুরে দেখা হয়। মূলত খালি প্লটে টিন-বাঁশ দিয়ে বা বড় টিনশেড ঘরকে গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট বানানো হয়েছে। প্রতিটি গ্যারেজে মাচায় রিকশাচালকদের রাতে ঘুমানোর ব্যবস্থা রয়েছে। নিচে রিকশা বা অটোরিকশা রেখে চার্জ দেওয়া হয়।
শাহ আলীর বেড়িবাঁধসংলগ্ন বউবাজার এলাকার ৬ নম্বর সড়কে পাওয়া গেল ‘রবিউল ভাইয়ের গ্যারেজ’। সরেজমিনে গত মাসে গ্যারেজটিতে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে কয়েক ধরনের ব্যাটারিচালিত রিকশা। পাশেই একটি টং দোকানে কয়েকজন তরুণ বসা। কথা বলে জানা গেল, তাঁরা সবাই অটোচালক। দৈনিক ৪০০-৫০০ টাকা জমায় অটোরিকশা চালান। কাউকে কাউকে অটোরিকশা নিয়ে বের হতে দেখা গেল। গ্যারেজটি দেখাশোনা করেন আলিম নামের এক যুবক।
আলিমের সঙ্গে কথা বলে ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, বিশাল জায়গাজুড়ে তৈরি গ্যারেজে রশিতে রশিতে বিদ্যুতের তার ঝুলছে। কয়েকটি রিকশার ব্যাটারি চার্জে দেওয়া হয়েছে। আলিম বলেন, গ্যারেজের বয়স দুই বছর। গ্যারেজটি করেছেন রবিউল নামের এক ব্যক্তি। এখানে ৫০ থেকে ৬০ জন মালিকের অটোরিকশা রাখা হয়। তিনি কেবল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছেন।
মোহাম্মদপুরে গিয়ে দেখা গেছে, একেকটি গ্যারেজে ৮০ থেকে ২০০টি পর্যন্ত ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে। কোনো কোনো ওয়ার্কশপেও চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। কিছু এলাকায় কেবল চার্জ দেওয়ার জন্য চার্জিং পয়েন্ট খোলা হয়েছে। অধিকাংশ চার্জিং পয়েন্টে বিদ্যুৎ-সংযোগ নেওয়া হয়েছে আবাসিক লাইন থেকে, যা বিদ্যুৎ আইনের পরিপন্থী।
মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ের ৩ নম্বর সড়কের মসজিদের পেছনে একটি প্লটে টিন ও বাঁশ দিয়ে তৈরি গ্যারেজ রয়েছে। গ্যারেজটি চালান সালাম নামের একজন। জানা যায়, প্লটটিতে প্রথমে টিনের ছোট ছোট কক্ষ ছিল, পরে সেগুলো ভেঙে অটোরিকশার গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট বানানো হয়েছে। সালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, মালিকেরা অটোরিকশা কিনে দেন। এরপর জমা ও চালকের ব্যবস্থা গ্যারেজ করে। চালকেরা গ্যারেজেই থাকেন। তাঁরা জমার টাকা দিলে সেখান থেকে একটি অংশ গ্যারেজ ভাড়া ও চার্জের খরচ কেটে রেখে বাকি টাকা মালিককে দেওয়া হয়।
একটি গ্যারেজে অটোরিকশাচালক সাদ্দাম বলেন, তাঁরা ভাড়ায় রিকশা চালান। দিন শেষে গ্যারেজে ৪০০ টাকা দেন। চার্জ দেওয়া, রিকশার মেরামত—সবই মালিক দেখেন। গ্যারেজে অনেক লাইন থাকে, কিছু মিটারও দেখেছেন। তবে এগুলো বৈধ না অবৈধ, তা তাঁরা জানেন না।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সব ওয়ার্কশপ ও চার্জিং পয়েন্ট বন্ধ করা হবে বলে জানান ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি জানান, এসব রিকশার চার্জিং পয়েন্ট ও উৎপাদনকেন্দ্রগুলো ডেসকোর সহায়তায় বন্ধ করা হবে।

ঢাকার মিরপুরের শাহ আলীর উত্তর বিশিল বউবাজারসহ বেড়িবাঁধসংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় টিন ও বাঁশ দিয়ে তৈরি অসংখ্য ঘর। ঘরগুলো ব্যাটারিচালিত রিকশার (অটোরিকশা) গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট (ব্যাটারি চার্জ দেওয়া হয়)। একেকটি গ্যারেজে ৮০ থেকে ১৫০টি পর্যন্ত রিকশা রাখা হয়।
রাজধানীতে অনুমোদন ছাড়াই চলাচল করা ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোরিকশা বা ইজিবাইকের এসব গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্টেরও কোনো অনুমতি নেই। এরপরও কিছুর ধার না ধেরে বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে এমন অসংখ্য অবৈধ গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তালিকা অনুযায়ী, তাদের ১০ অপরাধ বিভাগের মধ্যে আট বিভাগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবৈধ ৪৮ হাজার ১৩৬টি চার্জিং পয়েন্ট ও ৯৯২টি গ্যারেজ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে শুধু মিরপুর বিভাগেই রয়েছে ৩৯ হাজার ৮৩টি চার্জিং পয়েন্ট ও ২৫৯টি গ্যারেজ। বাকি দুই বিভাগ ধরলে ব্যাটারিচালিত রিকশার গ্যারেজ ১ হাজার ২৫০টির বেশি। প্রতিটি গ্যারেজে রয়েছে চার্জ দেওয়ার সুবিধা। চার্জে অনেক বিদ্যুৎ লাগে। গ্যারেজগুলোর বিদ্যুতের সংযোগ বৈধ না অবৈধ, তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন।
ডিএমপি গত এপ্রিলে এসব অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট ও গ্যারেজের তালিকা তৈরি করেছে। পুলিশ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) যৌথভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। গ্যারেজের জমি ও বাড়িমালিকদের সতর্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরওয়ার বলেন, একটি তালিকা করা হয়েছে, এটি নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কাজ করছে। তারা পুলিশের সহায়তা চাইলে সহায়তা করা হয়।
পুলিশের সূত্র বলেছে, ডিএমপির তালিকায় থাকা ব্যাটারিচালিত রিকশার অবৈধ গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্টের বেশির ভাগ মিরপুর বিভাগের সাত থানা এলাকায়। থানাগুলো হলো মিরপুর মডেল, পল্লবী, কাফরুল, শাহ আলী, দারুস সালাম, রূপনগর ও ভাষানটেক। এসব থানা এলাকার ৩৯ হাজার ৮৩টি চার্জিং পয়েন্ট ও ২৫৯টি গ্যারেজকে অবৈধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে পুলিশ। ডিএমপির অপর সাতটি অপরাধ বিভাগে অবৈধ ৯ হাজার চার্জিং পয়েন্ট ও ৭৩৩টি গ্যারেজের তালিকা করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ওয়ারী বিভাগে ৩ হাজার ৫১৬ চার্জিং পয়েন্ট ও ১৩৬টি গ্যারেজ, গুলশান বিভাগে ২ হাজার ৬৪৩টি চার্জিং পয়েন্ট ও ১২৮টি গ্যারেজ, উত্তরায় ১ হাজার ৩০৫টি চার্জিং পয়েন্ট ও ৭২টি গ্যারেজ, মতিঝিল বিভাগে ১ হাজার ৩৯০টি চার্জিং পয়েন্ট ও ৬০টি গ্যারেজ, লালবাগে ১৯৯টি চার্জিং পয়েন্ট ও ৭৭টি গ্যারেজ রয়েছে।
এ ছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ২৩৪টি এবং রমনা বিভাগে ২৬টি অবৈধ গ্যারেজের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। তবে এই দুই বিভাগের চার্জিং পয়েন্টগুলোর তথ্য সংগ্রহ করেনি তারা।
ডিএমপির তালিকা ধরে কয়েকটি এলাকার অবৈধ গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট সম্প্রতি ঘুরে দেখা হয়। মূলত খালি প্লটে টিন-বাঁশ দিয়ে বা বড় টিনশেড ঘরকে গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট বানানো হয়েছে। প্রতিটি গ্যারেজে মাচায় রিকশাচালকদের রাতে ঘুমানোর ব্যবস্থা রয়েছে। নিচে রিকশা বা অটোরিকশা রেখে চার্জ দেওয়া হয়।
শাহ আলীর বেড়িবাঁধসংলগ্ন বউবাজার এলাকার ৬ নম্বর সড়কে পাওয়া গেল ‘রবিউল ভাইয়ের গ্যারেজ’। সরেজমিনে গত মাসে গ্যারেজটিতে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে কয়েক ধরনের ব্যাটারিচালিত রিকশা। পাশেই একটি টং দোকানে কয়েকজন তরুণ বসা। কথা বলে জানা গেল, তাঁরা সবাই অটোচালক। দৈনিক ৪০০-৫০০ টাকা জমায় অটোরিকশা চালান। কাউকে কাউকে অটোরিকশা নিয়ে বের হতে দেখা গেল। গ্যারেজটি দেখাশোনা করেন আলিম নামের এক যুবক।
আলিমের সঙ্গে কথা বলে ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, বিশাল জায়গাজুড়ে তৈরি গ্যারেজে রশিতে রশিতে বিদ্যুতের তার ঝুলছে। কয়েকটি রিকশার ব্যাটারি চার্জে দেওয়া হয়েছে। আলিম বলেন, গ্যারেজের বয়স দুই বছর। গ্যারেজটি করেছেন রবিউল নামের এক ব্যক্তি। এখানে ৫০ থেকে ৬০ জন মালিকের অটোরিকশা রাখা হয়। তিনি কেবল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছেন।
মোহাম্মদপুরে গিয়ে দেখা গেছে, একেকটি গ্যারেজে ৮০ থেকে ২০০টি পর্যন্ত ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে। কোনো কোনো ওয়ার্কশপেও চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। কিছু এলাকায় কেবল চার্জ দেওয়ার জন্য চার্জিং পয়েন্ট খোলা হয়েছে। অধিকাংশ চার্জিং পয়েন্টে বিদ্যুৎ-সংযোগ নেওয়া হয়েছে আবাসিক লাইন থেকে, যা বিদ্যুৎ আইনের পরিপন্থী।
মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ের ৩ নম্বর সড়কের মসজিদের পেছনে একটি প্লটে টিন ও বাঁশ দিয়ে তৈরি গ্যারেজ রয়েছে। গ্যারেজটি চালান সালাম নামের একজন। জানা যায়, প্লটটিতে প্রথমে টিনের ছোট ছোট কক্ষ ছিল, পরে সেগুলো ভেঙে অটোরিকশার গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট বানানো হয়েছে। সালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, মালিকেরা অটোরিকশা কিনে দেন। এরপর জমা ও চালকের ব্যবস্থা গ্যারেজ করে। চালকেরা গ্যারেজেই থাকেন। তাঁরা জমার টাকা দিলে সেখান থেকে একটি অংশ গ্যারেজ ভাড়া ও চার্জের খরচ কেটে রেখে বাকি টাকা মালিককে দেওয়া হয়।
একটি গ্যারেজে অটোরিকশাচালক সাদ্দাম বলেন, তাঁরা ভাড়ায় রিকশা চালান। দিন শেষে গ্যারেজে ৪০০ টাকা দেন। চার্জ দেওয়া, রিকশার মেরামত—সবই মালিক দেখেন। গ্যারেজে অনেক লাইন থাকে, কিছু মিটারও দেখেছেন। তবে এগুলো বৈধ না অবৈধ, তা তাঁরা জানেন না।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সব ওয়ার্কশপ ও চার্জিং পয়েন্ট বন্ধ করা হবে বলে জানান ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি জানান, এসব রিকশার চার্জিং পয়েন্ট ও উৎপাদনকেন্দ্রগুলো ডেসকোর সহায়তায় বন্ধ করা হবে।

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে (৫০) কুপিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট, শরীয়তপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-২ (সদর-টঙ্গী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি সালাউদ্দিন সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে এবার ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনটি। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়ে শাহবাগে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
২ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভুল চিকিৎসায় ঝুমা বেগম (২০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরের ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর পর আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে গৃহবধূর লাশ নেওয়া হয় ভৈরব থানায়। থানায় লাশ রেখেই বিকেলে ৪ লাখ টাকায় রফাদফা হয়েছে বলে জানান রোগীর স্বজন রাশেদ মিয়া।
২ ঘণ্টা আগে