নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন থানায় দায়ের করা পাঁচটি নাশকতার মামলায় বিএনপি, এর অঙ্গসংগঠন ও জামায়াতের ৭০ জন নেতা-কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। খালাস দেওয়া হয়েছে ৪২ জনকে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভিন্ন ভিন্ন বিচারক এই দণ্ডাদেশ দেন।
রায় ঘোষণার সময় এসব মামলার বেশির ভাগ আসামি পলাতক ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পলাতক আসামিরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর অথবা কোনো আদালতে আত্মসমর্পণের পর দণ্ড কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
আলতাফ হোসেনসহ ৮ জনের কারাদণ্ড
পুলিশের সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, যানবাহনে আগুন দেওয়াসহ নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হচ্ছেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) মো. হানিফ, এম এ আউয়াল খান, মো. রাসেল, মইনুল ইসলাম, বাবুল হোসেন বাবু ও মো. আলমগীর বিশ্বাস রাজু।
আলতাফ হোসেন চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও মেজর (অব.) হানিফকে দুটি ধারায় এক বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর আসামি এম এ আউয়াল খান, মো. রাসেল, মইনুল ইসলাম, বাবুল হোসেন বাবু ও মো. আলমগীর বিশ্বাসকে দণ্ডবিধির দুটি ধারায় তিন বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে প্রত্যেককে আরও তিন মাসের কারাভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী জনি খন্দকার রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার ও বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুমসহ ১১ জনকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
গত রোববার আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত এক যুগ আগে দায়ের করা এই মামলার রায়ের তারিখ ধার্য করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা ২০১১ সালের ৪ জুন গুলশান থানাধীন মহাখালী ওয়ারলেস গেট পানির ট্যাংকির সামনে রাস্তার ওপর অবৈধ সমাবেশ থেকে পুলিশের কাজে বাধা দেন এবং তাঁদের আক্রমণ করেন। রাস্তার চলাচলরত গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেন। ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল মামলাটি তদন্তের পর গুলশান থানার এসআই কামরুল হাসান তালুকদার আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২২ সালের ২৫ এপ্রিল এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলার বিচার চালাকালে আদালত ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন।
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছেন। গত ৫ নভেম্বর টঙ্গী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, নাশকতার মামলায় বিএনপির নেতা আলতাফ হোসেন চৌধুরী হাফিজ উদ্দিন ও মো. হানিফকে সাজা দেওয়ার মধ্য দিয়ে দলের কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাকে এই প্রথম সাজা দেওয়া হলো।
শাহবাগ থানার মামলায় ১৩ জনের কারাদণ্ড
২০১৭ সালে শাহবাগ থানায় দায়ের করা এক মামলায় ১৩ জন বিএনপি নেতা-কর্মীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর ২২ আসামিকে খালাস দেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদ্দাম হোসেন এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দেলোয়ার হোসেন শান্ত, মো. সেলিম মোল্লা, মো. স্বপন ব্যাপারী, নাজমুল হাসান, লুৎফর রহমান, মো. আরাফাত, কামাল হোসেন, আ. রহিম, আবুল খায়ের লিটন, মহি উদ্দিন হৃদয়, মো. সোলায়মান আলী, জাহিদুল ইসলাম ও মোখলেস মিয়া।
আদালত প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁদের আরও ১৫ দিন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২২ জুন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিএনপির নেতা-কর্মীরা হাইকোর্ট মাজার এলাকায় বেআইনিভাবে সমাবেশ করে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, ভাঙচুর করে এবং পুলিশের কর্তব্য পালনে বাধা দেয়।
এ ঘটনায় ওই দিন পুলিশ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর ৩৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
বিচার চলাকালে আদালত পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
উত্তরখান থানার মামলায় ৩২ জনের কারাদণ্ড
পাঁচ বছর আগে বেআইনি সমাবেশ ও নাশকতার অভিযোগের এক মামলায় বিএনপি ৩২ নেতা-কর্মীর পৃথক দুটি ধারায় ২০ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেনের আদালত এই রায় দেন।
এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরও দুজনকে খালাসের আদেশ দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন মো. আহসান হাবীব মোল্লা, মো. রায়হান, মো. সেলিম মোল্লা, মো. আনোয়ার হোসেন বকুল, মো. নোয়াব আলী খান প্রমুখ।
দণ্ডবিধি আইনের ১৪৩ ধারায় ৩২ আসামির প্রত্যেকের দুই মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩৫৩ ধারায় আঠারো মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বেআইনি সমাবেশ ও নাশকতার সৃষ্টির অভিযোগে উত্তরখান থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় ১২ জনের কারাদণ্ড
এক দশক আগে শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় বিএনপির ১২ নেতা-কর্মীকে দণ্ডবিধির দুটি ধারায় ১৮ মাস ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর হরতালে গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় এ মামলাটি করে পুলিশ। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। মামলার বিচার চলাকালে পাঁচজন আদালতে সাক্ষ্য দেন।
পল্টন থানার মামলায় পাঁচজনের কারাদণ্ড
এক দশক আগে পল্টন থানার এক মামলায় জামায়াতের পাঁচজনকে ২ ধারায় ছয় মাসের সাজা দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত অপর তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে পল্টন থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়।
এরপর তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৭ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ছয়জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন থানায় দায়ের করা পাঁচটি নাশকতার মামলায় বিএনপি, এর অঙ্গসংগঠন ও জামায়াতের ৭০ জন নেতা-কর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। খালাস দেওয়া হয়েছে ৪২ জনকে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভিন্ন ভিন্ন বিচারক এই দণ্ডাদেশ দেন।
রায় ঘোষণার সময় এসব মামলার বেশির ভাগ আসামি পলাতক ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পলাতক আসামিরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর অথবা কোনো আদালতে আত্মসমর্পণের পর দণ্ড কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
আলতাফ হোসেনসহ ৮ জনের কারাদণ্ড
পুলিশের সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, যানবাহনে আগুন দেওয়াসহ নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সাবেক এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হচ্ছেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) মো. হানিফ, এম এ আউয়াল খান, মো. রাসেল, মইনুল ইসলাম, বাবুল হোসেন বাবু ও মো. আলমগীর বিশ্বাস রাজু।
আলতাফ হোসেন চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও মেজর (অব.) হানিফকে দুটি ধারায় এক বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর আসামি এম এ আউয়াল খান, মো. রাসেল, মইনুল ইসলাম, বাবুল হোসেন বাবু ও মো. আলমগীর বিশ্বাসকে দণ্ডবিধির দুটি ধারায় তিন বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে প্রত্যেককে আরও তিন মাসের কারাভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী জনি খন্দকার রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার ও বিএনপি নেতা এম এ কাইয়ুমসহ ১১ জনকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
গত রোববার আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত এক যুগ আগে দায়ের করা এই মামলার রায়ের তারিখ ধার্য করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা ২০১১ সালের ৪ জুন গুলশান থানাধীন মহাখালী ওয়ারলেস গেট পানির ট্যাংকির সামনে রাস্তার ওপর অবৈধ সমাবেশ থেকে পুলিশের কাজে বাধা দেন এবং তাঁদের আক্রমণ করেন। রাস্তার চলাচলরত গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেন। ২০১৪ সালের ২৯ এপ্রিল মামলাটি তদন্তের পর গুলশান থানার এসআই কামরুল হাসান তালুকদার আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২২ সালের ২৫ এপ্রিল এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলার বিচার চালাকালে আদালত ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন।
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছেন। গত ৫ নভেম্বর টঙ্গী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, নাশকতার মামলায় বিএনপির নেতা আলতাফ হোসেন চৌধুরী হাফিজ উদ্দিন ও মো. হানিফকে সাজা দেওয়ার মধ্য দিয়ে দলের কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাকে এই প্রথম সাজা দেওয়া হলো।
শাহবাগ থানার মামলায় ১৩ জনের কারাদণ্ড
২০১৭ সালে শাহবাগ থানায় দায়ের করা এক মামলায় ১৩ জন বিএনপি নেতা-কর্মীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর ২২ আসামিকে খালাস দেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদ্দাম হোসেন এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দেলোয়ার হোসেন শান্ত, মো. সেলিম মোল্লা, মো. স্বপন ব্যাপারী, নাজমুল হাসান, লুৎফর রহমান, মো. আরাফাত, কামাল হোসেন, আ. রহিম, আবুল খায়ের লিটন, মহি উদ্দিন হৃদয়, মো. সোলায়মান আলী, জাহিদুল ইসলাম ও মোখলেস মিয়া।
আদালত প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁদের আরও ১৫ দিন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২২ জুন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিএনপির নেতা-কর্মীরা হাইকোর্ট মাজার এলাকায় বেআইনিভাবে সমাবেশ করে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, ভাঙচুর করে এবং পুলিশের কর্তব্য পালনে বাধা দেয়।
এ ঘটনায় ওই দিন পুলিশ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর ৩৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
বিচার চলাকালে আদালত পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
উত্তরখান থানার মামলায় ৩২ জনের কারাদণ্ড
পাঁচ বছর আগে বেআইনি সমাবেশ ও নাশকতার অভিযোগের এক মামলায় বিএনপি ৩২ নেতা-কর্মীর পৃথক দুটি ধারায় ২০ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেনের আদালত এই রায় দেন।
এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরও দুজনকে খালাসের আদেশ দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন মো. আহসান হাবীব মোল্লা, মো. রায়হান, মো. সেলিম মোল্লা, মো. আনোয়ার হোসেন বকুল, মো. নোয়াব আলী খান প্রমুখ।
দণ্ডবিধি আইনের ১৪৩ ধারায় ৩২ আসামির প্রত্যেকের দুই মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩৫৩ ধারায় আঠারো মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বেআইনি সমাবেশ ও নাশকতার সৃষ্টির অভিযোগে উত্তরখান থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় ১২ জনের কারাদণ্ড
এক দশক আগে শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় বিএনপির ১২ নেতা-কর্মীকে দণ্ডবিধির দুটি ধারায় ১৮ মাস ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর হরতালে গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় এ মামলাটি করে পুলিশ। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। মামলার বিচার চলাকালে পাঁচজন আদালতে সাক্ষ্য দেন।
পল্টন থানার মামলায় পাঁচজনের কারাদণ্ড
এক দশক আগে পল্টন থানার এক মামলায় জামায়াতের পাঁচজনকে ২ ধারায় ছয় মাসের সাজা দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার্জশিটভুক্ত অপর তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে পল্টন থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়।
এরপর তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৭ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ছয়জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৪ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে