
কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক অভিযানে ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুমিল্লা সেক্টরের সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম।
বিজিবি জানায়, মহাপরিচালকের নির্দেশনায় সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সকালে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল বিওপি, আদর্শ সদর উপজেলার বড়জ্বালা বিওপি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাদলা বিওপির টহল দল পৃথকভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে একটি পিকআপসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে জিরা, মেহেদি, বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস সামগ্রী, শাড়ি, বাসমতী চাল, সাবান, ফুচকা, বাজি ও বিভিন্ন প্রকার ওষুধ। এসব পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৯০ লাখ ৬৬ হাজার ৭০ টাকা।
অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম বলেন, জব্দকৃত চোরাচালান পণ্যসমূহ কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়া হবে। সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও তিনি জানান।

রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে রংপুর শহরের মেডিকেল মোড় পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার সড়কে গড়ে উঠেছে অন্তত ১২টি অবৈধ ইজিবাইক ও সিএনজি স্ট্যান্ড। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক ক্রমেই সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে, বাড়ছে যানজট, সেই সঙ্গে ঘটছে ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা।
৪ মিনিট আগে
রাজধানীতে মশা নিয়ন্ত্রণে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও কমছে না তার উপদ্রব। প্রতিবছর বরাদ্দ বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। ইতিমধ্যে মশা মারতে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা এবং প্রয়োগের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ অবস্থায় মশা নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন।
১৪ মিনিট আগে
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে মালিক মিয়া (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
১৬ মিনিট আগে
‘হঠাৎ করেই আমার মেয়ে ছটফট শুরু করল। নার্স এসে তড়িঘড়ি করে অক্সিজেন দিল। একটা ইনজেকশন দিল। বড় একটা স্যালাইনও লাগাল। তারপরই নাক-মুখ দিয়ে রক্ত এল। মেয়ে আমার দুনিয়া থেকে চলে গেল। আমরা আর কিছুই করতে পারলাম না।’ এসব কথা বলে মোবাইল ফোনেই কাঁদতে লাগলেন চামেলী খাতুন। আর কথা বলতে পারলেন না।
৪৪ মিনিট আগে