কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে গত রোববার বিবৃতি দেয় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। বিবৃতিতে ‘মদমুক্ত পূজা’ করার বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। সেই বিবৃতির প্রত্যুত্তরে বাহার বলেছেন, ‘পূজায় দিল্লি-কলকাতায় মাদক নিষিদ্ধ, শুধু আমি বললেই দোষ।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা টাউন হল মিলনায়তনে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কুমিল্লা মহানগর শাখা আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ জবাব দেন। শান্তিপূর্ণ কুমিল্লা অশান্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কিছু স্বার্থান্বেষী মহল শারদীয় দুর্গাপূজা নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রতিবাদে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেন, কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই না করে আপনারা কার ষড়যন্ত্রে বিবৃতি দেন? কাউকে মনোনয়ন দেওয়া না দেওয়ার আপনারা কে? এ সময় তিনি ভারত ও বাংলাদেশের অর্ধশতাধিক পত্রিকার কাটিং দেখিয়ে বলেন, ‘পবিত্র পূজামণ্ডপকে সুশৃঙ্খল রাখতে দিল্লি, কলকাতাসহ বিভিন্ন জায়গায় পূজা উপলক্ষে মাদক নিষিদ্ধ রাখে। সেখানে দোষ নেই, বাহার বললেই দোষ।’
কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘পূজামণ্ডপ ও মাদক নিয়ে আমার খণ্ডিত বক্তব্য প্রচার করে করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা করছে। ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে কুমিল্লার তথা দেশের রাজনীতিকে ঘোলা করতে চাইছে। কুমিল্লার যত হিন্দু সম্পত্তি অবৈধভাবে হস্তান্তর হয়েছে সবকিছুর সঙ্গে তাঁরাই জড়িত। কোনো চক্রান্তই আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারকে রাজনীতির মাঠ থেকে সরাতে পারবে না।’
বাহার বলেন, তারা ষড়যন্ত্রের পর ষড়যন্ত্র করছে কিন্তু শংকরের কল্লা ফেরত দিতে পারেনি। আজও শংকরের পরিবার তাঁকে খুঁজছে। তিনি বলেন, কুমিল্লার শান্তি রক্ষায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
আগামীকাল শুক্রবার সকাল বিকেল শান্তি মিছিল হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সকালে যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আর বিকেলে শ্রমিক লীগ-কৃষক লীগের নেতৃত্বে মিছিল হবে। হিন্দু-মুসলিম সবাই এ শান্তি মিছিলে সমবেত হবেন।
কুমিল্লায় মাদকমুক্ত পূজার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, কুমিল্লায় মাদকমুক্ত পূজা অনুষ্ঠিত হবে। কোনো মাদকাসক্ত যদি মাতলামি করতে মণ্ডপে আসে তাকে পুলিশে দেওয়া হবে। পূজার শৃঙ্খলা রক্ষায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ পাড়ায় পাড়ায় পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে কাজ করবে। কোনো প্রকার উচ্ছৃঙ্খলতা মেনে নেওয়া হবে না।
কুমিল্লা মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি শিব প্রসাদ রায়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অচ্যিন্ত দাস টিটুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—কান্তি রাহা, পাপড়ী বসু প্রমুখ। সভায় কুমিল্লা মহানগরীর ৯১টি পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দ ও কুমিল্লা মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সকল নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
সভায় ১০১ জন হিন্দু নেতার স্বাক্ষর সংবলিত একটি প্রতিবাদ লিপি পড়ে শোনানো হয়। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের বিবৃতির প্রতিবাদে দেওয়া এই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘গত ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রদত্ত বিবৃতি দেখার পর আমরা হতবাক হয়েছি যে, আমাদের জাতীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের এহেন আচরণ আমাদের মর্মাহত ও হতাশ করেছে। আমরা কুমিল্লা মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদ এবং কুমিল্লা মহানগরের সকল শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন কমিটির পক্ষ থেকে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে গত রোববার বিবৃতি দেয় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। বিবৃতিতে ‘মদমুক্ত পূজা’ করার বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। সেই বিবৃতির প্রত্যুত্তরে বাহার বলেছেন, ‘পূজায় দিল্লি-কলকাতায় মাদক নিষিদ্ধ, শুধু আমি বললেই দোষ।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা টাউন হল মিলনায়তনে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, কুমিল্লা মহানগর শাখা আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ জবাব দেন। শান্তিপূর্ণ কুমিল্লা অশান্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত কিছু স্বার্থান্বেষী মহল শারদীয় দুর্গাপূজা নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রতিবাদে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেন, কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই না করে আপনারা কার ষড়যন্ত্রে বিবৃতি দেন? কাউকে মনোনয়ন দেওয়া না দেওয়ার আপনারা কে? এ সময় তিনি ভারত ও বাংলাদেশের অর্ধশতাধিক পত্রিকার কাটিং দেখিয়ে বলেন, ‘পবিত্র পূজামণ্ডপকে সুশৃঙ্খল রাখতে দিল্লি, কলকাতাসহ বিভিন্ন জায়গায় পূজা উপলক্ষে মাদক নিষিদ্ধ রাখে। সেখানে দোষ নেই, বাহার বললেই দোষ।’
কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, ‘পূজামণ্ডপ ও মাদক নিয়ে আমার খণ্ডিত বক্তব্য প্রচার করে করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা করছে। ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে কুমিল্লার তথা দেশের রাজনীতিকে ঘোলা করতে চাইছে। কুমিল্লার যত হিন্দু সম্পত্তি অবৈধভাবে হস্তান্তর হয়েছে সবকিছুর সঙ্গে তাঁরাই জড়িত। কোনো চক্রান্তই আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারকে রাজনীতির মাঠ থেকে সরাতে পারবে না।’
বাহার বলেন, তারা ষড়যন্ত্রের পর ষড়যন্ত্র করছে কিন্তু শংকরের কল্লা ফেরত দিতে পারেনি। আজও শংকরের পরিবার তাঁকে খুঁজছে। তিনি বলেন, কুমিল্লার শান্তি রক্ষায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
আগামীকাল শুক্রবার সকাল বিকেল শান্তি মিছিল হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সকালে যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আর বিকেলে শ্রমিক লীগ-কৃষক লীগের নেতৃত্বে মিছিল হবে। হিন্দু-মুসলিম সবাই এ শান্তি মিছিলে সমবেত হবেন।
কুমিল্লায় মাদকমুক্ত পূজার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, কুমিল্লায় মাদকমুক্ত পূজা অনুষ্ঠিত হবে। কোনো মাদকাসক্ত যদি মাতলামি করতে মণ্ডপে আসে তাকে পুলিশে দেওয়া হবে। পূজার শৃঙ্খলা রক্ষায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ পাড়ায় পাড়ায় পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে কাজ করবে। কোনো প্রকার উচ্ছৃঙ্খলতা মেনে নেওয়া হবে না।
কুমিল্লা মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি শিব প্রসাদ রায়ের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অচ্যিন্ত দাস টিটুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—কান্তি রাহা, পাপড়ী বসু প্রমুখ। সভায় কুমিল্লা মহানগরীর ৯১টি পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দ ও কুমিল্লা মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সকল নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
সভায় ১০১ জন হিন্দু নেতার স্বাক্ষর সংবলিত একটি প্রতিবাদ লিপি পড়ে শোনানো হয়। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের বিবৃতির প্রতিবাদে দেওয়া এই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘গত ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রদত্ত বিবৃতি দেখার পর আমরা হতবাক হয়েছি যে, আমাদের জাতীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের এহেন আচরণ আমাদের মর্মাহত ও হতাশ করেছে। আমরা কুমিল্লা মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদ এবং কুমিল্লা মহানগরের সকল শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপন কমিটির পক্ষ থেকে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১৪ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৮ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২০ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২৩ মিনিট আগে