কুমিল্লা ও হোমনা প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় শিশু সায়মন হত্যা মামলায় আসামি বিল্লাল পাঠানকে মৃত্যুদণ্ড এবং সায়মনের চাচি শেফালী বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের ১ লাখ টাকা করে জরিমানারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুজনকেই লাশ গুমের অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার সাজাও ঘোষণা করেন বিচারক। আজ বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক সাব্বির মাহমুদ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী কৌশলী (এপিপি) ইকরাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

এপিপি মো. ইকরাম হোসেন জানান, ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট বিকেলে ৭ বছরের শিশু সায়মন মায়ের সঙ্গে বাতাকান্দি বাজারে যায়। সেখান থেকে পানীয় কিনে বাড়ি ফেরার পথে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট তিতাস থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরদিন ১৯ আগস্ট সকালে বজলুর রহমানের বালুর মাঠের ঝোপ থেকে সায়মনের অর্ধগলিত ও পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত সায়মনের মা খোরশেদা আক্তার বাদী হয়ে চাচি শেফালী বেগম ও অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে বিল্লাল পাঠানের নাম উঠে আসে। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) শেফালী বেগম ও বিল্লাল পাঠানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
আইনজীবী ইকবাল হোসেন বলেন, চাচি শেফালী বেগমের সঙ্গে বিল্লাল পাঠানের অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় শিশু সায়মনকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা চালানো হয়।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় নিহত সায়মনের মা খোরশেদা আক্তার বলেন, ‘আমি আদালতের এই রায়ে সন্তুষ্ট। তবে আমি রাষ্ট্রের কাছে আমার সন্তান হত্যাকারীদের শাস্তি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাই।’

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় শিশু সায়মন হত্যা মামলায় আসামি বিল্লাল পাঠানকে মৃত্যুদণ্ড এবং সায়মনের চাচি শেফালী বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের ১ লাখ টাকা করে জরিমানারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুজনকেই লাশ গুমের অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানার সাজাও ঘোষণা করেন বিচারক। আজ বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক সাব্বির মাহমুদ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী কৌশলী (এপিপি) ইকরাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

এপিপি মো. ইকরাম হোসেন জানান, ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট বিকেলে ৭ বছরের শিশু সায়মন মায়ের সঙ্গে বাতাকান্দি বাজারে যায়। সেখান থেকে পানীয় কিনে বাড়ি ফেরার পথে সে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট তিতাস থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরদিন ১৯ আগস্ট সকালে বজলুর রহমানের বালুর মাঠের ঝোপ থেকে সায়মনের অর্ধগলিত ও পোড়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত সায়মনের মা খোরশেদা আক্তার বাদী হয়ে চাচি শেফালী বেগম ও অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে বিল্লাল পাঠানের নাম উঠে আসে। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) শেফালী বেগম ও বিল্লাল পাঠানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
আইনজীবী ইকবাল হোসেন বলেন, চাচি শেফালী বেগমের সঙ্গে বিল্লাল পাঠানের অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় শিশু সায়মনকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা চালানো হয়।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় নিহত সায়মনের মা খোরশেদা আক্তার বলেন, ‘আমি আদালতের এই রায়ে সন্তুষ্ট। তবে আমি রাষ্ট্রের কাছে আমার সন্তান হত্যাকারীদের শাস্তি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাই।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১১ মিনিট আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১৫ মিনিট আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩৬ মিনিট আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪২ মিনিট আগে