ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ১৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। ওই সব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষকেরা। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ১০৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে ১৭টিরই প্রধান শিক্ষকের পদ প্রায় পাঁচ বছর ধরে শূন্য রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া উপজেলায় ৩৬টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকা এক সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘একসঙ্গে দুটি দায়িত্ব পালন করা যায় না। প্রশাসনিক দিক সামাল দেব, নাকি বাচ্চাদের পড়াব, তা বুঝি না।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘পাঁচ বছর ধরে আমি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছি। এখানে প্রধান শিক্ষকসহ দুটি পদ পাঁচ বছর ধরে খালি রয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় সামাল দেওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম মুন্সি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার ১৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। শুধু তাই নয়, এ উপজেলায় ৩৬টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরে জনবলের সংকট রয়েছে। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা চারজন থাকার কথা থাকলেও আছেন দুজন। হিসাব সহকারী একজন ও নিম্নমান সহকারী একজনের পদ শূন্য রয়েছে। এতে আমার দপ্তরে যেমন অফিশিয়াল কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলছে না, তেমনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসনিক কাজে সমস্যা হচ্ছে।’
শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘শিক্ষকসংকটের কারণে শিশু শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিঘ্নিত হচ্ছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত অবহিত করা হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত এর সমাধান হবে।’

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ১৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। ওই সব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষকেরা। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় মোট ১০৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এর মধ্যে ১৭টিরই প্রধান শিক্ষকের পদ প্রায় পাঁচ বছর ধরে শূন্য রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া উপজেলায় ৩৬টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকা এক সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘একসঙ্গে দুটি দায়িত্ব পালন করা যায় না। প্রশাসনিক দিক সামাল দেব, নাকি বাচ্চাদের পড়াব, তা বুঝি না।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘পাঁচ বছর ধরে আমি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছি। এখানে প্রধান শিক্ষকসহ দুটি পদ পাঁচ বছর ধরে খালি রয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় সামাল দেওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।’
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম মুন্সি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার ১৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। শুধু তাই নয়, এ উপজেলায় ৩৬টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরে জনবলের সংকট রয়েছে। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা চারজন থাকার কথা থাকলেও আছেন দুজন। হিসাব সহকারী একজন ও নিম্নমান সহকারী একজনের পদ শূন্য রয়েছে। এতে আমার দপ্তরে যেমন অফিশিয়াল কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলছে না, তেমনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসনিক কাজে সমস্যা হচ্ছে।’
শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘শিক্ষকসংকটের কারণে শিশু শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিঘ্নিত হচ্ছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত অবহিত করা হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত এর সমাধান হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে