তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বলরামপুর গ্রামের নয়াবাজারে ভূমিহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ থেকে বাজারটি রক্ষার্থে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। আজ শনিবার দুপুরে নয়াবাজারে এই মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।
এ নিয়ে বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিন বলেন, বলরামপুর মৌজার সাবেক ১২৪৭ দাগের হালে ২৬৫১ দাগের ৪৫ শতক ভূমির ওপর আজ থেকে প্রায় শত বছর আগে নয়াবাজার নামে বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দীর্ঘ বছর ধরে নয়াবাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে এবং বিক্রি করতে আসেন আশপাশের নাগেরচর, কাপাসকান্দি, তুলাকান্দি, চরেরগাঁও, বলরামপুর উত্তর দক্ষিণসহ দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দারা। আজ এই বাজারে স্থায়ী ৩০টি ব্যবসায়ী উচ্ছেদ করে যদি ভূমিহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ করা হয়, তাহলে উল্লেখিত গ্রামবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হবেন এবং ব্যবসায়ীদের ছেলে-মেয়ে নিয়ে পথে বসার উপক্রম হবে। আমরা উক্তি বাজারটি রক্ষার্থে গত ১৬ জুন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর চার শত লোকের স্বাক্ষর সংবলিত আবেদন করেছি।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী নাজমুল হাসান কিরন বলেন, এই বাজারের পাশে আরও খাস ভূমি আছে, সরকারের প্রয়োজনে ওই জায়গাটিও নিতে পারে।
দক্ষিণ বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা সাবেক মেম্বার রাইজ উদ্দিন (৮০) বলেন, ‘আজ যদি এই বাজারটি উচ্ছেদ করা হয় তাহলে আশপাশের গ্রামবাসীর অনেক দূরে বাজার করতে যেতে হবে। প্রশাসনের প্রতি আমার জোরদাবি বাজারটি যেন উচ্ছেদ না করে।’
এ নিয়ে বলরামপুর ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা পিন্টু দাস বলেন, নয়াবাজারটি খাস খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত। তাই আমরা ভূমিহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ করতে উক্ত জায়গাটি মনোনীত করেছি।
উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) এম আবু নওশাদ বলেন, নয়াবাজারে যেখানে দোকান ঘর আছে তা থাকবে, আর যেখানে ঘর আছে তারা ভূমিহীন তাঁদের জন্য গৃহনির্মাণ করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম মোর্শেদ বলেন, ‘ওই বাজারটি মূলত সরকারি খাস জায়গার ওপর অবস্থিত। যেহেতু এটা সরকারি খাস জায়গার ওপর অবস্থিত সেহেতু এটা আজ অথবা কাল অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উচ্ছেদ করার মাধ্যমে উদ্ধার করা হবে। আমরা চাই বাজারের এলোমেলো ঘরগুলো ভেঙে আশ্রয়ণ প্রকল্প করি। এখানে বাজারও থাকবে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরও হবে।’

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বলরামপুর গ্রামের নয়াবাজারে ভূমিহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ থেকে বাজারটি রক্ষার্থে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছে। আজ শনিবার দুপুরে নয়াবাজারে এই মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী।
এ নিয়ে বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিন বলেন, বলরামপুর মৌজার সাবেক ১২৪৭ দাগের হালে ২৬৫১ দাগের ৪৫ শতক ভূমির ওপর আজ থেকে প্রায় শত বছর আগে নয়াবাজার নামে বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দীর্ঘ বছর ধরে নয়াবাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে এবং বিক্রি করতে আসেন আশপাশের নাগেরচর, কাপাসকান্দি, তুলাকান্দি, চরেরগাঁও, বলরামপুর উত্তর দক্ষিণসহ দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দারা। আজ এই বাজারে স্থায়ী ৩০টি ব্যবসায়ী উচ্ছেদ করে যদি ভূমিহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ করা হয়, তাহলে উল্লেখিত গ্রামবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হবেন এবং ব্যবসায়ীদের ছেলে-মেয়ে নিয়ে পথে বসার উপক্রম হবে। আমরা উক্তি বাজারটি রক্ষার্থে গত ১৬ জুন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর চার শত লোকের স্বাক্ষর সংবলিত আবেদন করেছি।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী নাজমুল হাসান কিরন বলেন, এই বাজারের পাশে আরও খাস ভূমি আছে, সরকারের প্রয়োজনে ওই জায়গাটিও নিতে পারে।
দক্ষিণ বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা সাবেক মেম্বার রাইজ উদ্দিন (৮০) বলেন, ‘আজ যদি এই বাজারটি উচ্ছেদ করা হয় তাহলে আশপাশের গ্রামবাসীর অনেক দূরে বাজার করতে যেতে হবে। প্রশাসনের প্রতি আমার জোরদাবি বাজারটি যেন উচ্ছেদ না করে।’
এ নিয়ে বলরামপুর ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা পিন্টু দাস বলেন, নয়াবাজারটি খাস খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত। তাই আমরা ভূমিহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ করতে উক্ত জায়গাটি মনোনীত করেছি।
উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) এম আবু নওশাদ বলেন, নয়াবাজারে যেখানে দোকান ঘর আছে তা থাকবে, আর যেখানে ঘর আছে তারা ভূমিহীন তাঁদের জন্য গৃহনির্মাণ করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম মোর্শেদ বলেন, ‘ওই বাজারটি মূলত সরকারি খাস জায়গার ওপর অবস্থিত। যেহেতু এটা সরকারি খাস জায়গার ওপর অবস্থিত সেহেতু এটা আজ অথবা কাল অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উচ্ছেদ করার মাধ্যমে উদ্ধার করা হবে। আমরা চাই বাজারের এলোমেলো ঘরগুলো ভেঙে আশ্রয়ণ প্রকল্প করি। এখানে বাজারও থাকবে, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরও হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে