
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের মহিষমারী গ্রামটি প্রাকৃতিক অভয়ারণ্যের মতো। এখানকার ঘন ঝোপঝাড়, জঙ্গলে সাপ, শিয়াল, বেজি, গুইসাপ, বনবিড়াল ও মেছো বিড়ালের আস্তানা। গতকাল বুধবার সকালে গ্রামের মোস্তাক ওয়াজির বাড়ির গরুর ঘরে দুটি শাবকসহ একটি মা মেছো বিড়াল দেখতে পায় কিশোর ও তরুণেরা। চিতা বাঘ মনে করে এগুলোকে ধাওয়া করে তারা। এতে গরুর ঘর ঘিরে থাকা জালে মেছো বিড়ালের একটি শাবক আটকে যায়। ওটাকে খাঁচায় আটকে রাখা হয়। গতকাল বিকেলে বন বিভাগের সহায়তায় এটিকে গ্রামীণ বনে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মেছো বিড়ালটির কথা জানতে পেরে মহিষমারী গ্রামের হেলাল মাস্টার বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ করা পরিবেশবিদ মতিন সৈকতের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ছবি পাঠালে তিনি নিশ্চিত করেন এটি মেছো বিড়ালশাবক। মতিন সৈকত দ্রুত মহিষমারীতে ছুটে আসেন। তিনি দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহিনুল হাসানকে মেছো বিড়ালটির কথা জানালে তিনি বন বিভাগের কর্মীদের ঘটনাস্থলে পাঠান।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া হোমনা উপজেলা বন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব দাউদকান্দি) মো. মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বন্যপ্রাণী আটক করা দণ্ডনীয় অপরাধ। সরল বিশ্বাসে না বুঝে প্রাণীটিকে আটক করায় এবং অক্ষত অবস্থায় অবমুক্ত করতে পারায় মামলা করা হয়নি।
পরে হেলাল মাস্টারের বাড়িসংলগ্ন ঝোপঝাড়ে বুধবার বিকেলে মেছো বিড়ালশাবকটি অবমুক্ত করেন মতিন সৈকত ও বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী।
মতিন সৈকত বলেন, ‘পাখি, বন্যপ্রাণী, প্রকৃতি-পরিবেশের কোনো ক্ষতি করা যাবে না। পরিবেশ বাঁচলে আমরা বাঁচব। কিশোর ও তরুণদের পরিবেশ সংরক্ষণে দায়িত্ব নিতে হবে।’

দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলের মতো গ্যাস-সংকটে ভুগছে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চল। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রয়োজনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ ৬০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। ফলে গত দুই সপ্তাহে নরসিংদীর কোনো কোনো কারখানায় উৎপাদন ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
আমন মৌসুম শুরু হয়েছে। কৃষকেরা জমি প্রস্তুত করছেন। বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চারা রোপণও শুরু হয়েছে। তবে কৃষকেরা সারের দোকানে গিয়ে সার পাচ্ছেন না। ডিলাররা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বিসিআইসি ও বিএডিসি তাঁদেরকে সার সরবরাহ করছে না।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নগরীর পাঁচটি এলাকায় এডিস মশার প্রজনন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে ব্রেটো সূচক ৬১ দশমিক ৩৩ পাওয়া গেছে, যেখানে ২০-এর বেশি সূচককে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
নান্দাইল-হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে। ভাঙাচোরা আর অপ্রশস্ত সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দেড়-দুই ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে তাঁদের।
২ ঘণ্টা আগে