তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বলরামপুরের কালাইগোবিন্দপুর গ্রামে বারি পানিকচু-১ (লতিরাজ) আবাদ করেছেন কৃষক জজ মিয়া। তিনি কালাইগোবিন্দপুর ব্লকে ‘কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় এই কচু চাষ করেছেন।
জানা যায়, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষক জজ মিয়াকে সার, চারা ও পরিচর্যার জন্য আর্থিক প্রণোদনা দিচ্ছেন উপজেলা কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. কাউছার আহমেদ। একই সঙ্গে জজ মিয়াকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।
কৃষক জজ মিয়া বলেন, ‘প্রথমবারের মতো কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০ শতক জমিতে লতিরাজ কচু আবাদ করেছি। এরই মধ্যে পাইকারি ৪০ টাকা কেজি দরে প্রায় ২০ হাজার টাকার লতি বিক্রি করেছি। আশা করছি, আরও দুই মাস প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত লতি বিক্রি করতে পারব।’
এ বিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. কাউছার আহমেদ বলেন, ‘কৃষক জজ মিয়াকে সার, বীজ ও পরিচর্যার জন্য আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে ২০ শতক জমিতে বারি পানিকচু-১ (লতিরাজ) আবাদের প্রদর্শনী করেছি। এখন প্রতি সপ্তাহে ৩-৪ হাজার টাকার লতিরাজ কচু বিক্রি করেন তিনি।’
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, এ সময় বাজারে সবজির ঘাটতি থাকে। তাই বাজারদর ভালো পাওয়া যায়। বর্তমানে এসব কচু ৪০-৫০ টাকা কেজিতে অনায়াসে বিক্রি করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, কচু চাষে বিঘাপ্রতি খরচ হয় প্রায় ১০-১৫ হাজার টাকা। আর মৌসুম শেষে বিঘাপ্রতি লাভ হয় প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা। কচু চাষ কেবল আর্থিকভাবে লাভজনক নয়, এটি আয়রনসমৃদ্ধ সবজি। যা শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি নিরাপত্তায় দারুণ ভূমিকা রাখে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় তিতাসের কালাইগোবিন্দপুরে লতিরাজ কচুর একটি প্রদর্শনী করেছি। এ ছাড়া পানিকচু সম্প্রসারণ করতে আমরা কৃষকদের উপকরণ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। এতে অনেক কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে।কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বলরামপুরের কালাইগোবিন্দপুর গ্রামে বারি পানিকচু-১ (লতিরাজ) আবাদ করেছেন কৃষক জজ মিয়া। তিনি কালাইগোবিন্দপুর ব্লকে ‘কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় এই কচু চাষ করেছেন।

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বলরামপুরের কালাইগোবিন্দপুর গ্রামে বারি পানিকচু-১ (লতিরাজ) আবাদ করেছেন কৃষক জজ মিয়া। তিনি কালাইগোবিন্দপুর ব্লকে ‘কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় এই কচু চাষ করেছেন।
জানা যায়, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষক জজ মিয়াকে সার, চারা ও পরিচর্যার জন্য আর্থিক প্রণোদনা দিচ্ছেন উপজেলা কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. কাউছার আহমেদ। একই সঙ্গে জজ মিয়াকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।
কৃষক জজ মিয়া বলেন, ‘প্রথমবারের মতো কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০ শতক জমিতে লতিরাজ কচু আবাদ করেছি। এরই মধ্যে পাইকারি ৪০ টাকা কেজি দরে প্রায় ২০ হাজার টাকার লতি বিক্রি করেছি। আশা করছি, আরও দুই মাস প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত লতি বিক্রি করতে পারব।’
এ বিষয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. কাউছার আহমেদ বলেন, ‘কৃষক জজ মিয়াকে সার, বীজ ও পরিচর্যার জন্য আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে ২০ শতক জমিতে বারি পানিকচু-১ (লতিরাজ) আবাদের প্রদর্শনী করেছি। এখন প্রতি সপ্তাহে ৩-৪ হাজার টাকার লতিরাজ কচু বিক্রি করেন তিনি।’
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, এ সময় বাজারে সবজির ঘাটতি থাকে। তাই বাজারদর ভালো পাওয়া যায়। বর্তমানে এসব কচু ৪০-৫০ টাকা কেজিতে অনায়াসে বিক্রি করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সালাহ উদ্দিন বলেন, কচু চাষে বিঘাপ্রতি খরচ হয় প্রায় ১০-১৫ হাজার টাকা। আর মৌসুম শেষে বিঘাপ্রতি লাভ হয় প্রায় ৬০-৭০ হাজার টাকা। কচু চাষ কেবল আর্থিকভাবে লাভজনক নয়, এটি আয়রনসমৃদ্ধ সবজি। যা শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি নিরাপত্তায় দারুণ ভূমিকা রাখে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় তিতাসের কালাইগোবিন্দপুরে লতিরাজ কচুর একটি প্রদর্শনী করেছি। এ ছাড়া পানিকচু সম্প্রসারণ করতে আমরা কৃষকদের উপকরণ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। এতে অনেক কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে।কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বলরামপুরের কালাইগোবিন্দপুর গ্রামে বারি পানিকচু-১ (লতিরাজ) আবাদ করেছেন কৃষক জজ মিয়া। তিনি কালাইগোবিন্দপুর ব্লকে ‘কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় এই কচু চাষ করেছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে