প্রতিনিধি, পেকুয়া (কক্সবাজার)

সন্ধ্যা নামতেই পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়নের মুহুরিপাড়ার ছোট্ট বাজারে কমে যায় মানুষের আনাগোনা। ‘স্টেশন’ হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত এই বাজারের প্রায় সকল দোকানে তালা। স্টেশন পেরিয়ে গ্রামে ঢুকতেই দেখা যায় ভুতুড়ে পরিবেশ। ঘরের বাইরের আলো নিভিয়ে ভেতরে অবস্থান করছেন মানুষ। চারদিকে সুনসান নীরবতা।
গত শনিবার সরেজমিনে এমন দৃশ্যের দেখা মেলে মুহুরিপাড়া গ্রামে। গ্রেপ্তার-আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে মুহুরিপাড়া ও এর পাশের মগঘোনা গ্রাম। গ্রাম দুটির নারীরাও রয়েছেন গ্রেপ্তার ও হামলার আতঙ্কে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল জলিল বলেন, তাঁর একমাত্র ছেলে আশেক বিন জলিলকে পুলিশের ওপর হামলার মামলায় আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামাদের গ্রেপ্তারের ভয়ে অপর পুরুষ সদস্যরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
মুহুরিপাড়ার বাসিন্দা সংবাদকর্মী মোহাম্মদ হাসেম বলেন, তাঁর স্ত্রী, অসুস্থ ভাই, ভগ্নিপতি ও চট্টগ্রামের স্কুল-কলেজপড়ুয়া দুই ছেলে মোহাম্মদ আরমান এবং মোহাম্মদ আরিফসহ ছয়জনকে পুলিশের মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ওই পাড়ার বাসিন্দা নাজেম উদ্দিন নাজুর অভিযোগ, প্রতি রাতেই পুলিশ ও ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াসিমের অনুসারীরা মুহুরিপাড়া ও মগঘোনার প্রতি ঘরে আসামি ধরার নামে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মমতাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বেশ কিছুদিন ধরে রাজনৈতিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছি। কিন্তু পুলিশের ওপর হামলা ও ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াসিমের ভাইদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের দুটি মামলায় আমাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।’
ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রুকন উদ্দিন বলেন, ‘আমার স্ত্রী, বড় ভাই, বড় ভাবী, আপন দুই বোন, এক ভগ্নিপতিসহ মোট ছয়জনকে পুলিশের ওপর হামলার মামলায় আসামি করা হয়েছে।’
৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. সেলিম বলেন, তাঁকেসহ বড় ছেলে, ছেলের বউ, মেয়েসহ চারজনকে পুলিশের ওপর হামলার মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খায়রুল এনাম বলেন, ‘পুলিশ চেয়ারম্যান ওয়াসিমের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নিরীহ গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।’
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম বলেন, ‘অপরাধীদের আমি আইনের মাধ্যমে মোকাবেলা করছি। আমি বা আমার কোনো লোকজন কাউকে আক্রমণ করিনি।
কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাও দেইনি।’
পুলিশের করা মামলার বাদী এসআই খায়ের উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আসামি তালিকা তৈরিতে বিতর্কিত কোনো ব্যক্তি বা জনপ্রতিনিধির সহযোগিতা নেওয়া হয়নি।
পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কানন সরকার বলেন, ‘কোনো নিরীহ ব্যক্তিকে যদি আসামি করা হয়, তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগপত্র থেকে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হবে।’

সন্ধ্যা নামতেই পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়নের মুহুরিপাড়ার ছোট্ট বাজারে কমে যায় মানুষের আনাগোনা। ‘স্টেশন’ হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত এই বাজারের প্রায় সকল দোকানে তালা। স্টেশন পেরিয়ে গ্রামে ঢুকতেই দেখা যায় ভুতুড়ে পরিবেশ। ঘরের বাইরের আলো নিভিয়ে ভেতরে অবস্থান করছেন মানুষ। চারদিকে সুনসান নীরবতা।
গত শনিবার সরেজমিনে এমন দৃশ্যের দেখা মেলে মুহুরিপাড়া গ্রামে। গ্রেপ্তার-আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে মুহুরিপাড়া ও এর পাশের মগঘোনা গ্রাম। গ্রাম দুটির নারীরাও রয়েছেন গ্রেপ্তার ও হামলার আতঙ্কে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল জলিল বলেন, তাঁর একমাত্র ছেলে আশেক বিন জলিলকে পুলিশের ওপর হামলার মামলায় আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামাদের গ্রেপ্তারের ভয়ে অপর পুরুষ সদস্যরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
মুহুরিপাড়ার বাসিন্দা সংবাদকর্মী মোহাম্মদ হাসেম বলেন, তাঁর স্ত্রী, অসুস্থ ভাই, ভগ্নিপতি ও চট্টগ্রামের স্কুল-কলেজপড়ুয়া দুই ছেলে মোহাম্মদ আরমান এবং মোহাম্মদ আরিফসহ ছয়জনকে পুলিশের মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ওই পাড়ার বাসিন্দা নাজেম উদ্দিন নাজুর অভিযোগ, প্রতি রাতেই পুলিশ ও ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াসিমের অনুসারীরা মুহুরিপাড়া ও মগঘোনার প্রতি ঘরে আসামি ধরার নামে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মমতাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বেশ কিছুদিন ধরে রাজনৈতিক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছি। কিন্তু পুলিশের ওপর হামলা ও ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াসিমের ভাইদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের দুটি মামলায় আমাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।’
ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রুকন উদ্দিন বলেন, ‘আমার স্ত্রী, বড় ভাই, বড় ভাবী, আপন দুই বোন, এক ভগ্নিপতিসহ মোট ছয়জনকে পুলিশের ওপর হামলার মামলায় আসামি করা হয়েছে।’
৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. সেলিম বলেন, তাঁকেসহ বড় ছেলে, ছেলের বউ, মেয়েসহ চারজনকে পুলিশের ওপর হামলার মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খায়রুল এনাম বলেন, ‘পুলিশ চেয়ারম্যান ওয়াসিমের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নিরীহ গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।’
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম বলেন, ‘অপরাধীদের আমি আইনের মাধ্যমে মোকাবেলা করছি। আমি বা আমার কোনো লোকজন কাউকে আক্রমণ করিনি।
কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাও দেইনি।’
পুলিশের করা মামলার বাদী এসআই খায়ের উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আসামি তালিকা তৈরিতে বিতর্কিত কোনো ব্যক্তি বা জনপ্রতিনিধির সহযোগিতা নেওয়া হয়নি।
পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কানন সরকার বলেন, ‘কোনো নিরীহ ব্যক্তিকে যদি আসামি করা হয়, তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগপত্র থেকে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে