কক্সবাজার প্রতিনিধি

নিজ দেশে প্রত্যাবাসন ইস্যুতে রোহিঙ্গাদের যাচাই-বাছাই শেষে কক্সবাজারের টেকনাফে সর্বশেষ দফায় আসা মিয়ানমার প্রতিনিধিদল আজ বুধবার ফিরে গেছে। এর আগে আজ সকালে ২৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল টেকনাফ ট্রানজিট ঘাটে আসে।
বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. সামছু-দ্দৌজা। তিনি বলেন, ‘আজ সকাল সাড়ে ৮টায় নাফ নদী পাড়ি দিয়ে চতুর্থ দফায় মিয়ানমারের ২৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল টেকনাফ জেটিঘাটে পৌঁছায়। এ সময় তাদেরকে স্বাগত জানানো হয়। এরপর তাদের সরকারি রেস্ট হাউসে আনা হয়। সেখানে রোহিঙ্গাদের ৬০টি পরিবারের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চালানো হয়।’
সামছু-দ্দৌজা আরও বলেন, ‘এর আগে গতকাল মিয়ানমারের ৩৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল টেকনাফ আসে। প্রতিনিধিদলটি দুভাগে বিভক্ত হয়ে ১৮০ পরিবারের প্রধানের সঙ্গে মতবিনিময় ও সাক্ষাৎ করে। তারা ওই দিন সন্ধ্যায় কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়া মিয়ানমারে ফিরে যায়।’
যাচাই-বাছাইসংশ্লিষ্টরা জানান, গতকাল তৃতীয় দফায় টেকনাফ আসে মিয়ানমারের ৩৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল। এতে মিয়ানমার প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেয় রাখাইন প্রাদেশিক সরকারের ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর স নাইং। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমারবিষয়ক সেলের মহাপরিচালক মিয়া মো. মাইনুল কবির। ওই সময় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত আরআরআরসি মো. সামছু-দ্দৌজাসহ এপিবিএন পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যাবাসন চুক্তি মতে, ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর ও ২০১৯ সালের ২৩ আগস্ট দিনক্ষণ ঠিক হলেও তা ভেস্তে যায়। এরপর চলতি বছর চীনের মধ্যস্থতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু করা হয়।
এর আগে চলতি বছর দুবার মিয়ানমার প্রতিনিধিদল আসে টেকনাফে। গত ১৫ মার্চ প্রথম দফায় এবং গত ২৫ মে দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে মিয়ানমার প্রতিনিধি এসেছিলেন। এরই মধ্যে গত ৫ মে বাংলাদেশের ৭ সদস্য ও রোহিঙ্গাদের ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদলও মিয়ানমারের মংডুর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।
২০১৮ সালে কয়েক দফায় ৮ লাখের বেশি রোহিঙ্গার তালিকা মিয়ানমারকে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ। এর মধ্যে মাত্র ১ লাখ ১ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাবাসনের সম্মতি দেয় মিয়ানমার সরকার।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত হয়ে প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। বর্তমানে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয়ে রয়েছেন।

নিজ দেশে প্রত্যাবাসন ইস্যুতে রোহিঙ্গাদের যাচাই-বাছাই শেষে কক্সবাজারের টেকনাফে সর্বশেষ দফায় আসা মিয়ানমার প্রতিনিধিদল আজ বুধবার ফিরে গেছে। এর আগে আজ সকালে ২৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল টেকনাফ ট্রানজিট ঘাটে আসে।
বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. সামছু-দ্দৌজা। তিনি বলেন, ‘আজ সকাল সাড়ে ৮টায় নাফ নদী পাড়ি দিয়ে চতুর্থ দফায় মিয়ানমারের ২৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল টেকনাফ জেটিঘাটে পৌঁছায়। এ সময় তাদেরকে স্বাগত জানানো হয়। এরপর তাদের সরকারি রেস্ট হাউসে আনা হয়। সেখানে রোহিঙ্গাদের ৬০টি পরিবারের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চালানো হয়।’
সামছু-দ্দৌজা আরও বলেন, ‘এর আগে গতকাল মিয়ানমারের ৩৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল টেকনাফ আসে। প্রতিনিধিদলটি দুভাগে বিভক্ত হয়ে ১৮০ পরিবারের প্রধানের সঙ্গে মতবিনিময় ও সাক্ষাৎ করে। তারা ওই দিন সন্ধ্যায় কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়া মিয়ানমারে ফিরে যায়।’
যাচাই-বাছাইসংশ্লিষ্টরা জানান, গতকাল তৃতীয় দফায় টেকনাফ আসে মিয়ানমারের ৩৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল। এতে মিয়ানমার প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেয় রাখাইন প্রাদেশিক সরকারের ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর স নাইং। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমারবিষয়ক সেলের মহাপরিচালক মিয়া মো. মাইনুল কবির। ওই সময় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত আরআরআরসি মো. সামছু-দ্দৌজাসহ এপিবিএন পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যাবাসন চুক্তি মতে, ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর ও ২০১৯ সালের ২৩ আগস্ট দিনক্ষণ ঠিক হলেও তা ভেস্তে যায়। এরপর চলতি বছর চীনের মধ্যস্থতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু করা হয়।
এর আগে চলতি বছর দুবার মিয়ানমার প্রতিনিধিদল আসে টেকনাফে। গত ১৫ মার্চ প্রথম দফায় এবং গত ২৫ মে দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মতবিনিময় করতে মিয়ানমার প্রতিনিধি এসেছিলেন। এরই মধ্যে গত ৫ মে বাংলাদেশের ৭ সদস্য ও রোহিঙ্গাদের ২০ সদস্যের প্রতিনিধিদলও মিয়ানমারের মংডুর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।
২০১৮ সালে কয়েক দফায় ৮ লাখের বেশি রোহিঙ্গার তালিকা মিয়ানমারকে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ। এর মধ্যে মাত্র ১ লাখ ১ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাবাসনের সম্মতি দেয় মিয়ানমার সরকার।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত হয়ে প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। বর্তমানে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয়ে রয়েছেন।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে