মাইনউদ্দিন শাহেদ, কক্সবাজার

ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটির পর এবার ঈদুল আজহায়ও ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা। লম্বা ছুটি মানে দেশের ভ্রমণপিপাসু নাগরিকেরা ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বেড়াতে বের হন। ফলে বরাবরের মতো এবারও বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে পর্যটকেরা ভিড় করবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পর্যটকদের ভিড় সামলানো ও ভ্রমণ নির্বিঘ্ন করতে এর মধ্যে জেলা প্রশাসন ও পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের ইতিহাসে ১০ দিনের টানা ছুটির খুব একটা নজির নেই। এ বছর ঈদুল ফিতরে ৯ দিন সরকারি ছুটি ছিল। ঈদুল ফিতরের ওই ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে কমপক্ষে ১৩ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেছেন। ঈদুল আজহার লম্বা ছুটিতেও দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা এখানে ছুটে আসবেন।
পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপনে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদোগে গতকাল মঙ্গলবার প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় ঈদের ছুটিতে যানবাহনে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছ থেকে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউসগুলো যাতে অতিরিক্ত রুম ভাড়া না নেয় এবং রেস্তোরাঁয় খাবারের মূল্যতালিকা টাঙানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে ভ্রমণে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পর্যটকেরা ভ্রমণে এসে যাতে হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার না হন, তার জন্য জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে থাকবেন।
হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, কক্সবাজার শহর ও আশপাশের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউসে ১ লাখ ৮০ হাজার পর্যটকের রাতযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমানে হোটেলের কক্ষ ভাড়ায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় চলছে। ঈদের দিন এই ছাড় উঠে যাবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
টানা ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বিপুল পর্যটকের সমাগম ঘটবে—বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ। তিনি বলেন, ১০ দিনের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ফোর্স মাঠে নামানো হবে।

ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটির পর এবার ঈদুল আজহায়ও ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা। লম্বা ছুটি মানে দেশের ভ্রমণপিপাসু নাগরিকেরা ঈদের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বেড়াতে বের হন। ফলে বরাবরের মতো এবারও বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে পর্যটকেরা ভিড় করবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পর্যটকদের ভিড় সামলানো ও ভ্রমণ নির্বিঘ্ন করতে এর মধ্যে জেলা প্রশাসন ও পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের ইতিহাসে ১০ দিনের টানা ছুটির খুব একটা নজির নেই। এ বছর ঈদুল ফিতরে ৯ দিন সরকারি ছুটি ছিল। ঈদুল ফিতরের ওই ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে কমপক্ষে ১৩ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেছেন। ঈদুল আজহার লম্বা ছুটিতেও দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা এখানে ছুটে আসবেন।
পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপনে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের উদোগে গতকাল মঙ্গলবার প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় ঈদের ছুটিতে যানবাহনে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের কাছ থেকে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউসগুলো যাতে অতিরিক্ত রুম ভাড়া না নেয় এবং রেস্তোরাঁয় খাবারের মূল্যতালিকা টাঙানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে ভ্রমণে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পর্যটকেরা ভ্রমণে এসে যাতে হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার না হন, তার জন্য জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে থাকবেন।
হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, কক্সবাজার শহর ও আশপাশের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউসে ১ লাখ ৮০ হাজার পর্যটকের রাতযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমানে হোটেলের কক্ষ ভাড়ায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় চলছে। ঈদের দিন এই ছাড় উঠে যাবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
টানা ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বিপুল পর্যটকের সমাগম ঘটবে—বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ। তিনি বলেন, ১০ দিনের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ফোর্স মাঠে নামানো হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে