উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ার ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ জসিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। গতকাল বৃহস্পতিবার ও আজ শুক্রবার সকালে বালুখালী ৯ ও ১০ নম্বর ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৮ এপিবিএন পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. ফারুক আহমেদ।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা একরাম উল্লাহ, ও ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা শাকের, জাবের নুরুল আমিন ও আমির হোসেন।
এএসপি ফারুক আহমেদ বলেন, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার ও আজ শুক্রবার সকালে এপিবিএন পুলিশের বিশেষ টিম ক্যাম্প ৯ ও ১০ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জসিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এজাহারনামীয় ৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার পাঁচজনই রোহিঙ্গা সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য এবং ক্যাম্পের বাসিন্দা।’
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে উল্লেখ করে সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, ‘জসিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।’
গত বুধবার ভোরে ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুষ্কৃতকারীরা মোহাম্মদ জসিমকে তাঁর শ্বশুর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় জসিমের মা বাদী হয়ে উখিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, চলতি অক্টোবর মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক শিশু ও দুজন মাঝিসহ ৭ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের হামলায় নিহত হয়েছে। এ ছাড়াও আহত হয়েছেন ১০ জনের অধিক সাধারণ রোহিঙ্গা। গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুদিনেই দুষ্কৃতকারীদের হামলায় নিহত হন ৩ রোহিঙ্গা। আহত হন এক রোহিঙ্গা মাঝি।

কক্সবাজারের উখিয়ার ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ জসিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। গতকাল বৃহস্পতিবার ও আজ শুক্রবার সকালে বালুখালী ৯ ও ১০ নম্বর ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৮ এপিবিএন পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. ফারুক আহমেদ।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা একরাম উল্লাহ, ও ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা শাকের, জাবের নুরুল আমিন ও আমির হোসেন।
এএসপি ফারুক আহমেদ বলেন, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার ও আজ শুক্রবার সকালে এপিবিএন পুলিশের বিশেষ টিম ক্যাম্প ৯ ও ১০ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জসিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এজাহারনামীয় ৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার পাঁচজনই রোহিঙ্গা সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য এবং ক্যাম্পের বাসিন্দা।’
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে উল্লেখ করে সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, ‘জসিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।’
গত বুধবার ভোরে ১০ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুষ্কৃতকারীরা মোহাম্মদ জসিমকে তাঁর শ্বশুর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় জসিমের মা বাদী হয়ে উখিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, চলতি অক্টোবর মাসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক শিশু ও দুজন মাঝিসহ ৭ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের হামলায় নিহত হয়েছে। এ ছাড়াও আহত হয়েছেন ১০ জনের অধিক সাধারণ রোহিঙ্গা। গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুদিনেই দুষ্কৃতকারীদের হামলায় নিহত হন ৩ রোহিঙ্গা। আহত হন এক রোহিঙ্গা মাঝি।

ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
৪১ মিনিট আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
গত ১৭ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করলে তা আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে