চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমকে আবারও তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার সকালে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ারুল কবির এ আদেশ দেন। আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
জাফর আলমকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালত থেকে প্রিজন ভ্যানে করে পেকুয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে দুটি হত্যাসহ পাঁচটি মামলায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এপিপি মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন বলেন, ‘২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের বটতলী শফিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার ভোট কেন্দ্রে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হাসিনা আহমেদের এজেন্ট আব্দুর রহিমকে মারধর করে বের করে দেওয়া হয়। তাঁর করা পেকুয়া থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলাটির প্রধান আসামি জাফর আলম।’ তিনি আরও বলেন, ‘এর আগে বিস্ফোরক ও হত্যাচেষ্টা আইনের দুটি মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমকে চার দিন রিমান্ডে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছিলেন আদালত। তিনটি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জাফর আলমকে রিমান্ডে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। মামলাগুলোর বিবরণে উল্লেখ আছে, বিস্ফোরক আইনে মামলার বাদী মো. ফরহাদ হোসেন ও হত্যাচেষ্টার ধারায় মামলাটি করেছিলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।’
চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. আনোয়ার উল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কঠোর নিরাপত্তায় জাফর আলমকে সকাল সাড়ে ৯টায় আদালতে আনা হয়। এরপর রিমান্ড শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে পেকুয়া থানার পুলিশের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে চকরিয়ার এক সিনিয়র আইনজীবী জাফর আলমের পরিবারের বরাত দিয়ে বলেন, ‘জাফরকে আদালতে হাজির করার খবরে এ পর্যন্ত তিন দফায় তাঁর শাস্তির দাবিতে চকরিয়া উপজেলা বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল করেছে। তাঁর পরিবার পেকুয়া থানায় রিমান্ডে থাকাকালীন তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে। ৬৯ বছর বয়সী জাফরের পিত্তথলি অপসারণ করা, উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়বেটিস রোগে ভুগছেন তিনি। পেকুয়ায় কোনো ভালো হাসপাতালও নেই। এ রকম রোগীকে একটানা ২১ দিন রিমান্ডে রাখা অমানবিক। তাঁকে জেলগেট অথবা চকরিয়া থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেত।’
এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমকে তিন মামলায় সাত দিনের রিমান্ডের জন্য পেকুয়া থানায় আনা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমকে আবারও তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার সকালে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে চকরিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ারুল কবির এ আদেশ দেন। আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
জাফর আলমকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালত থেকে প্রিজন ভ্যানে করে পেকুয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে দুটি হত্যাসহ পাঁচটি মামলায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এপিপি মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন বলেন, ‘২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের বটতলী শফিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার ভোট কেন্দ্রে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হাসিনা আহমেদের এজেন্ট আব্দুর রহিমকে মারধর করে বের করে দেওয়া হয়। তাঁর করা পেকুয়া থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলাটির প্রধান আসামি জাফর আলম।’ তিনি আরও বলেন, ‘এর আগে বিস্ফোরক ও হত্যাচেষ্টা আইনের দুটি মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমকে চার দিন রিমান্ডে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছিলেন আদালত। তিনটি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জাফর আলমকে রিমান্ডে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। মামলাগুলোর বিবরণে উল্লেখ আছে, বিস্ফোরক আইনে মামলার বাদী মো. ফরহাদ হোসেন ও হত্যাচেষ্টার ধারায় মামলাটি করেছিলেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।’
চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. আনোয়ার উল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কঠোর নিরাপত্তায় জাফর আলমকে সকাল সাড়ে ৯টায় আদালতে আনা হয়। এরপর রিমান্ড শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে পেকুয়া থানার পুলিশের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে চকরিয়ার এক সিনিয়র আইনজীবী জাফর আলমের পরিবারের বরাত দিয়ে বলেন, ‘জাফরকে আদালতে হাজির করার খবরে এ পর্যন্ত তিন দফায় তাঁর শাস্তির দাবিতে চকরিয়া উপজেলা বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল করেছে। তাঁর পরিবার পেকুয়া থানায় রিমান্ডে থাকাকালীন তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে। ৬৯ বছর বয়সী জাফরের পিত্তথলি অপসারণ করা, উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়বেটিস রোগে ভুগছেন তিনি। পেকুয়ায় কোনো ভালো হাসপাতালও নেই। এ রকম রোগীকে একটানা ২১ দিন রিমান্ডে রাখা অমানবিক। তাঁকে জেলগেট অথবা চকরিয়া থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেত।’
এ ব্যাপারে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমকে তিন মামলায় সাত দিনের রিমান্ডের জন্য পেকুয়া থানায় আনা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে