কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার শহরে ইউনিয়ন হসপিটাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে একসঙ্গে চারটি শিশু জন্ম দিয়েছেন ইয়াছমিন আক্তার (২৫) নামের এক নারী। এর মধ্যে তিন ছেলে ও এক মেয়ে। এই বিরল জন্মের ঘটনায় পরিবার, চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে।
মঙ্গলবার সোয়া ১টার দিকে ইউনিয়ন হসপিটালের গাইনি বিভাগের চিকিৎসকেরা সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চার নবজাতক প্রসব করান।
প্রসূতি ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমীর নেতৃত্বে অস্ত্রোপচার করেন ডা. মোসাম্মৎ রোকসানা আক্তার, ডা. নুর মোহাম্মদ ও ডা. কৌশিক দত্ত। এর আগে সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এই প্রসূতিকে।
ইয়াছমিন আক্তার উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মুছারহলা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী রবিউল আলমের স্ত্রী। তিনি তাঁর সন্তানদের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
দাদা নুর আহমদ বলেন, ‘আমি একসঙ্গে চারটা নাতি পেয়েছি, তিনটা ছেলে, একটা মেয়ে। আমার অনেক খুশি লাগছে, আমার ছেলেও অনেক খুশি। সবার কাছে নাতিদের জন্য দোয়া চাই।’
অস্ত্রোপচারে অংশ নেওয়া চিকিৎসক রোকসানা আক্তার বলেন, ‘সফল অস্ত্রোপচারে মা ও চার নবজাতক সুস্থ অবস্থায় আছে—এটি আমাদের জন্যও অত্যন্ত আনন্দের।’
তিনি বলেন, ‘জন্ম নেওয়া শিশুদের ওজন কোনোটার ৭০০ গ্রাম, কোনোটার ৬০০ গ্রাম, একটির সর্বনিম্ন ওজন ৫৮০ গ্রাম। তাদের বর্তমানে হাসপাতালের নবজাতক পরিচর্যা ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন হসপিটাল কক্সবাজার পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল মুকিত চৌধুরী বলেন, ‘কক্সবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে চার সন্তানের সফল প্রসব সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের গাইনি বিভাগ দক্ষতার সঙ্গে অস্ত্রোপচারটি পরিচালনা করেন। বিষয়টা সত্যিই আনন্দের।’

কক্সবাজার শহরে ইউনিয়ন হসপিটাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে একসঙ্গে চারটি শিশু জন্ম দিয়েছেন ইয়াছমিন আক্তার (২৫) নামের এক নারী। এর মধ্যে তিন ছেলে ও এক মেয়ে। এই বিরল জন্মের ঘটনায় পরিবার, চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে।
মঙ্গলবার সোয়া ১টার দিকে ইউনিয়ন হসপিটালের গাইনি বিভাগের চিকিৎসকেরা সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চার নবজাতক প্রসব করান।
প্রসূতি ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফা মেহের রুমীর নেতৃত্বে অস্ত্রোপচার করেন ডা. মোসাম্মৎ রোকসানা আক্তার, ডা. নুর মোহাম্মদ ও ডা. কৌশিক দত্ত। এর আগে সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এই প্রসূতিকে।
ইয়াছমিন আক্তার উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মুছারহলা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী রবিউল আলমের স্ত্রী। তিনি তাঁর সন্তানদের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
দাদা নুর আহমদ বলেন, ‘আমি একসঙ্গে চারটা নাতি পেয়েছি, তিনটা ছেলে, একটা মেয়ে। আমার অনেক খুশি লাগছে, আমার ছেলেও অনেক খুশি। সবার কাছে নাতিদের জন্য দোয়া চাই।’
অস্ত্রোপচারে অংশ নেওয়া চিকিৎসক রোকসানা আক্তার বলেন, ‘সফল অস্ত্রোপচারে মা ও চার নবজাতক সুস্থ অবস্থায় আছে—এটি আমাদের জন্যও অত্যন্ত আনন্দের।’
তিনি বলেন, ‘জন্ম নেওয়া শিশুদের ওজন কোনোটার ৭০০ গ্রাম, কোনোটার ৬০০ গ্রাম, একটির সর্বনিম্ন ওজন ৫৮০ গ্রাম। তাদের বর্তমানে হাসপাতালের নবজাতক পরিচর্যা ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন হসপিটাল কক্সবাজার পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ আল মুকিত চৌধুরী বলেন, ‘কক্সবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে চার সন্তানের সফল প্রসব সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের গাইনি বিভাগ দক্ষতার সঙ্গে অস্ত্রোপচারটি পরিচালনা করেন। বিষয়টা সত্যিই আনন্দের।’

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৯ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে