কক্সবাজার প্রতিনিধি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। এ কারণে তিন দিন ধরে কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে সেন্ট মার্টিন বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়া তিন শতাধিক পর্যটক আজ শুক্রবারও ফিরতে পারেনি।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বৈরী আবহাওয়া শুরু হয়। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর সতর্কসংকতে জারি করে।
টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন এ পথে সব ধরনের নৌচলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানায়। এতে বুধবার ফেরার জন্য অপেক্ষা করা অন্তত তিন শতাধিক পর্যটক আটকা পড়ে। এঁদের মধ্যে আটকে আছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ৪০ শিক্ষক-শিক্ষার্থীও।
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সাগর উত্তাল থাকায় কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ মাছ ধরার ট্রলার উপকূলে নোঙর করছে।
গত বুধ ও গতকাল বৃহস্পতিবার দ্বীপে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকটও দেখা দিয়েছিল। তবে গতকাল দুপুরে তিনটি ট্রলারে করে সেন্ট মার্টিনে খাদ্যপণ্য পৌঁছানো হয়।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, আটকে পড়া পর্যটকেরা যাতে কোনো সমস্যায় না পড়ে, তার জন্য তদারকি করা হচ্ছে। হোটেল-রিসোর্টগুলোও পর্যটকদের কক্ষ ভাড়ায় ছাড় দিচ্ছে। খাবারদাবারেও আপাতত কোনো সমস্যা নেই।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, আটকে পড়া পর্যটকদের দেখভাল করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া আছে।
বৈরী আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, এ কারণে বুধবার সকাল থেকে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেন্ট মার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। এ কারণে তিন দিন ধরে কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে সেন্ট মার্টিন বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়া তিন শতাধিক পর্যটক আজ শুক্রবারও ফিরতে পারেনি।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বৈরী আবহাওয়া শুরু হয়। কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর সতর্কসংকতে জারি করে।
টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন এ পথে সব ধরনের নৌচলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানায়। এতে বুধবার ফেরার জন্য অপেক্ষা করা অন্তত তিন শতাধিক পর্যটক আটকা পড়ে। এঁদের মধ্যে আটকে আছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ৪০ শিক্ষক-শিক্ষার্থীও।
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সাগর উত্তাল থাকায় কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে মাছ ধরাও বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ মাছ ধরার ট্রলার উপকূলে নোঙর করছে।
গত বুধ ও গতকাল বৃহস্পতিবার দ্বীপে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকটও দেখা দিয়েছিল। তবে গতকাল দুপুরে তিনটি ট্রলারে করে সেন্ট মার্টিনে খাদ্যপণ্য পৌঁছানো হয়।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, আটকে পড়া পর্যটকেরা যাতে কোনো সমস্যায় না পড়ে, তার জন্য তদারকি করা হচ্ছে। হোটেল-রিসোর্টগুলোও পর্যটকদের কক্ষ ভাড়ায় ছাড় দিচ্ছে। খাবারদাবারেও আপাতত কোনো সমস্যা নেই।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আদনান চৌধুরী বলেন, আটকে পড়া পর্যটকদের দেখভাল করার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া আছে।
বৈরী আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, এ কারণে বুধবার সকাল থেকে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেন্ট মার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে