কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই ক্ষুব্ধ দর্শকের হামলা, ভাঙচুর ও সংঘর্ষে পণ্ড হয়ে গেছে। আজ শুক্রবার বিকেলে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে এ ঘটনা ঘটে।
এতে সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় স্টেডিয়াম এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
অভিযোগ উঠেছে, অতিরিক্ত টিকিট বিক্রির কারণে দর্শকেরা জায়গা না পেয়ে এ ঘটনার উদ্ভব হয়েছে। দুপুর থেকে দর্শকেরা খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে জড়ো হন। টেকনাফ উপজেলা ফুটবল দল ও রামু উপজেলা ফুটবল দলের মধ্যকার এ খেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আসনসংখ্যার চেয়ে বেশি টিকিট বিক্রি ও ৫০ টাকার টিকিট ৫০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে দর্শকের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খেলা শুরু হওয়ার আগেই গ্যালারি ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়েন বেশ কিছু দর্শক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দিয়ে খেলা শুরু করার চেষ্টা চালায়।
কিন্তু ক্ষুব্ধ দর্শকেরা স্টেডিয়ামের বাইরে গিয়ে এবং গ্যালারি থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে স্টেডিয়ামের কাঁচ ভেঙে যায় এবং কক্সবাজার সদরের ইউএনও নিলুফা ইয়াসমিন চৌধুরীসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজার ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, কিছু উচ্ছৃঙ্খল দর্শক স্টেডিয়ামে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর চালিয়েছে। এ কারণে ম্যাচ স্থগিত করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস খান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম মাঠে রয়েছে।’
টুর্নামেন্ট পরিচালনার কমিটির আহ্বায়ক কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, গ্যালারি ভর্তি হওয়ায় কিছু দর্শককে বের করার চেষ্টা করলে তাঁরা উত্তেজিত হয়ে হামলা করে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠে রয়েছে। কি কারণে এ ঘটনার উদ্ভব হয়েছে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই ক্ষুব্ধ দর্শকের হামলা, ভাঙচুর ও সংঘর্ষে পণ্ড হয়ে গেছে। আজ শুক্রবার বিকেলে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে এ ঘটনা ঘটে।
এতে সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় স্টেডিয়াম এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
অভিযোগ উঠেছে, অতিরিক্ত টিকিট বিক্রির কারণে দর্শকেরা জায়গা না পেয়ে এ ঘটনার উদ্ভব হয়েছে। দুপুর থেকে দর্শকেরা খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে জড়ো হন। টেকনাফ উপজেলা ফুটবল দল ও রামু উপজেলা ফুটবল দলের মধ্যকার এ খেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আসনসংখ্যার চেয়ে বেশি টিকিট বিক্রি ও ৫০ টাকার টিকিট ৫০০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে দর্শকের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খেলা শুরু হওয়ার আগেই গ্যালারি ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়েন বেশ কিছু দর্শক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দিয়ে খেলা শুরু করার চেষ্টা চালায়।
কিন্তু ক্ষুব্ধ দর্শকেরা স্টেডিয়ামের বাইরে গিয়ে এবং গ্যালারি থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে স্টেডিয়ামের কাঁচ ভেঙে যায় এবং কক্সবাজার সদরের ইউএনও নিলুফা ইয়াসমিন চৌধুরীসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজার ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, কিছু উচ্ছৃঙ্খল দর্শক স্টেডিয়ামে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর চালিয়েছে। এ কারণে ম্যাচ স্থগিত করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস খান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম মাঠে রয়েছে।’
টুর্নামেন্ট পরিচালনার কমিটির আহ্বায়ক কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, গ্যালারি ভর্তি হওয়ায় কিছু দর্শককে বের করার চেষ্টা করলে তাঁরা উত্তেজিত হয়ে হামলা করে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠে রয়েছে। কি কারণে এ ঘটনার উদ্ভব হয়েছে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে