প্রতিনিধি, পেকুয়া (কক্সবাজার)

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে পড়েছে আওয়ামী লীগ। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় টৈটং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য দলটির মনোনয়ন পেয়েছেন ত্রাণের চাল আত্মসাতের অভিযোগে বহিস্কৃত চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম। তিনি লড়ছেন নৌকা প্রতীকে। তাঁর মনোনয়ন পাওয়ার আগে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কথা বললেও সব উলটে যায় এই মনোনয়ন দেওয়ার পর। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. শহিদুল্লাহ।
এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, ‘মো. শহিদুল্লাহ কাগজে-কলমে আওয়ামী লীগার হলেও তাঁর অতীত পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তিনি সব সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিরুদ্ধেই নির্বাচনের মাঠে কাজ করেছেন। গত ইউপি নির্বাচনেও তিনি আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী জাহেদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন। এবারও তিনি একই কাজ করছেন। এতে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ চরম বিব্রত। আমি বলব, তিনি আওয়ামীবিরোধী শক্তির একজন এজেন্ট। তাঁকে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য দলের হাই কমান্ডে সুপারিশ পাঠানো উচিত।’
পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ‘আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। টৈটংয়ের মানুষ চাইলে আমি চেয়ারম্যান হব। এর আগেও আমি দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আমি দলের বিপক্ষে নই, টৈটংবাসীর অধিকার আদায় ও সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য নির্বাচনে লড়ছি।’
সারাদেশে সাংগঠনিকভাবে বিএনপি ইউপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও স্বতন্ত্র প্রার্থিতার নামে একক প্রার্থী নিয়েই টৈটং ইউপি নির্বাচনে থাকছে দলটি। ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁরা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোসলেম উদ্দিনকে প্রার্থী করেছে। উপজেলা যুবদলের সহসভাপতি শাহাদাত হোসেন মনোনয়ন ফরম জমা দিলেও মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।
শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘সাংগঠনিকভাবে দল নির্বাচনে না আসলেও দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনের মাঠে থাকতে হবে আমাদের। তাই উপজেলা বিএনপি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের পরামর্শ ও সুপারিশক্রমে আসন্ন টৈটং ইউপি নির্বাচনে মোসলেম উদ্দিনকে সমর্থন দিয়ে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।’
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী (চশমা প্রতীক) বিএনপি নেতা মোসলেম উদ্দিন বলেন, ‘দলের এই দুঃসময়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা খুবই জরুরি। আমরা সে পথেই আছি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের নির্দেশনায় আমি একক প্রার্থী হয়েছি। নির্বাচন সুষ্ঠু হলেই টৈটংয়ে আমরাই বিজয়ী হব। বর্তমান টৈটং ইউনিয়ন বিএনপি আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ।’
পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ বলেন, ‘টৈটং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত আর মোসলেম দুজনেই আমাদের দলের নেতা। তাঁরা নিজেরা আলোচনা করে একজন অন্যজনকে ছাড় দিয়েছেন। তাঁদের এ সিদ্ধান্ত আমাদের বিজয় আরও সহজ করে দিয়েছে। তবে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য কারও প্রতি কোনো চাপ ছিল না।’
এ ছাড়াও এই নির্বাচনে জাহেদুল ইসলামের স্ত্রী শামিমা নাছরিন সায়মা (টেলিফোন), ব্যবসায়ী নূরুল আমিন (মোটরসাইকেল), ব্যবসায়ী কফিল উদ্দিন (আনারস), ইসলামী আন্দোলনের সাহাব উদ্দিন (হাতপাখা) চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
আগামী ২০ সেপ্টেম্বর টৈটং ইউনিয়ন পরিষদের ৯টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হবে। এই ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ৬১২ জন।

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে পড়েছে আওয়ামী লীগ। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় টৈটং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য দলটির মনোনয়ন পেয়েছেন ত্রাণের চাল আত্মসাতের অভিযোগে বহিস্কৃত চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম। তিনি লড়ছেন নৌকা প্রতীকে। তাঁর মনোনয়ন পাওয়ার আগে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কথা বললেও সব উলটে যায় এই মনোনয়ন দেওয়ার পর। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. শহিদুল্লাহ।
এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, ‘মো. শহিদুল্লাহ কাগজে-কলমে আওয়ামী লীগার হলেও তাঁর অতীত পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তিনি সব সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিরুদ্ধেই নির্বাচনের মাঠে কাজ করেছেন। গত ইউপি নির্বাচনেও তিনি আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী জাহেদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন। এবারও তিনি একই কাজ করছেন। এতে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ চরম বিব্রত। আমি বলব, তিনি আওয়ামীবিরোধী শক্তির একজন এজেন্ট। তাঁকে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য দলের হাই কমান্ডে সুপারিশ পাঠানো উচিত।’
পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ‘আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। টৈটংয়ের মানুষ চাইলে আমি চেয়ারম্যান হব। এর আগেও আমি দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আমি দলের বিপক্ষে নই, টৈটংবাসীর অধিকার আদায় ও সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য নির্বাচনে লড়ছি।’
সারাদেশে সাংগঠনিকভাবে বিএনপি ইউপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও স্বতন্ত্র প্রার্থিতার নামে একক প্রার্থী নিয়েই টৈটং ইউপি নির্বাচনে থাকছে দলটি। ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁরা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোসলেম উদ্দিনকে প্রার্থী করেছে। উপজেলা যুবদলের সহসভাপতি শাহাদাত হোসেন মনোনয়ন ফরম জমা দিলেও মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।
শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘সাংগঠনিকভাবে দল নির্বাচনে না আসলেও দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনের মাঠে থাকতে হবে আমাদের। তাই উপজেলা বিএনপি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের পরামর্শ ও সুপারিশক্রমে আসন্ন টৈটং ইউপি নির্বাচনে মোসলেম উদ্দিনকে সমর্থন দিয়ে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।’
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী (চশমা প্রতীক) বিএনপি নেতা মোসলেম উদ্দিন বলেন, ‘দলের এই দুঃসময়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা খুবই জরুরি। আমরা সে পথেই আছি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদের নির্দেশনায় আমি একক প্রার্থী হয়েছি। নির্বাচন সুষ্ঠু হলেই টৈটংয়ে আমরাই বিজয়ী হব। বর্তমান টৈটং ইউনিয়ন বিএনপি আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ।’
পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ বলেন, ‘টৈটং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত আর মোসলেম দুজনেই আমাদের দলের নেতা। তাঁরা নিজেরা আলোচনা করে একজন অন্যজনকে ছাড় দিয়েছেন। তাঁদের এ সিদ্ধান্ত আমাদের বিজয় আরও সহজ করে দিয়েছে। তবে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য কারও প্রতি কোনো চাপ ছিল না।’
এ ছাড়াও এই নির্বাচনে জাহেদুল ইসলামের স্ত্রী শামিমা নাছরিন সায়মা (টেলিফোন), ব্যবসায়ী নূরুল আমিন (মোটরসাইকেল), ব্যবসায়ী কফিল উদ্দিন (আনারস), ইসলামী আন্দোলনের সাহাব উদ্দিন (হাতপাখা) চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
আগামী ২০ সেপ্টেম্বর টৈটং ইউনিয়ন পরিষদের ৯টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হবে। এই ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ৬১২ জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে