
কক্সবাজারের টেকনাফে সেন্ট মার্টিন দ্বীপসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে প্রায় ৬ হাজার কেজি সামুদ্রিক লাল কোরাল মাছ। এক জালে এত পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। ধরা পড়া মাছগুলো প্রায় ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে মাছবোঝাই ট্রলার টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ফিশারি ঘাটে পৌঁছায়।
এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ট্রলারের মালিক টেকনাফ সদর কেরনতলী এলাকার মিজানুর রহমান। তিনি জানান, ট্রলারটি ২১ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি সকালে মাছ ধরার জন্য বঙ্গোপসাগরে যায়। পরদিন মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্বে জেলেরা বড় একটি মাছের ঝাঁক দেখতে পান। পরে চারদিক থেকে জাল ফেললে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বিপুল পরিমাণ লাল কোরাল মাছ ধরা পড়ে।
মাঝিমাল্লারা জানান, ধরা পড়া মাছের সংখ্যা ১ হাজারের বেশি। প্রতিটি মাছের ওজন ৫ থেকে ৭ কেজি। মোট ওজন দাঁড়ায় প্রায় ১৫০ মণ, অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার কেজি।
ফিশারি ঘাটে পৌঁছানোর পর স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মো. রশিদ প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা দরে মাছগুলো কিনে নেন। এতে বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
ব্যবসায়ী মো. রশিদ জানান, এক জালে এত পরিমাণ লাল কোরাল ধরা পড়া বিরল ঘটনা। মাছগুলো বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে ঢাকার যাত্রাবাড়ী, কারওয়ান বাজার ও আব্দুল্লাহপুরের আড়তে পাঠানো হবে।

সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কামরাঙ্গীরচর জাওলাহাটি চৌরাস্তা হাজিরঘাট এলাকার টিনশেড দোকানের সঙ্গে বিদ্যুতায়িত হয় ইয়াসিন। দেখতে পেয়ে স্বজন ও পথচারীরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক বিকেল ৫টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
১৩ মিনিট আগে
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর-তাঁতেরকাঠি ইউনিয়ন থেকে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়া চার ছাত্রীর সন্ধান এখনো মেলেনি। প্রায় ৩২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তারা বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন স্বজনরা।
২২ মিনিট আগে
বাসাবাড়ি থেকে নির্ধারিত ১০০ টাকার বেশি বর্জ্য সংগ্রহ বিল আদায় করলে এবং নিয়মিত ময়লা অপসারণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানের (পিসিএসপি) লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
২৭ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম পাড়া ও বাজারজাতকরণে চলতি বছরেও কোনো সময় নির্ধারণ করেনি জেলা প্রশাসন। আম পরিপক্ব হলেই গাছ থেকে পাড়া যাবে। তবে কেউ অপরিপক্ব আম বাজারজাত করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
২৮ মিনিট আগে