উখিয়া ও কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীর গুলিতে রওশন আলী নামে এক সাব মাঝি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বিকেলে উখিয়া বালুখালী ক্যাম্প-১৩ এর ই ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাঝি ক্যাম্প-১৩ এর ই-ব্লকের জালাল আহমেদের ছেলে। তিনি ওই ক্যাম্পের সাব মাঝির দায়িত্বে ছিলেন।
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-৮ (এপিবিএন) এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. ফারুক আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মাঝি বিকেলে তাঁর ক্যাম্পে নিত্যদিনের কাজে বাজারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ৬-৭ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী তাঁকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি করে। হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় আবার পেটে ছুরিকাঘাত করে।
এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, খবর পেয়ে রোহিঙ্গাদের সহযোগিতায় তাঁকে উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান। ওই মাঝি ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করায় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
এপিবিএনের মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, এ হত্যার ঘটনায় ক্যাম্পের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোহিঙ্গা মাঝি বলেন, ‘নিহত রওশন উল্লাহ ক্যাম্পে আরসা বিরোধী হিসেবে সব বসময় সোচ্চার ছিলেন। তাদের অপকর্মের তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে সহযোগিতা করতেন। হয়তো সে কারণে আরসার লোকজন তাঁকে গুলি করে হত্যা করেছে।’
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৩১টি হত্যাকাণ্ড হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত আরও ২৭টি হত্যাকাণ্ড হলো।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীর গুলিতে রওশন আলী নামে এক সাব মাঝি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বিকেলে উখিয়া বালুখালী ক্যাম্প-১৩ এর ই ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মাঝি ক্যাম্প-১৩ এর ই-ব্লকের জালাল আহমেদের ছেলে। তিনি ওই ক্যাম্পের সাব মাঝির দায়িত্বে ছিলেন।
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-৮ (এপিবিএন) এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. ফারুক আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মাঝি বিকেলে তাঁর ক্যাম্পে নিত্যদিনের কাজে বাজারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় ৬-৭ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী তাঁকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি করে। হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় আবার পেটে ছুরিকাঘাত করে।
এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, খবর পেয়ে রোহিঙ্গাদের সহযোগিতায় তাঁকে উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান। ওই মাঝি ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করায় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
এপিবিএনের মিডিয়া কর্মকর্তা আরও জানান, এ হত্যার ঘটনায় ক্যাম্পের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোহিঙ্গা মাঝি বলেন, ‘নিহত রওশন উল্লাহ ক্যাম্পে আরসা বিরোধী হিসেবে সব বসময় সোচ্চার ছিলেন। তাদের অপকর্মের তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে সহযোগিতা করতেন। হয়তো সে কারণে আরসার লোকজন তাঁকে গুলি করে হত্যা করেছে।’
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৩১টি হত্যাকাণ্ড হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত আরও ২৭টি হত্যাকাণ্ড হলো।

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন এক ছাত্রদল নেতা। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে কুষ্টিয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে এই মামলা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
কক্সবাজারের রামুতে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন ছাত্রদল নেতা ইয়াছির আরাফাত ছোটনের মা রেহেনা আক্তারকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ভালুকায় মহাসড়কের পাশে কাগজের কার্টন থেকে এক ছেলে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে হাইওয়ে পুলিশ। আজ রোববার সন্ধ্যার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের হাজির বাজার এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার ভাটিখানা এলাকা থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে একটি মেস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে