পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের পেকুয়ায় মাদক উদ্ধার অভিযানে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের মারধর করে পালিয়ে গেছেন চিহ্নিত মাদক কারবারি শাহ আলম (৩৫)। গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের ঠান্ডারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শাহ আলম একই এলাকার আলী হোসেনের ছেলে।
হামলায় আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কানন সরকার, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জয়নাল আবেদীন ও কনস্টেবল আল আমিন।
পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিক্রির সময় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শাহ আলমকে হাতেনাতে ধরতে পুলিশ তাঁর বাড়িতে অভিযানে যায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শাহ আলম তার দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পরে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মুজিবুর রহমান বলেন, ভারী বস্তুর আঘাতে পুলিশ পরিদর্শক কানন সরকারের মাথা ফেটে গেছে। পুলিশের অপর দুই সদস্যের শরীরে মারধরের গুরুতর জখম রয়েছে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরহাদ আলী বলেন, শাহ আলম একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। ২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল তাঁকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলমান আছে। তা ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ও মারামারির আরও তিনটি মামলা রয়েছে।
এ ব্যাপারে কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) তফিকুল আলম বলেন, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শাহ আলমসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক (এসআই) মোজাম্মেল হোসাইন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। হামলাকারীদের ধরতে সম্ভাব্য স্থানে পুলিশের অভিযান চলছে।

কক্সবাজারের পেকুয়ায় মাদক উদ্ধার অভিযানে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের মারধর করে পালিয়ে গেছেন চিহ্নিত মাদক কারবারি শাহ আলম (৩৫)। গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের ঠান্ডারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শাহ আলম একই এলাকার আলী হোসেনের ছেলে।
হামলায় আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কানন সরকার, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জয়নাল আবেদীন ও কনস্টেবল আল আমিন।
পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিক্রির সময় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শাহ আলমকে হাতেনাতে ধরতে পুলিশ তাঁর বাড়িতে অভিযানে যায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শাহ আলম তার দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পরে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মুজিবুর রহমান বলেন, ভারী বস্তুর আঘাতে পুলিশ পরিদর্শক কানন সরকারের মাথা ফেটে গেছে। পুলিশের অপর দুই সদস্যের শরীরে মারধরের গুরুতর জখম রয়েছে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরহাদ আলী বলেন, শাহ আলম একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। ২০১৯ সালের ২২ এপ্রিল তাঁকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছিলেন তিনি। ওই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা চলমান আছে। তা ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ও মারামারির আরও তিনটি মামলা রয়েছে।
এ ব্যাপারে কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) তফিকুল আলম বলেন, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শাহ আলমসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক (এসআই) মোজাম্মেল হোসাইন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। হামলাকারীদের ধরতে সম্ভাব্য স্থানে পুলিশের অভিযান চলছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে