ফেনী প্রতিনিধি

ফেনী শহরের পাঠানবাড়ি এলাকায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে জিম্মি করে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গতকাল রোববার রাতে থানায় মামলা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জেলার দাগনভূঞার নয়নপুর গ্রামের মাসুমা আক্তার (২০) ও তাঁর স্বামী নাহিদ হোসেন জীবন (২৪) এবং তাঁদের সহযোগী একই উপজেলার দক্ষিণ আলীপুর গ্রামের শাহরিয়ার আলম (২০) ও ফেনী পৌর এলাকার সহদেবপুর এলাকার সালমান হোসেন (২০)।
গতকাল রোববার রাতে ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন চারজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মাসুমা আক্তার কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার মরিচা গ্রামের মো. ফাহিম উদ্দিনের (২৫) সঙ্গে মোবাইল ফোনে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাঁর কথামতো গত ৩০ আগস্ট ফেনীর মহিপালে আসেন ফাহিম। সেখান থেকে মাসুমা কৌশলে তাঁকে শহরের পাঠানবাড়ি রোডের তাসপিয়া ম্যানশনের সপ্তম তলায় একটি কক্ষে নিয়ে যান।
ওই বাসায় থাকা অন্য আসামিদের তখন আত্মীয় সম্বোধন করে ফাহিমের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন মাসুমা। এর একপর্যায়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে তাঁরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ফাহিমকে জিম্মি করে মারধর করতে থাকেন। পরে জোরপূর্বক নগ্ন করে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা ফাহিমকে মারধর করে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সঙ্গে থাকা টাকা ও মোটরসাইকেল নিয়ে নেন।
এ ঘটনায় গতকাল রোববার রাতে ফাহিম বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ ও আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ফেনী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে। আজ সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হবে।

ফেনী শহরের পাঠানবাড়ি এলাকায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে জিম্মি করে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গতকাল রোববার রাতে থানায় মামলা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জেলার দাগনভূঞার নয়নপুর গ্রামের মাসুমা আক্তার (২০) ও তাঁর স্বামী নাহিদ হোসেন জীবন (২৪) এবং তাঁদের সহযোগী একই উপজেলার দক্ষিণ আলীপুর গ্রামের শাহরিয়ার আলম (২০) ও ফেনী পৌর এলাকার সহদেবপুর এলাকার সালমান হোসেন (২০)।
গতকাল রোববার রাতে ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন চারজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মাসুমা আক্তার কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার মরিচা গ্রামের মো. ফাহিম উদ্দিনের (২৫) সঙ্গে মোবাইল ফোনে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাঁর কথামতো গত ৩০ আগস্ট ফেনীর মহিপালে আসেন ফাহিম। সেখান থেকে মাসুমা কৌশলে তাঁকে শহরের পাঠানবাড়ি রোডের তাসপিয়া ম্যানশনের সপ্তম তলায় একটি কক্ষে নিয়ে যান।
ওই বাসায় থাকা অন্য আসামিদের তখন আত্মীয় সম্বোধন করে ফাহিমের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন মাসুমা। এর একপর্যায়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে তাঁরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ফাহিমকে জিম্মি করে মারধর করতে থাকেন। পরে জোরপূর্বক নগ্ন করে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা ফাহিমকে মারধর করে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সঙ্গে থাকা টাকা ও মোটরসাইকেল নিয়ে নেন।
এ ঘটনায় গতকাল রোববার রাতে ফাহিম বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ ও আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ফেনী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে। আজ সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
৬ মিনিট আগে
পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে স্ত্রীর নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত এক পাকিস্তানি নাগরিক। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন।
৯ মিনিট আগে
কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে