কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর তীর দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করায় পাঁচ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, নদী কমিশনের চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসকসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে আদালত অবমাননার নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)।
আজ মঙ্গলবার বেলা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না ডাকযোগে নোটিশটি পাঠানোর কথা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
এতে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করে বাকঁখালী নদী দূষণমুক্ত ও তীর দখল করে নির্মিত সব স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নদী সংলগ্ন প্যারাবন সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানানো হয়।
নোটিশে ক্ষতিগ্রস্ত প্যারাবন (ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের বাগান) ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি সব দখলদারদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপ আগামী ১৯ নভেম্বর সকালের মধ্যে Cleveland আইনজীবীকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়। অন্যথায় আদালতের আদেশ অবমাননার অভিযোগে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া নোটিশে বাঁকখালী নদী রক্ষায় বিদ্যমান সব দখলদার ও স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে। পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) এক রিটের প্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট এ নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি কক্সবাজার পৌরসভাকে বাকঁখালী নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে নির্দেশনা দেন। আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকার পরও বিবাদীগণ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বাঁকখালী নদীর দখল ও দূষণ বন্ধ করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।
পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাঁকখালী নদী দখলের দৃশ্য অত্যন্ত বিস্ময়কর। মনে হচ্ছে দেশে নদী রক্ষার যে আইনগুলো আছে, প্রতিষ্ঠানগুলো আছে, উচ্চ আদালতের যে রায়গুলো আছে–সেগুলো একেবারে অর্থহীন করে ফেলা হয়েছে। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, নদী হলো জীবন্ত সত্তা। মানুষকে হত্যা করলে যেমন শাস্তি হয়, সেরকম নদীকে হত্যা করলেও শাস্তি হবে।’

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর তীর দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করায় পাঁচ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, নদী কমিশনের চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসকসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে আদালত অবমাননার নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)।
আজ মঙ্গলবার বেলা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না ডাকযোগে নোটিশটি পাঠানোর কথা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
এতে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করে বাকঁখালী নদী দূষণমুক্ত ও তীর দখল করে নির্মিত সব স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নদী সংলগ্ন প্যারাবন সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানানো হয়।
নোটিশে ক্ষতিগ্রস্ত প্যারাবন (ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের বাগান) ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি সব দখলদারদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপ আগামী ১৯ নভেম্বর সকালের মধ্যে Cleveland আইনজীবীকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়। অন্যথায় আদালতের আদেশ অবমাননার অভিযোগে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া নোটিশে বাঁকখালী নদী রক্ষায় বিদ্যমান সব দখলদার ও স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে। পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) এক রিটের প্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট এ নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি কক্সবাজার পৌরসভাকে বাকঁখালী নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে নির্দেশনা দেন। আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকার পরও বিবাদীগণ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বাঁকখালী নদীর দখল ও দূষণ বন্ধ করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।
পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাঁকখালী নদী দখলের দৃশ্য অত্যন্ত বিস্ময়কর। মনে হচ্ছে দেশে নদী রক্ষার যে আইনগুলো আছে, প্রতিষ্ঠানগুলো আছে, উচ্চ আদালতের যে রায়গুলো আছে–সেগুলো একেবারে অর্থহীন করে ফেলা হয়েছে। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, নদী হলো জীবন্ত সত্তা। মানুষকে হত্যা করলে যেমন শাস্তি হয়, সেরকম নদীকে হত্যা করলেও শাস্তি হবে।’

বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
১০ মিনিট আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
১৬ মিনিট আগে
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের জেটিঘাটে জাহাজ থেকে নামতেই মাইকিংয়ের শব্দ কানে ভেসে আসে। পরিবেশ অধিদপ্তরের এক কর্মীকে পর্যটকদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘সম্মানিত পর্যটকবৃন্দ, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে ভ্রমণ করবেন না, পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় সরকার ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে ভ্রমণ...
২১ মিনিট আগে
নিজের অবৈধ আয়কে বৈধ দেখাতে ‘মায়ের দান’ হিসেবে উল্লেখ করার অভিযোগ উঠেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ওয়েস্টার্ন বাংলাদেশ ব্রিজ ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্টের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে।
২ ঘণ্টা আগে