নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ থানার এ কে খান এলাকায় একটি ভবন ঘেরাও করে অভিযান চালায় আকবরশাহ থানা-পুলিশ। আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে (রাত ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) পুলিশের একটি দল স্থানীয় কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টের বিপরীত পাশের ১৩ তলা ভবনে অভিযান চালায়। ওই ভবনের একটি ফ্ল্যাটে স্থানীয় কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা জহুরুল আলম জসিম লুকিয়ে রয়েছেন বলে তথ্য পাওয়ার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযানে নামে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁকে পাকড়াও করা সম্ভব হয়নি বলে জানান আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান।
এর আগে সাইবার ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় চট্টগ্রাম আদালতের সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমের ভাই আকবর হোসেন খোকনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আকবরশাহ থানা-পুলিশ।
তবে বাকি দুজনের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। পরিবেশ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম খানের দায়ের করা একটি মামলায় সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন উল্লিখিত তিনজন। আদালতে হাজিরা দেওয়ার শুরু থেকে পুলিশ তাঁদের ধরার জন্য অনুসরণ করছিল বলে জানান মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম খান। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানালেও থানা কর্তৃপক্ষ সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমকে ধরতে অভিযান পরিচালনায় ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে কিছু বলতে চায়নি।
সাবেক কাউন্সিলরকে ধরতে উল্লিখিত ভবনটি ঘেরাও করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় জনতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের একটি গ্রুপ ওই ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগবিরোধী স্লোগান দিতে থাকে।
এ বিষয়ে ওই ভবনের সামনে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী এস এম রিফাত জানান, সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভবনটি ঘেরাও করে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। ওই ভবনের একটি ফ্ল্যাটে সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম আত্মগোপন করে রয়েছেন বলে তথ্য পেয়ে পুলিশ ও জনতা ভবনের সামনে জড়ো হয়।
সর্বশেষ তথ্য জানতে ফোন করা হলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, ‘আমরা ওই ভবনের সব ফ্ল্যাটে ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালাচ্ছি। অভিযান শেষের দিকে। কিন্তু এখনো সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমকে নাগালে পাওয়া যায়নি।’
আলোচিত সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমের বিরুদ্ধে আকবরশাহ থানা এলাকায় পাহাড় নিধনের অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের ওপর হামলার ঘটনায়ও তাঁর বিরুদ্ধে আকবরশাহ থানায় মামলা রয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ থানার এ কে খান এলাকায় একটি ভবন ঘেরাও করে অভিযান চালায় আকবরশাহ থানা-পুলিশ। আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে (রাত ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) পুলিশের একটি দল স্থানীয় কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টের বিপরীত পাশের ১৩ তলা ভবনে অভিযান চালায়। ওই ভবনের একটি ফ্ল্যাটে স্থানীয় কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা জহুরুল আলম জসিম লুকিয়ে রয়েছেন বলে তথ্য পাওয়ার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযানে নামে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁকে পাকড়াও করা সম্ভব হয়নি বলে জানান আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান।
এর আগে সাইবার ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় চট্টগ্রাম আদালতের সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমের ভাই আকবর হোসেন খোকনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আকবরশাহ থানা-পুলিশ।
তবে বাকি দুজনের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ। পরিবেশ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম খানের দায়ের করা একটি মামলায় সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন উল্লিখিত তিনজন। আদালতে হাজিরা দেওয়ার শুরু থেকে পুলিশ তাঁদের ধরার জন্য অনুসরণ করছিল বলে জানান মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম খান। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানালেও থানা কর্তৃপক্ষ সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমকে ধরতে অভিযান পরিচালনায় ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে কিছু বলতে চায়নি।
সাবেক কাউন্সিলরকে ধরতে উল্লিখিত ভবনটি ঘেরাও করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় জনতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের একটি গ্রুপ ওই ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগবিরোধী স্লোগান দিতে থাকে।
এ বিষয়ে ওই ভবনের সামনে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী এস এম রিফাত জানান, সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভবনটি ঘেরাও করে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। ওই ভবনের একটি ফ্ল্যাটে সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম আত্মগোপন করে রয়েছেন বলে তথ্য পেয়ে পুলিশ ও জনতা ভবনের সামনে জড়ো হয়।
সর্বশেষ তথ্য জানতে ফোন করা হলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, ‘আমরা ওই ভবনের সব ফ্ল্যাটে ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালাচ্ছি। অভিযান শেষের দিকে। কিন্তু এখনো সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমকে নাগালে পাওয়া যায়নি।’
আলোচিত সাবেক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমের বিরুদ্ধে আকবরশাহ থানা এলাকায় পাহাড় নিধনের অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের ওপর হামলার ঘটনায়ও তাঁর বিরুদ্ধে আকবরশাহ থানায় মামলা রয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৬ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে