খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীর সন্ধানে আঞ্চলিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) একটি ‘গোপন আস্তানায়’ অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। আজ সোমবার ভোরে এই অভিযান চালানো হয়।
১৬ এপ্রিল খাগড়াছড়ির গিরিফুল এলাকা থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে অপহরণ করা হয়। এর পর থেকে অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে যৌথ বাহিনী পূর্ণচন্দ্র কার্বারিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইউপিডিএফের গোপন আস্তানার সন্ধান পায়। এ সময় গুলি, তিন জোড়া পোশাক, ১৯টি ইউনিফর্মের প্যান্ট, একটি ল্যাপটপ, ওয়াকিটকি সেট, দুটি মোবাইল ফোন, একটি মাইক্রোফোন, ক্যামেরা, প্রিন্টার, সেলাই মেশিন, তাঁবু, নেট ও জিম্মিকে আটকে রাখার লোহার চেইন উদ্ধার করা হয়।
পরে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মো. আমান হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অপহৃত শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে প্রয়োজনে প্রতিটি এলাকায় তল্লাশি করা হবে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে এ বিষয়ে জানতে ইউপিডিএফের জেলা সংগঠক অংগ্য মারমাকে একাধিকবার কল করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, ‘পাঁচ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারের নামে যেভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ইউপিডিএফের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়। ইউপিডিএফের গোপন আস্তানা বলে কিছু নেই।’
অভিযানের বিষয়ে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল বলেন, ‘তথ্য পেয়ে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর উদ্যোগে অভিযান চালানো হয়েছে। আস্তানায় পোশাক, ইউনিফর্মের প্যান্ট, ওয়াকিটকিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পেয়েছি। কিন্তু আমরা অপহৃতদের পাইনি।’ তিনি বলেন, ‘কিছু লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছি সত্যতা না পেয়ে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীর সন্ধানে আঞ্চলিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) একটি ‘গোপন আস্তানায়’ অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। আজ সোমবার ভোরে এই অভিযান চালানো হয়।
১৬ এপ্রিল খাগড়াছড়ির গিরিফুল এলাকা থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে অপহরণ করা হয়। এর পর থেকে অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে যৌথ বাহিনী পূর্ণচন্দ্র কার্বারিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইউপিডিএফের গোপন আস্তানার সন্ধান পায়। এ সময় গুলি, তিন জোড়া পোশাক, ১৯টি ইউনিফর্মের প্যান্ট, একটি ল্যাপটপ, ওয়াকিটকি সেট, দুটি মোবাইল ফোন, একটি মাইক্রোফোন, ক্যামেরা, প্রিন্টার, সেলাই মেশিন, তাঁবু, নেট ও জিম্মিকে আটকে রাখার লোহার চেইন উদ্ধার করা হয়।
পরে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মো. আমান হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অপহৃত শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে প্রয়োজনে প্রতিটি এলাকায় তল্লাশি করা হবে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে এ বিষয়ে জানতে ইউপিডিএফের জেলা সংগঠক অংগ্য মারমাকে একাধিকবার কল করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, ‘পাঁচ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারের নামে যেভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ইউপিডিএফের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়। ইউপিডিএফের গোপন আস্তানা বলে কিছু নেই।’
অভিযানের বিষয়ে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল বলেন, ‘তথ্য পেয়ে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর উদ্যোগে অভিযান চালানো হয়েছে। আস্তানায় পোশাক, ইউনিফর্মের প্যান্ট, ওয়াকিটকিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পেয়েছি। কিন্তু আমরা অপহৃতদের পাইনি।’ তিনি বলেন, ‘কিছু লোককে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছি সত্যতা না পেয়ে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা অতিরিক্ত সুবিধা চাই না, ন্যায়বিচার চাই। তাহরিমা জান্নাত সুরভী নাগরিক সুবিধা পাননি। তাঁর সাথে কোনো ন্যায়বিচার করা হয়নি। একটি মিথ্যা মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।’
১৪ মিনিট আগে
দেশে আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই গণভোট সামনে রেখে এরই মধ্যে সরকারের তরফ থেকে শুরু হয়েছে প্রচারণা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোটের গাড়ি। তবে মৌলভীবাজারে এই প্রচারণা সীমাবদ্ধ রয়েছে কেবল জেলা শহর পর্যন্ত। কিন্তু জেলার ৯২টি চা-বাগানের ভোটার এবং
৭ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ আট বছরেও শুরু হয়নি। জমি অধিগ্রহণ ও সাইনবোর্ড স্থাপনেই থেমে আছে প্রকল্প। এদিকে উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের সেবা মিলছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা ও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক জায়গায় চারা মরে যাচ্ছে, আবার জীবিত চারাগুলো হলদে হয়ে পাতা নষ্ট হচ্ছে। ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকে
৭ ঘণ্টা আগে