নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

বেলা সাড়ে ১১টায় ট্রেনের টিকিটের জন্য চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে এসেছেন আবদুল কাইয়ুম। সোনার বাংলা ট্রেনের চারটি টিকিট কেটেছেন তিনি। এত দেরিতে এসেও টিকিট পেয়ে ভীষণ খুশি তিনি। শনিবার অগ্রিম টিকিট দেওয়ার প্রথম দিনে ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই সবাই টিকিট পেয়েছেন। কাউন্টারও ছিল একেবারে ফাঁকা। এখনো অর্ধেক টিকিটও বিক্রি হয়নি।
আবদুল কাইয়ুম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মনে করেছিলাম টিকিট পাব না। নিউমার্কেটে কাজে এসে ভাবলাম স্টেশনে ঢুঁ মেরে যাই। এসে দেখলাম মানুষজন কম। কাউন্টার ফাঁকা। তারপর ২ নম্বর কাউন্টার থেকে চারটি টিকিট কাটি।’
এর আগে সকাল ৬টায় স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ১০-১২ জন টিকিটপ্রত্যাশী সাহরি খেয়ে চলে এসেছেন। তাঁরা মনে করেছিলেন ভিড় হবে। কিন্তু যত সময় গড়িয়েছে, মানুষের চাপ তেমন বাড়েনি। সকাল ৮টায় টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা টিকিট পেয়ে যান।
এমন আরেকজন যাত্রী মাকসুদুল আলম। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, ‘ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বাড়ি আমাদের। বাড়িতে মা-বাবা ও এক ছোট ভাই আছেন। ব্যবসার কাজে চট্টগ্রামে থাকি। স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বাড়িতে যাব। ঝামেলা ছাড়াই টিকিট পেয়েছি, তাই ভালো লাগছে।’
আজ শনিবার ২৭ এপ্রিলের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হয়। সকাল ৮টা থেকে ৯টি আন্তনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কাউন্টারে মাত্র ৫৭ শতাংশ টিকিট বিক্রি হয়েছে। চট্টগ্রাম স্টেশনে কাউন্টার ও অনলাইন মিলে ৭ হাজার টিকিট রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক কাউন্টারে, বাকি অর্ধেক অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক রতন কুমার চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দেড় হাজারের মতো টিকিট অবিক্রীত ছিল। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত টিকিটপ্রত্যাশীদের তেমন চাপও নেই। কাল বা পরশু থেকে চাপ বাড়তে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘টিকিট কালোবাজারি রোধে সিসিটিভি ফুটেজ কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও আমাদের পর্যাপ্ত সহযোগিতা করছে।’
আগামীকাল ২৪ তারিখে দেওয়া হবে ২৮ তারিখের অগ্রিম টিকিট, ২৫ তারিখে দেওয়া হবে ২৯ তারিখের, ২৬ তারিখে দেওয়া হবে ৩০ তারিখের এবং ২৭ এপ্রিল দেওয়া হবে ১ মার্চের টিকিট। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হবে। কাউন্টারে দেওয়া হবে ৫০ শতাংশ, বাকিগুলো অনলাইনে। একজন যাত্রী জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি জমা দিয়ে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট নিতে পারবেন। ঈদের অগ্রিম টিকিট ফেরত নেওয়া হবে না বলে বাণিজ্যিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
এ ছাড়া ১ থেকে ৮ নম্বর কাউন্টারে আলাদা আলাদা ট্রেনের টিকিট দেওয়া হবে। এক নম্বর কাউন্টারে নারী, ওয়ারেন্ট ও রেলওয়ের পাস টিকিটের জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ২ নম্বর কাউন্টারে সুবর্ণ ও সোনার বাংলা এক্সপ্রেস (স্নিগ্ধা ও শোভন চেয়ার), ৩ নম্বর কাউন্টারে পাহাড়িকা ও উদয়ন, ৪ নম্বর কাউন্টারে মহানগর গোধূলি ও মহানগর এক্সপ্রেস, ৫ নম্বরে তূর্ণা এক্সপ্রেস, ৬ নম্বর কাউন্টারে চট্টলা ও বিজয় এক্সপ্রেস (স্নিগ্ধা, শোভন চেয়ার ও শোভন), ৭ নম্বর কাউন্টারে মেঘনা এক্সপ্রেস, চাঁদপুর স্পেশাল ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে। বাকি কাউন্টারে অন্যান্য ট্রেনের টিকিটগুলো দেওয়া হবে।

বেলা সাড়ে ১১টায় ট্রেনের টিকিটের জন্য চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে এসেছেন আবদুল কাইয়ুম। সোনার বাংলা ট্রেনের চারটি টিকিট কেটেছেন তিনি। এত দেরিতে এসেও টিকিট পেয়ে ভীষণ খুশি তিনি। শনিবার অগ্রিম টিকিট দেওয়ার প্রথম দিনে ঝক্কি-ঝামেলা ছাড়াই সবাই টিকিট পেয়েছেন। কাউন্টারও ছিল একেবারে ফাঁকা। এখনো অর্ধেক টিকিটও বিক্রি হয়নি।
আবদুল কাইয়ুম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মনে করেছিলাম টিকিট পাব না। নিউমার্কেটে কাজে এসে ভাবলাম স্টেশনে ঢুঁ মেরে যাই। এসে দেখলাম মানুষজন কম। কাউন্টার ফাঁকা। তারপর ২ নম্বর কাউন্টার থেকে চারটি টিকিট কাটি।’
এর আগে সকাল ৬টায় স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ১০-১২ জন টিকিটপ্রত্যাশী সাহরি খেয়ে চলে এসেছেন। তাঁরা মনে করেছিলেন ভিড় হবে। কিন্তু যত সময় গড়িয়েছে, মানুষের চাপ তেমন বাড়েনি। সকাল ৮টায় টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা টিকিট পেয়ে যান।
এমন আরেকজন যাত্রী মাকসুদুল আলম। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, ‘ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বাড়ি আমাদের। বাড়িতে মা-বাবা ও এক ছোট ভাই আছেন। ব্যবসার কাজে চট্টগ্রামে থাকি। স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বাড়িতে যাব। ঝামেলা ছাড়াই টিকিট পেয়েছি, তাই ভালো লাগছে।’
আজ শনিবার ২৭ এপ্রিলের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হয়। সকাল ৮টা থেকে ৯টি আন্তনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কাউন্টারে মাত্র ৫৭ শতাংশ টিকিট বিক্রি হয়েছে। চট্টগ্রাম স্টেশনে কাউন্টার ও অনলাইন মিলে ৭ হাজার টিকিট রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক কাউন্টারে, বাকি অর্ধেক অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক রতন কুমার চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দেড় হাজারের মতো টিকিট অবিক্রীত ছিল। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত টিকিটপ্রত্যাশীদের তেমন চাপও নেই। কাল বা পরশু থেকে চাপ বাড়তে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘টিকিট কালোবাজারি রোধে সিসিটিভি ফুটেজ কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও আমাদের পর্যাপ্ত সহযোগিতা করছে।’
আগামীকাল ২৪ তারিখে দেওয়া হবে ২৮ তারিখের অগ্রিম টিকিট, ২৫ তারিখে দেওয়া হবে ২৯ তারিখের, ২৬ তারিখে দেওয়া হবে ৩০ তারিখের এবং ২৭ এপ্রিল দেওয়া হবে ১ মার্চের টিকিট। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হবে। কাউন্টারে দেওয়া হবে ৫০ শতাংশ, বাকিগুলো অনলাইনে। একজন যাত্রী জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি জমা দিয়ে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট নিতে পারবেন। ঈদের অগ্রিম টিকিট ফেরত নেওয়া হবে না বলে বাণিজ্যিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
এ ছাড়া ১ থেকে ৮ নম্বর কাউন্টারে আলাদা আলাদা ট্রেনের টিকিট দেওয়া হবে। এক নম্বর কাউন্টারে নারী, ওয়ারেন্ট ও রেলওয়ের পাস টিকিটের জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ২ নম্বর কাউন্টারে সুবর্ণ ও সোনার বাংলা এক্সপ্রেস (স্নিগ্ধা ও শোভন চেয়ার), ৩ নম্বর কাউন্টারে পাহাড়িকা ও উদয়ন, ৪ নম্বর কাউন্টারে মহানগর গোধূলি ও মহানগর এক্সপ্রেস, ৫ নম্বরে তূর্ণা এক্সপ্রেস, ৬ নম্বর কাউন্টারে চট্টলা ও বিজয় এক্সপ্রেস (স্নিগ্ধা, শোভন চেয়ার ও শোভন), ৭ নম্বর কাউন্টারে মেঘনা এক্সপ্রেস, চাঁদপুর স্পেশাল ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে। বাকি কাউন্টারে অন্যান্য ট্রেনের টিকিটগুলো দেওয়া হবে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে