নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল আলম (মাসুদ), তাঁর ছেলেমেয়ে, জামাতা, বেয়াইসহ ১১ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। ৭৩২ কোটি টাকা পাওনা আদায়ে ইসলামী ব্যাংকের করা মামলায় চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালত-১-এর বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন আজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. এরশাদ। তিনি জানান, ইউনিটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইউনিটেক্স স্টিলের বিরুদ্ধে গত ৩ জুন ইসলামী ব্যাংক এই মামলা করে।
দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ইউনিটেক্স স্টিলের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হানিফ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহীদুল্লাহ কায়সার, পরিচালক বেলাল আহমেদ (এস আলমের জামাতা), পরিচালক মাইমুনা খানম (এস আলমের মেয়ে), পরিচালক মো. মোহাইমিনুল ইসলাম চৌধুরী, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদ, ছেলে আহসানুল আলম ও চার সহোদর আব্দুস সামাদ, মো. আব্দুল্লাহ হাসান, ওসমান গনি ও রাশেদুল আলম।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে ইসলামী ব্যাংক পাহাড়তলী শাখা থেকে ইউনিটেক্স স্টিলের নামে ঋণ নেয় ইউনিটেক্স গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির কাছে ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পাওনা দাঁড়িয়েছে ৭৩১ কোটি ৬৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। চট্টগ্রামভিত্তিক ইউনিটেক্স গ্রুপের মূল কর্ণধার মোহাম্মদ হানিফ চৌধুরী ও তাঁর ছেলে বেলাল আহমেদ।
এর আগে গত ৪ মে আজকের পত্রিকায় ‘ইসলামী ব্যাংকে লুট, এস আলমের জামাতার পেটে ৩৭৪৫ কোটি টাকা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
জানা গেছে, ৮১৪ কোটি টাকা ঋণ নিলেও ইউনিটেক্স স্টিল এখনো একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির নামে ফেনীর ছাগলনাইয়ায় ১ হাজার ৮৮০ শতক জমি কেনা হলেও সেখানে কোনো কারখানা গড়ে ওঠেনি। ঋণের বিপরীতে ওই জমিগুলোই কোলাটারেল (বন্ধক) দেওয়া হয়েছে ব্যাংকে; যা বিক্রি করে সর্বোচ্চ ২৮ কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। এ ছাড়া বন্ধক রাখা জমিগুলো কেনা হয়েছে ২০২২ সালে। অর্থাৎ কারখানা তৈরি ও জমি কেনার আগেই কাগুজে প্রতিষ্ঠানকে ঋণ বিতরণ করেছে ইসলামী ব্যাংক।
ইসলামী ব্যাংক পাহাড়তলী শাখার ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান সরকার বলেন, কারখানা স্থাপনের আগেই প্রতিষ্ঠানটিতে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে গ্রুপটির কর্ণধারেরা গা ঢাকা দিয়েছেন। বারবার তাগাদা দেওয়ার পর ব্যাংকের পাওনা পরিশোধেও এগিয়ে আসছেন না। তাই প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ও সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়।
পাহাড়তলী শাখা ছাড়া গ্রুপটির অন্য তিন প্রতিষ্ঠানের নামে ২ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে ইসলামী ব্যাংকের ওআর নিজাম রোড শাখা থেকে।
ইসলামী ব্যাংক ছাড়া রূপালী ব্যাংকের ৩২৬ কোটি, ফার্স্ট সিকিউরিটির ৪৭ কোটি ও এক্সিম ব্যাংকের ৪০ কোটি মিলিয়ে গ্রুপটির ঋণের পরিমাণ ৪ হাজার ১৫৮ কোটি টাকা।
২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয় চট্টগ্রামভিত্তিক ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ। ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের ছেলে আহসানুল আলম।
ব্যাংকটির তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপ নামে-বেনামে ও মালিকদের স্বজনেরা মিলে প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা একাই বের করে নিয়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে এস আলম পরিবার ও তাঁর স্বজনেরা গা ঢাকা দিয়েছেন।

এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল আলম (মাসুদ), তাঁর ছেলেমেয়ে, জামাতা, বেয়াইসহ ১১ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। ৭৩২ কোটি টাকা পাওনা আদায়ে ইসলামী ব্যাংকের করা মামলায় চট্টগ্রাম অর্থঋণ আদালত-১-এর বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন আজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. এরশাদ। তিনি জানান, ইউনিটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইউনিটেক্স স্টিলের বিরুদ্ধে গত ৩ জুন ইসলামী ব্যাংক এই মামলা করে।
দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ইউনিটেক্স স্টিলের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হানিফ চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহীদুল্লাহ কায়সার, পরিচালক বেলাল আহমেদ (এস আলমের জামাতা), পরিচালক মাইমুনা খানম (এস আলমের মেয়ে), পরিচালক মো. মোহাইমিনুল ইসলাম চৌধুরী, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদ, ছেলে আহসানুল আলম ও চার সহোদর আব্দুস সামাদ, মো. আব্দুল্লাহ হাসান, ওসমান গনি ও রাশেদুল আলম।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে ইসলামী ব্যাংক পাহাড়তলী শাখা থেকে ইউনিটেক্স স্টিলের নামে ঋণ নেয় ইউনিটেক্স গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির কাছে ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পাওনা দাঁড়িয়েছে ৭৩১ কোটি ৬৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। চট্টগ্রামভিত্তিক ইউনিটেক্স গ্রুপের মূল কর্ণধার মোহাম্মদ হানিফ চৌধুরী ও তাঁর ছেলে বেলাল আহমেদ।
এর আগে গত ৪ মে আজকের পত্রিকায় ‘ইসলামী ব্যাংকে লুট, এস আলমের জামাতার পেটে ৩৭৪৫ কোটি টাকা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
জানা গেছে, ৮১৪ কোটি টাকা ঋণ নিলেও ইউনিটেক্স স্টিল এখনো একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির নামে ফেনীর ছাগলনাইয়ায় ১ হাজার ৮৮০ শতক জমি কেনা হলেও সেখানে কোনো কারখানা গড়ে ওঠেনি। ঋণের বিপরীতে ওই জমিগুলোই কোলাটারেল (বন্ধক) দেওয়া হয়েছে ব্যাংকে; যা বিক্রি করে সর্বোচ্চ ২৮ কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। এ ছাড়া বন্ধক রাখা জমিগুলো কেনা হয়েছে ২০২২ সালে। অর্থাৎ কারখানা তৈরি ও জমি কেনার আগেই কাগুজে প্রতিষ্ঠানকে ঋণ বিতরণ করেছে ইসলামী ব্যাংক।
ইসলামী ব্যাংক পাহাড়তলী শাখার ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান সরকার বলেন, কারখানা স্থাপনের আগেই প্রতিষ্ঠানটিতে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে গ্রুপটির কর্ণধারেরা গা ঢাকা দিয়েছেন। বারবার তাগাদা দেওয়ার পর ব্যাংকের পাওনা পরিশোধেও এগিয়ে আসছেন না। তাই প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ও সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়।
পাহাড়তলী শাখা ছাড়া গ্রুপটির অন্য তিন প্রতিষ্ঠানের নামে ২ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে ইসলামী ব্যাংকের ওআর নিজাম রোড শাখা থেকে।
ইসলামী ব্যাংক ছাড়া রূপালী ব্যাংকের ৩২৬ কোটি, ফার্স্ট সিকিউরিটির ৪৭ কোটি ও এক্সিম ব্যাংকের ৪০ কোটি মিলিয়ে গ্রুপটির ঋণের পরিমাণ ৪ হাজার ১৫৮ কোটি টাকা।
২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয় চট্টগ্রামভিত্তিক ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ। ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলমের ছেলে আহসানুল আলম।
ব্যাংকটির তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপ নামে-বেনামে ও মালিকদের স্বজনেরা মিলে প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা একাই বের করে নিয়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে এস আলম পরিবার ও তাঁর স্বজনেরা গা ঢাকা দিয়েছেন।

ঢাকা শহরের পানি ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘স্মার্ট ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট’ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে স্মার্ট মিটার সিস্টেম পাইলট প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনের বুড়িগঙ্গা মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই প্রকল্পের উদ্বোধন
৩ মিনিট আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে বস্তায় ভরে পানিতে ফেলে আটটি কুকুরছানা হত্যার দেড় মাসের মধ্যে এবার পাবনা শহরে তিনটি কুকুরকে বিষপ্রয়োগে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পাবনা পৌর শহরের কাচারীপাড়ার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী কুকুরমালিকের।
৬ মিনিট আগে
গভীর রাতে মোটরসাইকেল চালিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন রাইড শেয়ারিং সেবার চালক ওজিয়ার রহমান (৩৬)। হঠাৎ তাঁর গতি রোধ করে সামনে দাঁড়ান শহীদুল ইসলাম খোকন (৪৫)। তিনি ওজিয়ারের কাছে দাবি করেন—৫০০ টাকা দিতে হবে, ইয়াবা সেবন করবেন। কিন্তু তাতে অসম্মতি জানিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগের চেষ্টা করেন চালক ওজিয়ার।
১৬ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে ১৫ লাখ টাকা, অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। এ সময় সাতজনকে আটক করা হয়। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে শিবপুর মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলনে নরসিংদী...
২২ মিনিট আগে