নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করে চাকরির অপেক্ষায় থাকা শিক্ষকেরা দ্রুত নিয়োগের দাবিতে গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। এ সময় তাঁরা জাল সনদে শিক্ষক হওয়া ৬০ হাজার ব্যক্তিকে চাকরিচ্যুত করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন।
‘এনটিআরসিএ নিবন্ধিত নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষক ফোরাম’ ব্যানারে ওই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১২টার পর শিক্ষকেরা আইন মন্ত্রণালয়ের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। পরে তাঁরা আবারও প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
এনটিআরসিএ নিবন্ধিত নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগবঞ্চিত হওয়ার আমরা হতাশা, অসহায়ত্ব, অর্থহীন হয়ে পড়েছি। মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত। এনটিআরসিএ বিভিন্ন সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত, আইন পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজনের ফলে নিয়োগবঞ্চিত হয়েছি। নিয়োগ দেওয়ার জন্য আইন পরিবর্তন করা হয়নি। গভর্নিং বডির অনৈতিক লেনদেনের জন্য আমরা নিয়োগবঞ্চিত হয়েছি। ২২ হাজার ইনডেক্সধারীকে পুনরায় সিলেক্ট করে এবং ৬০ হাজার জাল সনদধারীকে এখনো চাকরিতে বহাল রেখেছে। তাদের এমপিও করা হয়েছে।’
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘নিয়োগ না দেওয়ার একটি বিশেষ কারণ হলোআমাদের রোল, রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ব্যবহার করে জাল সনদ দেওয়া হয়েছে। আমাদের নিয়োগ কার্যকর হলে তাদের এমপিও বাতিল হবে। জাল সনদ ধরা পড়বে। সেই কারণে কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এখনো আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন।’
কর্মসূচিতে তুলে ধরা তাঁদের দাবিগুলো হলো—১ থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগবঞ্চিত সনদধারীরা যে বয়সে নিবন্ধন সনদ অর্জন করেছেন, সেই বয়স অনুযায়ী শর্তহীনভাবে তাঁদের সরাসরি নিয়োগ; তাঁদের জন্য মেরিট অনুযায়ী পৃথক ডেটাবেজ তৈরি ও সংরক্ষণ; তাঁদের নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত অন্যদের পরীক্ষা নেওয়া ও পরবর্তী ব্যাচের নিয়োগ বন্ধ রাখা, ৬০ হাজার জাল সনদধারীদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত করা ও তাঁদের আইনের আওতায় আনা এবং অনতিবিলম্বে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করে চাকরির অপেক্ষায় থাকা শিক্ষকেরা দ্রুত নিয়োগের দাবিতে গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। এ সময় তাঁরা জাল সনদে শিক্ষক হওয়া ৬০ হাজার ব্যক্তিকে চাকরিচ্যুত করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন।
‘এনটিআরসিএ নিবন্ধিত নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষক ফোরাম’ ব্যানারে ওই অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১২টার পর শিক্ষকেরা আইন মন্ত্রণালয়ের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। পরে তাঁরা আবারও প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
এনটিআরসিএ নিবন্ধিত নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগবঞ্চিত হওয়ার আমরা হতাশা, অসহায়ত্ব, অর্থহীন হয়ে পড়েছি। মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত। এনটিআরসিএ বিভিন্ন সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত, আইন পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজনের ফলে নিয়োগবঞ্চিত হয়েছি। নিয়োগ দেওয়ার জন্য আইন পরিবর্তন করা হয়নি। গভর্নিং বডির অনৈতিক লেনদেনের জন্য আমরা নিয়োগবঞ্চিত হয়েছি। ২২ হাজার ইনডেক্সধারীকে পুনরায় সিলেক্ট করে এবং ৬০ হাজার জাল সনদধারীকে এখনো চাকরিতে বহাল রেখেছে। তাদের এমপিও করা হয়েছে।’
কামরুল ইসলাম বলেন, ‘নিয়োগ না দেওয়ার একটি বিশেষ কারণ হলোআমাদের রোল, রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ব্যবহার করে জাল সনদ দেওয়া হয়েছে। আমাদের নিয়োগ কার্যকর হলে তাদের এমপিও বাতিল হবে। জাল সনদ ধরা পড়বে। সেই কারণে কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এখনো আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন।’
কর্মসূচিতে তুলে ধরা তাঁদের দাবিগুলো হলো—১ থেকে ১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগবঞ্চিত সনদধারীরা যে বয়সে নিবন্ধন সনদ অর্জন করেছেন, সেই বয়স অনুযায়ী শর্তহীনভাবে তাঁদের সরাসরি নিয়োগ; তাঁদের জন্য মেরিট অনুযায়ী পৃথক ডেটাবেজ তৈরি ও সংরক্ষণ; তাঁদের নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত অন্যদের পরীক্ষা নেওয়া ও পরবর্তী ব্যাচের নিয়োগ বন্ধ রাখা, ৬০ হাজার জাল সনদধারীদের চিহ্নিত করে চাকরিচ্যুত করা ও তাঁদের আইনের আওতায় আনা এবং অনতিবিলম্বে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে