নাজমুল হাসান, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে গত ৩ আগস্ট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাজেদ উল্ল্যাহ। তাঁর দুই ছেলে চট্টগ্রাম থেকে বাবার লাশ দাফন জন্য গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দেয়। তাঁরা অনেক আকুতি করেও কোনো লাভ হয়নি।
বিষয়টি জানাজানি হলে এগিয়ে আসে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘শেষ বিদায়ের বন্ধুর’ সদস্যরা। ৪ আগস্ট সকালে লাশের গোসল থেকে শুরু করে দাফন পর্যন্ত সবকিছু করেন সংগঠনের সদস্যরা। জানাজায় শুধু দুই ছেলে ও শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠনের সদস্যরা ছিলেন।
এদিকে যৌবনের পুরোটা সময় প্রবাসে কাটিয়ে গত বছর দেশে ফেরেন সালেহ আহমদ। এ সময় তাঁর করোনা শনাক্ত হয়। চট্টগ্রামের হালিশহরে নিজ বাসায় গত বছরের ৩ জুন মারা যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে পরিবারে সব মানুষ বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। সারা দিনে বৃষ্টির মধ্যে লাশ পড়ে ছিল। লাশের ওপর হাঁস-মুরগি উঠেছিল এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেটি দেখে তাঁর দাফনে এগিয়ে আসে ‘শেষ বিদায়ের বন্ধুর’ সদস্যরা।
কুমিল্লায় সিআইডিতে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক রাশেদ খান চৌধুরী বলেন, ‘আমার ভগ্নিপতি গোলাম মোস্তফা করোনায় আক্রান্ত হলে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করে শেষ বিদায়ের বন্ধুর সদস্যরা। তাঁরা অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর পরও দাফনে সহযোগিতা করেন সংগঠনের সদস্যরা।’
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা আবদুর রহমান ঈশান বলেন, ‘গত বছরের ৮ জুলাই আমার শ্বশুর মো. সিরাজুল ইসলাম করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মিরসরাই থেকে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলায় গিয়ে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করেন এই সংগঠনের সদস্যরা।’
জানা গেছে, ২০২০ সালের ৮ এপ্রিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘শেষ বিদায়ের বন্ধু’ (শেবিব) প্রতিষ্ঠা হয়। এর পর থেকে এ পর্যন্ত করোনা ও উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ১৫০ জনের দাফন করেছে সংগঠনটি। মিরসরাই তাদের সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ের পাশে নির্মাণ করা হয়েছে লাশ ধোয়ার জন্য স্থায়ী গোসলখানা। ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স ও অক্সিজেনসেবা দিচ্ছে তারা। ৩ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নানা স্থানে সহায়তায় এগিয়ে যান।
চট্টগ্রামের মিরসরাই থেকে যাত্রা শুরু করলেও সংগঠনটি এখন চট্টগ্রাম মহানগর, ফেনী, নোয়াখালীসহ পার্বত্য জেলায়ও সেবা দিচ্ছে। প্রতিটি জেলায় করা হয়েছে সংগঠনের আলাদা শাখা কার্যালয়।
শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী নুরুল আলম বলেন, ‘করোনায় মারা যাওয়া লোকদের বনে ফেলে আসা ও লাশ ফেলে পরিবারের লোকজনদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আমাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করেছে। এ জন্য আমরা কয়েকজন স্থানীয় আলেমদের সহযোগিতায় আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রেখে শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠন গঠন করে লাশ দাফনের কাজ শুরু করি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে পোস্ট করলে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সবার সহযোগিতা পান। ধীরে ধীরে সংগঠনের সেবার পরিধি বাড়ে।’
সংগঠনটির সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘শেষ বিদায়ের বন্ধু লাশ দাফনের পাশাপাশি দেশে করোনা শুরু থেকে মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জিন ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের ত্রাণ দিয়েছে। শতাধিক হাফেজি শিক্ষার্থীকে পোশাক দিয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন শিল্প গ্রুপের সহযোগিতায় মাস্ক বিতরণ করেছে।

চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে গত ৩ আগস্ট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাজেদ উল্ল্যাহ। তাঁর দুই ছেলে চট্টগ্রাম থেকে বাবার লাশ দাফন জন্য গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দেয়। তাঁরা অনেক আকুতি করেও কোনো লাভ হয়নি।
বিষয়টি জানাজানি হলে এগিয়ে আসে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘শেষ বিদায়ের বন্ধুর’ সদস্যরা। ৪ আগস্ট সকালে লাশের গোসল থেকে শুরু করে দাফন পর্যন্ত সবকিছু করেন সংগঠনের সদস্যরা। জানাজায় শুধু দুই ছেলে ও শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠনের সদস্যরা ছিলেন।
এদিকে যৌবনের পুরোটা সময় প্রবাসে কাটিয়ে গত বছর দেশে ফেরেন সালেহ আহমদ। এ সময় তাঁর করোনা শনাক্ত হয়। চট্টগ্রামের হালিশহরে নিজ বাসায় গত বছরের ৩ জুন মারা যান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে পরিবারে সব মানুষ বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। সারা দিনে বৃষ্টির মধ্যে লাশ পড়ে ছিল। লাশের ওপর হাঁস-মুরগি উঠেছিল এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেটি দেখে তাঁর দাফনে এগিয়ে আসে ‘শেষ বিদায়ের বন্ধুর’ সদস্যরা।
কুমিল্লায় সিআইডিতে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক রাশেদ খান চৌধুরী বলেন, ‘আমার ভগ্নিপতি গোলাম মোস্তফা করোনায় আক্রান্ত হলে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করে শেষ বিদায়ের বন্ধুর সদস্যরা। তাঁরা অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর পরও দাফনে সহযোগিতা করেন সংগঠনের সদস্যরা।’
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা আবদুর রহমান ঈশান বলেন, ‘গত বছরের ৮ জুলাই আমার শ্বশুর মো. সিরাজুল ইসলাম করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মিরসরাই থেকে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলায় গিয়ে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করেন এই সংগঠনের সদস্যরা।’
জানা গেছে, ২০২০ সালের ৮ এপ্রিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘শেষ বিদায়ের বন্ধু’ (শেবিব) প্রতিষ্ঠা হয়। এর পর থেকে এ পর্যন্ত করোনা ও উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ১৫০ জনের দাফন করেছে সংগঠনটি। মিরসরাই তাদের সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ের পাশে নির্মাণ করা হয়েছে লাশ ধোয়ার জন্য স্থায়ী গোসলখানা। ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স ও অক্সিজেনসেবা দিচ্ছে তারা। ৩ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক নানা স্থানে সহায়তায় এগিয়ে যান।
চট্টগ্রামের মিরসরাই থেকে যাত্রা শুরু করলেও সংগঠনটি এখন চট্টগ্রাম মহানগর, ফেনী, নোয়াখালীসহ পার্বত্য জেলায়ও সেবা দিচ্ছে। প্রতিটি জেলায় করা হয়েছে সংগঠনের আলাদা শাখা কার্যালয়।
শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়কারী নুরুল আলম বলেন, ‘করোনায় মারা যাওয়া লোকদের বনে ফেলে আসা ও লাশ ফেলে পরিবারের লোকজনদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আমাকে ভীষণভাবে ব্যথিত করেছে। এ জন্য আমরা কয়েকজন স্থানীয় আলেমদের সহযোগিতায় আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রেখে শেষ বিদায়ের বন্ধু সংগঠন গঠন করে লাশ দাফনের কাজ শুরু করি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে পোস্ট করলে ব্যাপক সাড়া পড়ে। সবার সহযোগিতা পান। ধীরে ধীরে সংগঠনের সেবার পরিধি বাড়ে।’
সংগঠনটির সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘শেষ বিদায়ের বন্ধু লাশ দাফনের পাশাপাশি দেশে করোনা শুরু থেকে মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জিন ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের ত্রাণ দিয়েছে। শতাধিক হাফেজি শিক্ষার্থীকে পোশাক দিয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন শিল্প গ্রুপের সহযোগিতায় মাস্ক বিতরণ করেছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর আগেই কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ‘প্রশ্নপত্রের’ ফটোকপিসহ আটক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিনারুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২৪ মিনিট আগে
ঢাকায় অবস্থানরত যশোর জেলার সাংবাদিকদের সংগঠন যশোর সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৩৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
২৭ মিনিট আগে
আমি প্রতিজ্ঞা করেছি, তারেক রহমান যেদিন দেশে ফিরবেন এবং বিএনপি যেদিন ক্ষমতায় আসবে, সেদিনই আমি ভাত খাব। তার আগে না। এতে আমার জীবন চলে গেলেও কোনো আফসোস নেই।
৩০ মিনিট আগে
জাজিরায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল থেকে হাতবোমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করেছে পুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম। একই সঙ্গে কয়েক দিনে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৩৮টি তাজা হাতবোমা নিরাপদভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে