আবদুল মান্নান, মানিকছড়ি

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি ও মাঝারি বৃষ্টিতে খেতে পানি জমে মরে যাচ্ছে সবজিগাছ। প্রায় দেড় হাজার একর জমির সবজি বিবর্ণ হয়ে যাওয়ায় ক্ষতির শঙ্কায় প্রান্তিক চাষিরা।
জেলার সবজির জনপদখ্যাত এই উপজেলার ৯০ শতাংশ মানুষই কৃষিজীবী। উপজেলার গোরখানা, তুলা বিল, বড়বিল, ছদুরখীল, যোগ্যাছোলা, হেডম্যানপাড়া, পানাবিল, ডাইনছড়ি, তিনটহরী উপজেলার নামাপাড়া, মধ্যপাড়া, উত্তরপাড়া, শান্তিনগর, গোদারপাড়, মহামুনি, ধর্মঘর, গচ্ছাবিল নদীর চরে সবজি চাষ হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষিবিদ সুমন গুপ্ত ও অঞ্জন কুমার নাথ আজকের পত্রিকাকে বলেন, উপজেলায় প্রায় দেড় হাজার একর জমিতে সবজি চাষ হয়। এর মধ্যে বেশির ভাগ জমিই হালদা নদীর উজানে উপশাখায় নানা রকম সবজি উৎপাদনে সাফল্য আছে। বছরে এই সময়ে ওই এলাকায় উৎপাদিত সবজি ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেট ও নোয়াখালীতে সরবরাহ হয়ে থাকে। কিন্তু টানা বৃষ্টির ফলে ফলন্ত গাছে থাকা সবজি ও গাছ নষ্ট হয়ে যাবে। গাছ বিবর্ণ হয়ে মরে যাবে।
গচ্ছাবিলের তরুণ কৃষিবিদ মো. মোকতাদীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এভাবে লাগাতার বৃষ্টি হলে খেতের ফল, ফুল সবই শেষ! আমার খেতের অপরিপক্ব বরবটি, বেগুন, কাঁকরোল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’
তিনটহরী শান্তিনগর এলাকার প্রান্তিক কৃষক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘নদীর চরে আমার প্রায় দুই একর বর্গা জমিতে বেগুন, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, ছালকুমড়া চাষ করেছি। গাছগুলো এখনো মধ্যম বয়সী। এ অবস্থায় যেভাবে টানা বৃষ্টি চলছে, তাতে আমার বেশি ক্ষতি হবে।’
হালদার সংলগ্ন গোরখানার
প্রান্তিক কৃষক মো. বেলাল হোসেন দুই বছর আগেও জমিতে তামাক চাষ করতেন। সরকারি প্রণোদনায় আইডিএফ হালদা প্রজেক্টের অধীন সবজি চাষে ফেরেন তিনি।
কৃষক মো. বেলাল বলেন, নদীর পাড় সংলগ্ন চরে আমি এক-দেড় একর জমিতে সবজি চাষ করি। এখন সেখানে বেগুন খেতে ফল আছে। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে আমি ফসল নিয়ে শঙ্কিত।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. হাসিনুর রহমান বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে নিচু জমির ফসল বিবর্ণ হয়ে প্রান্তিক কৃষকের কিছুটা ক্ষতি হবে। মৌসুমি ঝড়-বৃষ্টির বিষয় মাথায় নিয়েই তাঁদের বেঁচে থাকতে হয়। কৃষি বিভাগ প্রান্তিক কৃষকের সুখ-দুঃখ নিয়ে কাজ করছে।’

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে সপ্তাহের বেশি সময় ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি ও মাঝারি বৃষ্টিতে খেতে পানি জমে মরে যাচ্ছে সবজিগাছ। প্রায় দেড় হাজার একর জমির সবজি বিবর্ণ হয়ে যাওয়ায় ক্ষতির শঙ্কায় প্রান্তিক চাষিরা।
জেলার সবজির জনপদখ্যাত এই উপজেলার ৯০ শতাংশ মানুষই কৃষিজীবী। উপজেলার গোরখানা, তুলা বিল, বড়বিল, ছদুরখীল, যোগ্যাছোলা, হেডম্যানপাড়া, পানাবিল, ডাইনছড়ি, তিনটহরী উপজেলার নামাপাড়া, মধ্যপাড়া, উত্তরপাড়া, শান্তিনগর, গোদারপাড়, মহামুনি, ধর্মঘর, গচ্ছাবিল নদীর চরে সবজি চাষ হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষিবিদ সুমন গুপ্ত ও অঞ্জন কুমার নাথ আজকের পত্রিকাকে বলেন, উপজেলায় প্রায় দেড় হাজার একর জমিতে সবজি চাষ হয়। এর মধ্যে বেশির ভাগ জমিই হালদা নদীর উজানে উপশাখায় নানা রকম সবজি উৎপাদনে সাফল্য আছে। বছরে এই সময়ে ওই এলাকায় উৎপাদিত সবজি ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, সিলেট ও নোয়াখালীতে সরবরাহ হয়ে থাকে। কিন্তু টানা বৃষ্টির ফলে ফলন্ত গাছে থাকা সবজি ও গাছ নষ্ট হয়ে যাবে। গাছ বিবর্ণ হয়ে মরে যাবে।
গচ্ছাবিলের তরুণ কৃষিবিদ মো. মোকতাদীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এভাবে লাগাতার বৃষ্টি হলে খেতের ফল, ফুল সবই শেষ! আমার খেতের অপরিপক্ব বরবটি, বেগুন, কাঁকরোল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’
তিনটহরী শান্তিনগর এলাকার প্রান্তিক কৃষক মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘নদীর চরে আমার প্রায় দুই একর বর্গা জমিতে বেগুন, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, ছালকুমড়া চাষ করেছি। গাছগুলো এখনো মধ্যম বয়সী। এ অবস্থায় যেভাবে টানা বৃষ্টি চলছে, তাতে আমার বেশি ক্ষতি হবে।’
হালদার সংলগ্ন গোরখানার
প্রান্তিক কৃষক মো. বেলাল হোসেন দুই বছর আগেও জমিতে তামাক চাষ করতেন। সরকারি প্রণোদনায় আইডিএফ হালদা প্রজেক্টের অধীন সবজি চাষে ফেরেন তিনি।
কৃষক মো. বেলাল বলেন, নদীর পাড় সংলগ্ন চরে আমি এক-দেড় একর জমিতে সবজি চাষ করি। এখন সেখানে বেগুন খেতে ফল আছে। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে আমি ফসল নিয়ে শঙ্কিত।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. হাসিনুর রহমান বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে নিচু জমির ফসল বিবর্ণ হয়ে প্রান্তিক কৃষকের কিছুটা ক্ষতি হবে। মৌসুমি ঝড়-বৃষ্টির বিষয় মাথায় নিয়েই তাঁদের বেঁচে থাকতে হয়। কৃষি বিভাগ প্রান্তিক কৃষকের সুখ-দুঃখ নিয়ে কাজ করছে।’

বিলম্বের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছে না বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন রেলপথ প্রকল্প। ইতিমধ্যে চার দফা মেয়াদ বাড়ানো এই প্রকল্প শেষ করতে আরও দুই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রায় এক যুগে প্রকল্পের কাজ হয়েছে ৫৪ শতাংশ।
৬ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল এবং হাতিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাইফ উদ্দিন আহমদ দীর্ঘদিন হত্যা-বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি হয়ে জেলা কারাগারে রয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
যুগ যুগ ধরে সমুদ্রের পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন করে আসছেন কৃষকেরা। তবে লবণ উৎপাদন কারখানার পরিত্যক্ত পানি দিয়ে আবার লবণ তৈরির সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃষকেরা।
৭ ঘণ্টা আগে
খুলনা জেলায় খাদ্যশস্য সংগ্রহ মৌসুমে বস্তা কেনায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নতুন বস্তার সঙ্গে পুরোনো বস্তাও সরবরাহ ও ব্যবহার হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, পুরোনো নিম্নমানের বস্তা ক্রয় এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে খাদ্যগুদামের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। তবে খাদ্য কর্মকর্তাদের দাবি...
৭ ঘণ্টা আগে