আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

শাপলা ফুল সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে শুরু করে কার্তিক মাস পর্যন্ত পাওয়া যায়। বর্ষায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আখাউড়ায় বিভিন্ন ইউনিয়নে শাপলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে নিম্ন আয়ের অনেক পরিবার। শাপলা বিক্রিতে কোনো পুঁজির দরকার হয় না বলে বর্ষা মৌসুমে অনেক কৃষক ও দিনমজুর শাপলা বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকেন।
বর্ষার পানিতে নিচু জমি থেকে নৌকায় করে শাপলা তুলে আনতে হয় এ কাজে জড়িত কৃষক ও দিনমজুরদের। এরপর বিভিন্ন বাজারে এসব শাপলা বিক্রি করেন। এতে বিনা পুঁজিতে শাপলা বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন তাঁরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া টান-মান্দাইল বিলে হারেজ মিয়া নামে একজন শাপলা সংগ্রহ করছেন। হারেজ মিয়া আখাউড়ার মোগড়া ইউনিয়নের গ্রামভাংগা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর ৬ সদস্যের পরিবার। বর্ষাকাল এলেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শাপলা সংগ্রহ করতে বিলে নেমে পড়েন তিনি। তিন মাস একাধারে বিল থেকে শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে ভালো টাকা উপার্জন করছেন। এতে করে তাঁর পরিবারের খাবারের চাহিদা মিটিয়েও বাড়তি কিছু টাকা সঞ্চয় করতে পারেন হারেজ মিয়া।
এ বিষয়ে হারেজ মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রতিদিন একশত আঁটি শাপলা তুলতে পারি। প্রতি আঁটিতে ৫০টি করে শাপলা থাকে এবং তা ৮০ টাকায় বিক্রি করি। প্রতিদিন শাপলা বিক্রি করে গড়ে ৪ হাজার টাকা আয় হয়। প্রত্যেকদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত খালবিল ও বিস্তীর্ণ জমির শাপলা তুলে নৌকায় করে তা বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়।
মোগড়া ইউনিয়নের টান-মান্দাইল গ্রামের কৃষক জুয়েল বলেন, শাপলা সংগ্রহকারীরা কেউ স্থানীয় বাজারে আবার কেউ এলাকায় ঘুরে-ঘুরে শাপলা বিক্রি করেন। অনেকে আবার পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন। পাইকাররা সংগ্রহকারীর কাছ থেকে এসব শাপলা সংগ্রহ করে একত্র করে দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পাঠান।
আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, আখাউড়ায় ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রাকৃতিকভাবে শাপলা উৎপাদন হয়। বাড়তি আয় করতে অনেক কৃষক সরাসরি শাপলা বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত। শাপলা অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি। এতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ আছে। এ ছাড়া শর্করা, ক্যালসিয়াম, আমিষ পাওয়া যায়। তাই শাপলা দিন দিন জনপ্রিয় সবজি হয়ে উঠছে।

শাপলা ফুল সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে শুরু করে কার্তিক মাস পর্যন্ত পাওয়া যায়। বর্ষায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আখাউড়ায় বিভিন্ন ইউনিয়নে শাপলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে নিম্ন আয়ের অনেক পরিবার। শাপলা বিক্রিতে কোনো পুঁজির দরকার হয় না বলে বর্ষা মৌসুমে অনেক কৃষক ও দিনমজুর শাপলা বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকেন।
বর্ষার পানিতে নিচু জমি থেকে নৌকায় করে শাপলা তুলে আনতে হয় এ কাজে জড়িত কৃষক ও দিনমজুরদের। এরপর বিভিন্ন বাজারে এসব শাপলা বিক্রি করেন। এতে বিনা পুঁজিতে শাপলা বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন তাঁরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া টান-মান্দাইল বিলে হারেজ মিয়া নামে একজন শাপলা সংগ্রহ করছেন। হারেজ মিয়া আখাউড়ার মোগড়া ইউনিয়নের গ্রামভাংগা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর ৬ সদস্যের পরিবার। বর্ষাকাল এলেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শাপলা সংগ্রহ করতে বিলে নেমে পড়েন তিনি। তিন মাস একাধারে বিল থেকে শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে ভালো টাকা উপার্জন করছেন। এতে করে তাঁর পরিবারের খাবারের চাহিদা মিটিয়েও বাড়তি কিছু টাকা সঞ্চয় করতে পারেন হারেজ মিয়া।
এ বিষয়ে হারেজ মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রতিদিন একশত আঁটি শাপলা তুলতে পারি। প্রতি আঁটিতে ৫০টি করে শাপলা থাকে এবং তা ৮০ টাকায় বিক্রি করি। প্রতিদিন শাপলা বিক্রি করে গড়ে ৪ হাজার টাকা আয় হয়। প্রত্যেকদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত খালবিল ও বিস্তীর্ণ জমির শাপলা তুলে নৌকায় করে তা বিভিন্ন পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়।
মোগড়া ইউনিয়নের টান-মান্দাইল গ্রামের কৃষক জুয়েল বলেন, শাপলা সংগ্রহকারীরা কেউ স্থানীয় বাজারে আবার কেউ এলাকায় ঘুরে-ঘুরে শাপলা বিক্রি করেন। অনেকে আবার পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন। পাইকাররা সংগ্রহকারীর কাছ থেকে এসব শাপলা সংগ্রহ করে একত্র করে দেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পাঠান।
আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, আখাউড়ায় ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গায় প্রাকৃতিকভাবে শাপলা উৎপাদন হয়। বাড়তি আয় করতে অনেক কৃষক সরাসরি শাপলা বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত। শাপলা অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি। এতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ আছে। এ ছাড়া শর্করা, ক্যালসিয়াম, আমিষ পাওয়া যায়। তাই শাপলা দিন দিন জনপ্রিয় সবজি হয়ে উঠছে।

তিস্তা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন শেষে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের ভূরাজনৈতিক চাপ নেই। এটি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রকল্প এবং চীন এতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। আজ সোমবার সকালে রংপুরের কাউনিয়া সেতু পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
১৪ মিনিট আগে
নাটোর আদালত প্রাঙ্গণে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধজনিত মামলার জেরে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে আদালত চত্বরে এ সংঘর্ষ হয়।
১৭ মিনিট আগে
পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, তিস্তা নদীর সমস্যা সমাধানে অন্তর্বর্তী সরকার একটি টেকসই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার গাজীর ঘাটে নদী পরিদর্শনকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
১৭ মিনিট আগে
মাদারীপুরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অভিযান চালিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দিনব্যাপী মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটকচর, মোস্তফাপুর, কলাবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান চালায় মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানা-পুলিশ।
২১ মিনিট আগে