নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সেনবাগে আমির হোসেন (৪৮) নামের এক ব্যক্তি তাঁর সাবেক স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়িকে কুপিয়ে জখম করেছেন। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের ইদিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর দ্রুত পালিয়ে যান আমির হোসেন।
হামলার শিকার তিনজন হলেন আমির হোসেনের সাবেক স্ত্রী বিবি ফাতেমা (৩৮), মেয়ে রাবেয়া খাতুন (১৮) ও শাশুড়ি মাফিয়া বেগম (৫৮)। আহতদের মধ্যে মাফিয়া ও ফাতেমাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
তবে ঠিক কী কারণে আমির হোসেন তাঁদের কুপিয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৭-২৮ বছর আগে পারিবারিকভাবে পাশের সোনাইমুড়ী উপজেলার অম্বরনগর গ্রামের সফি উল্যার ছেলে আমিরের সঙ্গে ফাতেমার বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে তিন বছর আগে ফাতেমা ও আমিরের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। তখন থেকে তিন সন্তান ফাতেমার সঙ্গে থাকত। ফাতেমা বাবার বাড়ির এলাকায় একটি ঘর করে সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তাঁদের এক ছেলে ঢাকায় চাকরি করেন, কয়েক দিন আগে আরেক ছেলে বিদেশে যান। মেয়ে ও মাকে নিয়ে বাড়িতে থাকেন ফাতেমা।
আহত রাবেয়া খাতুন বলেন, ‘আজ ভোরে বাবা এসে ঘরের দরজা খুলতে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু তাতে আমরা কেউ সাড়াশব্দ করিনি। বাবার ডাকাডাকি বন্ধ হলে তিনি চলে গেছেন ভেবে কিছুক্ষণ পর মা ঘর থেকে বের হন। তখন তাঁকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করেন বাবা। পরে ঘরে এসে আমাকে এবং নানিকেও কুপিয়ে জখম করেন। আমাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে বাবা পালিয়ে যান। পরে লোকজন আমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আর আমার মা ও নানিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের দুজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নোয়াখালীর সেনবাগে আমির হোসেন (৪৮) নামের এক ব্যক্তি তাঁর সাবেক স্ত্রী, মেয়ে ও শাশুড়িকে কুপিয়ে জখম করেছেন। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের ইদিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর দ্রুত পালিয়ে যান আমির হোসেন।
হামলার শিকার তিনজন হলেন আমির হোসেনের সাবেক স্ত্রী বিবি ফাতেমা (৩৮), মেয়ে রাবেয়া খাতুন (১৮) ও শাশুড়ি মাফিয়া বেগম (৫৮)। আহতদের মধ্যে মাফিয়া ও ফাতেমাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
তবে ঠিক কী কারণে আমির হোসেন তাঁদের কুপিয়েছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৭-২৮ বছর আগে পারিবারিকভাবে পাশের সোনাইমুড়ী উপজেলার অম্বরনগর গ্রামের সফি উল্যার ছেলে আমিরের সঙ্গে ফাতেমার বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে তিন বছর আগে ফাতেমা ও আমিরের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। তখন থেকে তিন সন্তান ফাতেমার সঙ্গে থাকত। ফাতেমা বাবার বাড়ির এলাকায় একটি ঘর করে সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন। তাঁদের এক ছেলে ঢাকায় চাকরি করেন, কয়েক দিন আগে আরেক ছেলে বিদেশে যান। মেয়ে ও মাকে নিয়ে বাড়িতে থাকেন ফাতেমা।
আহত রাবেয়া খাতুন বলেন, ‘আজ ভোরে বাবা এসে ঘরের দরজা খুলতে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু তাতে আমরা কেউ সাড়াশব্দ করিনি। বাবার ডাকাডাকি বন্ধ হলে তিনি চলে গেছেন ভেবে কিছুক্ষণ পর মা ঘর থেকে বের হন। তখন তাঁকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করেন বাবা। পরে ঘরে এসে আমাকে এবং নানিকেও কুপিয়ে জখম করেন। আমাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে বাবা পালিয়ে যান। পরে লোকজন আমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আর আমার মা ও নানিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের দুজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
৩ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে