নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দীন চৌধুরী নদভীর পক্ষে চালানো গণসংযোগে হামলা হয়েছে। এতে নদভীর শ্যালকসহ অন্তত ১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
গত বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার পশ্চিম ঢেমশা ইউনিয়নের ইছামতি আলীনগর এলাকায় ও গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার চরতি ইউনিয়নের কাটাখালী ব্রিজ এলাকায় পৃথক এ হামলার ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী এ হামলার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মোতালেব ও তাঁর সমর্থকদের দায়ী করেছেন।
অন্যদিকে আব্দুল মোতালেবের প্রধান সমন্বয়ক ডাক্তার আ ম ম মিনহাজুর রহমান দাবি করেছেন, নদভীর সমর্থকদের ওপর কোনো হামলা তাঁরা করেনি। বরং নদভী সমর্থকেরা জনরোষের শিকার হয়েছেন বলে দাবি তাঁর।
বৃহস্পতিবার ওই হামলায় নদভীর শ্যালক চরতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুহুল্লাহ চৌধুরী (৫০), সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান (৩৫), পৌরসভা আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম ফেরদৌস রুবেল (৫৫) ও যুবলীগ নেতা কচির আহমদ কায়সার (৪৫) রয়েছেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে নদভীর স্ত্রী রিজিয়া রেজা চৌধুরী ও শ্যালক রুহুল্লাহ চৌধুরীর নেতৃত্বে চরতির কাটাখালী এলাকায় গণসংযোগ চলছিল। এ সময় লাঠিসোঠা নিয়ে ৪০–৫০ জনের একটি দল তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে আহতদের রাতে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার পর রাতে সাতকানিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী বলেন, ‘ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতালেবের নির্দেশে হামলা করা হয়েছে।’
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মোতালেবের প্রধান নির্বাচন সমন্বয়ক ডাক্তার আ ম ম মিনহাজুর রহমান বলেন, ‘নদভীর স্ত্রী রিজিয়া রেজা চৌধুরী স্থানীয় লোকজনকে কটাক্ষ করে কথা বলেছেন। তাঁর ভাইয়ের নানা অপকর্মে এলাকার লোকজন ক্ষুব্ধ ছিল। এজন্য তাঁরা জনরোষের শিকার হয়েছেন। আমাদের নেতা-কর্মীরা এর সঙ্গে জড়িত নয়।’
এর আগের দিন বুধবার রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মোতালেবের সমর্থক পশ্চিম ঢেমশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিদুয়ানুল ইসলামের বাড়ি লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি ছোড়েন। এই ঘটনার জন্য নদভীর সমর্থকদের দায়ী করে মোতালেব।
এদিকে এ দুটি ঘটনার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিল্টন বিশ্বাস।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রিটন সরকার বলেন, ‘দুই ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্তে যাদের নাম আসবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দীন চৌধুরী নদভীর পক্ষে চালানো গণসংযোগে হামলা হয়েছে। এতে নদভীর শ্যালকসহ অন্তত ১৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
গত বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার পশ্চিম ঢেমশা ইউনিয়নের ইছামতি আলীনগর এলাকায় ও গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার চরতি ইউনিয়নের কাটাখালী ব্রিজ এলাকায় পৃথক এ হামলার ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী এ হামলার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মোতালেব ও তাঁর সমর্থকদের দায়ী করেছেন।
অন্যদিকে আব্দুল মোতালেবের প্রধান সমন্বয়ক ডাক্তার আ ম ম মিনহাজুর রহমান দাবি করেছেন, নদভীর সমর্থকদের ওপর কোনো হামলা তাঁরা করেনি। বরং নদভী সমর্থকেরা জনরোষের শিকার হয়েছেন বলে দাবি তাঁর।
বৃহস্পতিবার ওই হামলায় নদভীর শ্যালক চরতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুহুল্লাহ চৌধুরী (৫০), সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান (৩৫), পৌরসভা আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম ফেরদৌস রুবেল (৫৫) ও যুবলীগ নেতা কচির আহমদ কায়সার (৪৫) রয়েছেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে নদভীর স্ত্রী রিজিয়া রেজা চৌধুরী ও শ্যালক রুহুল্লাহ চৌধুরীর নেতৃত্বে চরতির কাটাখালী এলাকায় গণসংযোগ চলছিল। এ সময় লাঠিসোঠা নিয়ে ৪০–৫০ জনের একটি দল তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এতে আহতদের রাতে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার পর রাতে সাতকানিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভী বলেন, ‘ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতালেবের নির্দেশে হামলা করা হয়েছে।’
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মোতালেবের প্রধান নির্বাচন সমন্বয়ক ডাক্তার আ ম ম মিনহাজুর রহমান বলেন, ‘নদভীর স্ত্রী রিজিয়া রেজা চৌধুরী স্থানীয় লোকজনকে কটাক্ষ করে কথা বলেছেন। তাঁর ভাইয়ের নানা অপকর্মে এলাকার লোকজন ক্ষুব্ধ ছিল। এজন্য তাঁরা জনরোষের শিকার হয়েছেন। আমাদের নেতা-কর্মীরা এর সঙ্গে জড়িত নয়।’
এর আগের দিন বুধবার রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মোতালেবের সমর্থক পশ্চিম ঢেমশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিদুয়ানুল ইসলামের বাড়ি লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি ছোড়েন। এই ঘটনার জন্য নদভীর সমর্থকদের দায়ী করে মোতালেব।
এদিকে এ দুটি ঘটনার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিল্টন বিশ্বাস।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রিটন সরকার বলেন, ‘দুই ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্তে যাদের নাম আসবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ে ছয়জনকে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁদের মধ্যে পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং একজনকে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া একজন সন্দেহভাজন সহযোগীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
১৭ মিনিট আগে
গণভোট নিয়ে মাঠে কাজ করা দিনমজুর ও বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছে আজকের পত্রিকা। তাঁরা জানান, সাধারণ ভোটের বিষয়টি তাঁরা জানেন এবং আগেও ভোট দিয়েছেন। কিন্তু গণভোট কী, এ সম্পর্কে তাঁদের কোনো ধারণা নেই।
৩৪ মিনিট আগে
সংঘর্ষের সময় একটি দোকান ও দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
চানন্দী ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী করিম বাজার-দরবেশ বাজার এলাকার একটি পিচঢালাই রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ এনে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে এনসিপির এক নেতা ফেসবুকে পোস্ট দেন। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
৩ ঘণ্টা আগে