নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের পরীর পাহাড় নিয়ে টানাহেঁচড়ার কিছু নেই। এটি কারও জেদাজেদি বা জেতাজেতিরও বিষয় নয়। চট্টগ্রামবাসীর জন্য যেটি উপকার হয়, সেটিই হবে। আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এ মন্তব্য করেছেন।
পরীর পাহাড় নিয়ে জেলা প্রশাসন ও আইনজীবী সমিতির বিরোধ প্রসঙ্গে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আহমেদ কায়কাউস বলেন, `পরীর পাহাড় নিয়ে আমি কথা বলতে রাজি না। এই সমস্ত কথা বলে কোনো লাভ আছে নাকি? এখানে কী হচ্ছে না হচ্ছে, সেটি দেখা যাক। সরকার চিন্তা-ভাবনা করছে, যেটি ভালো হয় সেটি হবে। আমার বক্তব্য বা কারও বক্তব্য বা ডিসির বক্তব্য—এটি তো কিছুই মেটিরিয়াল না রে ভাই।'
আহমেদ কায়কাউস এ সময় এক সাংবাদিককে প্রশ্ন করেন, `আপনার বাড়ি কোথায় ভাই? চট্টগ্রামে তো? তাহলে আপনি নিশ্চয় ভালো চান? সুতরাং যেটি ভালো সেটিই হবে। সরকার কি কোনো জনবিরোধী কাজ করে গণতান্ত্রিক সরকার হয়?
কায়কাউস বলেন, `বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট পরীর পাহাড়ের বিষয়টি দেখবে। এখানে জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার বা কারও পৈতৃক সম্পত্তি না, তাই না? এটি বাংলাদেশের সম্পত্তি। মানুষের যেটি উপকার হয়, সেটি করবে। চট্টগ্রামবাসীর যেটি উপকার হয়, সেটি হবে। কারও জেদাজেদির কিছু নেই। মানুষের থাকার জন্য বসবাস দরকার, অফিসের জন্য জায়গা দরকার—সবার যেটি উপকার হয় সেটি হবে।'
মুখ্য সচিব বলেন, `এটি নিয়ে টানাহেঁচড়ার কিছু নেই। আপনি চট্টগ্রামের উপকার চান, না অপকার? আমরা চেষ্টা করব উপকার করার জন্য। আমার জন্মও চট্টগ্রামে। আমি মুসলিম হাইস্কুলের ছাত্র ছিলাম। পরীর পাহাড়ের ওই দিক দিয়ে নিচে নামার একটি জায়গা ছিল, সেটি আছে এখন? এটি নিয়ে এত কথা বলার দরকার নেই তো ভাই।'
আরেক প্রশ্নের জবাবে মুখ্য সচিব বলেন, `জটিলতা তৈরি করার কোনো মানে হয় না। উদ্ভূত পরিস্থিতি কিছুই হবে না। এখানে জেতাজেতিরও কিছুই নেই। আইনজীবীরা কি মঙ্গল গ্রহ থেকে আসছে নাকি? যেটা ভালো হবে সেটিই করব।'
নতুন ভবন করার জন্য আইনজীবীদের দরপত্র করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, `এটি আমি জানি না। আইনজীবীদের কর্তৃপক্ষ কি আমি?'
পরীর পাহাড়ে পরিদর্শনের বিষয়ে কায়কাউস বলেন, `আমি বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়ের কার্যালয়ে এসেছি। পরিদর্শনের বিষয়টি বলতে আমার তো এখানে স্মৃতি আছে। আমি কোনো বিরোধ নিরসনের জন্য আসিনি। বিরোধ নিরসন করবেন এখানকার নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন বা সরকার। সরকার যদি আমাকে দায়িত্ব দেয়, তখন আমি আসব। সরকার আমাকে পরীর পাহাড় নিরসনে কোনো দায়িত্ব দেয়নি।'

চট্টগ্রামের পরীর পাহাড় নিয়ে টানাহেঁচড়ার কিছু নেই। এটি কারও জেদাজেদি বা জেতাজেতিরও বিষয় নয়। চট্টগ্রামবাসীর জন্য যেটি উপকার হয়, সেটিই হবে। আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এ মন্তব্য করেছেন।
পরীর পাহাড় নিয়ে জেলা প্রশাসন ও আইনজীবী সমিতির বিরোধ প্রসঙ্গে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে আহমেদ কায়কাউস বলেন, `পরীর পাহাড় নিয়ে আমি কথা বলতে রাজি না। এই সমস্ত কথা বলে কোনো লাভ আছে নাকি? এখানে কী হচ্ছে না হচ্ছে, সেটি দেখা যাক। সরকার চিন্তা-ভাবনা করছে, যেটি ভালো হয় সেটি হবে। আমার বক্তব্য বা কারও বক্তব্য বা ডিসির বক্তব্য—এটি তো কিছুই মেটিরিয়াল না রে ভাই।'
আহমেদ কায়কাউস এ সময় এক সাংবাদিককে প্রশ্ন করেন, `আপনার বাড়ি কোথায় ভাই? চট্টগ্রামে তো? তাহলে আপনি নিশ্চয় ভালো চান? সুতরাং যেটি ভালো সেটিই হবে। সরকার কি কোনো জনবিরোধী কাজ করে গণতান্ত্রিক সরকার হয়?
কায়কাউস বলেন, `বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট পরীর পাহাড়ের বিষয়টি দেখবে। এখানে জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার বা কারও পৈতৃক সম্পত্তি না, তাই না? এটি বাংলাদেশের সম্পত্তি। মানুষের যেটি উপকার হয়, সেটি করবে। চট্টগ্রামবাসীর যেটি উপকার হয়, সেটি হবে। কারও জেদাজেদির কিছু নেই। মানুষের থাকার জন্য বসবাস দরকার, অফিসের জন্য জায়গা দরকার—সবার যেটি উপকার হয় সেটি হবে।'
মুখ্য সচিব বলেন, `এটি নিয়ে টানাহেঁচড়ার কিছু নেই। আপনি চট্টগ্রামের উপকার চান, না অপকার? আমরা চেষ্টা করব উপকার করার জন্য। আমার জন্মও চট্টগ্রামে। আমি মুসলিম হাইস্কুলের ছাত্র ছিলাম। পরীর পাহাড়ের ওই দিক দিয়ে নিচে নামার একটি জায়গা ছিল, সেটি আছে এখন? এটি নিয়ে এত কথা বলার দরকার নেই তো ভাই।'
আরেক প্রশ্নের জবাবে মুখ্য সচিব বলেন, `জটিলতা তৈরি করার কোনো মানে হয় না। উদ্ভূত পরিস্থিতি কিছুই হবে না। এখানে জেতাজেতিরও কিছুই নেই। আইনজীবীরা কি মঙ্গল গ্রহ থেকে আসছে নাকি? যেটা ভালো হবে সেটিই করব।'
নতুন ভবন করার জন্য আইনজীবীদের দরপত্র করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, `এটি আমি জানি না। আইনজীবীদের কর্তৃপক্ষ কি আমি?'
পরীর পাহাড়ে পরিদর্শনের বিষয়ে কায়কাউস বলেন, `আমি বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়ের কার্যালয়ে এসেছি। পরিদর্শনের বিষয়টি বলতে আমার তো এখানে স্মৃতি আছে। আমি কোনো বিরোধ নিরসনের জন্য আসিনি। বিরোধ নিরসন করবেন এখানকার নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন বা সরকার। সরকার যদি আমাকে দায়িত্ব দেয়, তখন আমি আসব। সরকার আমাকে পরীর পাহাড় নিরসনে কোনো দায়িত্ব দেয়নি।'

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে