কুমিল্লা প্রতিনিধি

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাঁচ কলেজে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। কোনো প্রতিষ্ঠানে একজন মাত্র শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েও ফলাফল শূন্য। আজ বুধবার ফলাফল ঘোষণার পর এ তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান।
শূন্য পাস কলেজগুলোর মধ্যে ফেনী সদরের নোবেল কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করতে পারেনি। ফেনী সদরের আরেক কলেজ গ্রীনল্যান্ড কলেজ থেকেও একজন পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারেনি।
এ ছাড়া বি-বাড়িয়ার কৃষ্ণনগর আব্দুল জাব্বার স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সাতজন, নবীনগর জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে আটজন, চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণের ডাক্তার এম শামছুল হক মডেল কলেজ থেকে নয়জন পরীক্ষা দিয়ে কেউই পাস করতে পারেনি।
ফেনী গ্রীনল্যান্ড কলেজের সভাপতি সহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘করোনার সময় আমরা কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারি নাই। একটি মেয়ে অনিয়মিত শিক্ষার্থী ছিল। বিয়ে হয়ে যাওয়াই কলেজে আসেনি।’
নবীনগর জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. গোলাম ছাদেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক শাখা পর্যন্ত এমপিওভুক্ত। কলেজ শাখায় পাঠদানের অনুমতি আছে। রয়েছে শিক্ষকের সংকট। সাতজন শিক্ষক দিয়ে কলেজ শাখা চালানো হচ্ছে। আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে এবার কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।’
কুমিল্লা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আজ ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী সময় শূন্য পাসের কলেজগুলোর বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিব।’
কুমিল্লার শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৯০ দশমিক ৭২ শতাংশ। এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৪ হাজার ৯৯১ জন শিক্ষার্থী। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর ৮৫ হাজার ৮৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরীক্ষায় ৭৭ হাজার ৯০৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বোর্ডে শতভাগ পাস করেছে ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাঁচ কলেজে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। কোনো প্রতিষ্ঠানে একজন মাত্র শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েও ফলাফল শূন্য। আজ বুধবার ফলাফল ঘোষণার পর এ তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান।
শূন্য পাস কলেজগুলোর মধ্যে ফেনী সদরের নোবেল কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করতে পারেনি। ফেনী সদরের আরেক কলেজ গ্রীনল্যান্ড কলেজ থেকেও একজন পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারেনি।
এ ছাড়া বি-বাড়িয়ার কৃষ্ণনগর আব্দুল জাব্বার স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে সাতজন, নবীনগর জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে আটজন, চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণের ডাক্তার এম শামছুল হক মডেল কলেজ থেকে নয়জন পরীক্ষা দিয়ে কেউই পাস করতে পারেনি।
ফেনী গ্রীনল্যান্ড কলেজের সভাপতি সহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘করোনার সময় আমরা কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারি নাই। একটি মেয়ে অনিয়মিত শিক্ষার্থী ছিল। বিয়ে হয়ে যাওয়াই কলেজে আসেনি।’
নবীনগর জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. গোলাম ছাদেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক শাখা পর্যন্ত এমপিওভুক্ত। কলেজ শাখায় পাঠদানের অনুমতি আছে। রয়েছে শিক্ষকের সংকট। সাতজন শিক্ষক দিয়ে কলেজ শাখা চালানো হচ্ছে। আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে এবার কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।’
কুমিল্লা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আজ ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী সময় শূন্য পাসের কলেজগুলোর বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিব।’
কুমিল্লার শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৯০ দশমিক ৭২ শতাংশ। এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৪ হাজার ৯৯১ জন শিক্ষার্থী। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর ৮৫ হাজার ৮৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পরীক্ষায় ৭৭ হাজার ৯০৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বোর্ডে শতভাগ পাস করেছে ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে