ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় তিন মিষ্টির দোকানসহ আট প্রতিষ্ঠান ও এক লরিচালককে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার মজুত, নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার এবং সড়কে অবৈধ গাড়ি পার্কিংয়ের অভিযোগে এই জরিমানা করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার দক্ষিণ চান্দলা বাজার ও সাহেবাবাদ বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা জাহান। অভিযানে সহযোগিতা করেন উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পারভীন সুলতানা এবং ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল।
দক্ষিণ চান্দলা বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির দায়ে মায়ের দোয়া মিষ্টি ভান্ডারকে ৫ হাজার, হারুন মিষ্টি ভান্ডারকে ২০ হাজার এবং চান্দলা মিষ্টি ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই বাজারে খাদ্য উৎপাদনকারী কারখানার পাশে মুরগি বিক্রি করায় রনি ব্রয়লার হাউসকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী মজুত রাখা এবং নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারের অভিযোগে জুয়েল কনফেকশনারি ও খান ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে ৩ হাজার করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দোকান দুটি থেকে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ পলিথিন ব্যাগ আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। পরে সাহেবাবাদ বাজার এলাকায় অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং করে যানজট সৃষ্টি করায় এক আন্তজেলা লরিচালককে সড়ক পরিবহন আইনে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান শেষে ইউএনও মাহমুদা জাহান বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বিক্রি মানুষের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার ও অবৈধ গাড়ি পার্কিং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ায়। তাই ব্যবসায়ী ও চালকদের সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে একই অপরাধে শুধু অর্থদণ্ড নয়, আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় তিন মিষ্টির দোকানসহ আট প্রতিষ্ঠান ও এক লরিচালককে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার মজুত, নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার এবং সড়কে অবৈধ গাড়ি পার্কিংয়ের অভিযোগে এই জরিমানা করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার দক্ষিণ চান্দলা বাজার ও সাহেবাবাদ বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা জাহান। অভিযানে সহযোগিতা করেন উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পারভীন সুলতানা এবং ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল।
দক্ষিণ চান্দলা বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির দায়ে মায়ের দোয়া মিষ্টি ভান্ডারকে ৫ হাজার, হারুন মিষ্টি ভান্ডারকে ২০ হাজার এবং চান্দলা মিষ্টি ভান্ডারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই বাজারে খাদ্য উৎপাদনকারী কারখানার পাশে মুরগি বিক্রি করায় রনি ব্রয়লার হাউসকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যসামগ্রী মজুত রাখা এবং নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারের অভিযোগে জুয়েল কনফেকশনারি ও খান ডিপার্টমেন্টাল স্টোরকে ৩ হাজার করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দোকান দুটি থেকে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ পলিথিন ব্যাগ আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। পরে সাহেবাবাদ বাজার এলাকায় অবৈধভাবে গাড়ি পার্কিং করে যানজট সৃষ্টি করায় এক আন্তজেলা লরিচালককে সড়ক পরিবহন আইনে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান শেষে ইউএনও মাহমুদা জাহান বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বিক্রি মানুষের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার ও অবৈধ গাড়ি পার্কিং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ায়। তাই ব্যবসায়ী ও চালকদের সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে একই অপরাধে শুধু অর্থদণ্ড নয়, আরও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪০ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে