নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে কোনো কনটেইনারজট নেই বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তবে তিনি বলেছেন, আমদানিকারকদের ব্যাংক থেকে ডকুমেন্ট পেতে দেরি হলে, শুল্ক পরিশোধে জটিলতার কারণে কখনো কখনো আমদানি করা পণ্য ফ্রি টাইমের মধ্যে খালাস না করে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে ফেলে রাখে। ফলে কনটেইনার সংরক্ষণে সাময়িকভাবে ইয়ার্ডে স্থান সংকট দেখা দিতে পারে, এতে কনটেইনারজট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নৌ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে টেবিলে প্রশ্নোত্তর উপস্থাপন করা হয়।
ভোলা-৩ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের প্রশ্নের জবাবে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমদানিকারক, বন্দর ব্যবহারকারীদের সুষ্ঠু সেবা প্রদানের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম ২৪/৭ খোলা রাখা হয়েছে।
ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে নৌ প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা দেশে নিবন্ধিত প্রায় ১৪ হাজার নৌযান রয়েছে। ২০১৮ সালে প্রণীত বিধিমালা অনুসারে সারা দেশে ১০৪টি নৌরুট রয়েছে।
লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের প্রশ্নের জবাবে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের রাজস্ব আয় ৩ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। একই অর্থবছরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের রাজস্ব আয় ছিল ৩১৭ কোটি ৮ লাখ টাকা।
নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭৮ কোটি ৮১ লাখ টাকার ৮৮টি ক্রেন সংগ্রহ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য ১৮৬ কোটি ২০ লাখার নতুন ৪২টি ক্রেন সংগ্রহের পরিকল্পনা সরকারের আছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে কোনো কনটেইনারজট নেই বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তবে তিনি বলেছেন, আমদানিকারকদের ব্যাংক থেকে ডকুমেন্ট পেতে দেরি হলে, শুল্ক পরিশোধে জটিলতার কারণে কখনো কখনো আমদানি করা পণ্য ফ্রি টাইমের মধ্যে খালাস না করে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে ফেলে রাখে। ফলে কনটেইনার সংরক্ষণে সাময়িকভাবে ইয়ার্ডে স্থান সংকট দেখা দিতে পারে, এতে কনটেইনারজট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
আজ রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নৌ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে টেবিলে প্রশ্নোত্তর উপস্থাপন করা হয়।
ভোলা-৩ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের প্রশ্নের জবাবে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমদানিকারক, বন্দর ব্যবহারকারীদের সুষ্ঠু সেবা প্রদানের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম ২৪/৭ খোলা রাখা হয়েছে।
ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে নৌ প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা দেশে নিবন্ধিত প্রায় ১৪ হাজার নৌযান রয়েছে। ২০১৮ সালে প্রণীত বিধিমালা অনুসারে সারা দেশে ১০৪টি নৌরুট রয়েছে।
লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের প্রশ্নের জবাবে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের রাজস্ব আয় ৩ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। একই অর্থবছরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের রাজস্ব আয় ছিল ৩১৭ কোটি ৮ লাখ টাকা।
নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০২১-২২ অর্থবছর পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭৮ কোটি ৮১ লাখ টাকার ৮৮টি ক্রেন সংগ্রহ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য ১৮৬ কোটি ২০ লাখার নতুন ৪২টি ক্রেন সংগ্রহের পরিকল্পনা সরকারের আছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে