রামগতি (লক্ষ্মীপুর)

লক্ষ্মীপুরের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যের তালিকায় গিগজের মুড়ি অন্যতম। হাতে ভাজা গিগজ ধানের চালের মুড়ির স্বাদ প্রাচীনকাল থেকেই সারা দেশে বিখ্যাত। তবে গত কয়েক বছর ধরে এ ধানের বিলুপ্তি এবং মেশিনে বানানো মুড়ির চাপে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেছে এটি। ফলে বর্তমান প্রজন্মের অনেকে গিগজ মুড়ির সঙ্গে পরিচিত নয়।
জানা যায়, হাতে তৈরি ঐতিহ্যবাহী গিগজ মুড়ি টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনকারীদের পড়তে হচ্ছে নানা প্রতিকূলতায়। বিশেষ এ মুড়ির ক্রেতাদের অনেকেই বিচিত্র এ পেশা সম্পর্কে জানেন না। ঐতিহ্য আর প্রাকৃতিকতার কারণে সাধারণ মুড়ির তুলনায় হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি এবং গিগজ ধানের দাম দ্বিগুণের বেশি। তবুও এ মুড়ির ব্যাপক চাহিদা। বাড়ি থেকে আড়তে আনলেই মুড়ি বিক্রি হয়ে যায়।
রামগতি উপজেলার চর ডাক্তার এবং রঘুনাথপুরে হাতে ভাজা গিগজ মুড়ির জন্য বিখ্যাত। এ গ্রামের বহু পরিবারের মানুষের প্রধান জীবিকা হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি। অত্যন্ত কষ্টকর পেশা হলেও বংশগতভাবে যুগ যুগ ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাঁরা।
উৎপাদনকারীরা বলেন, মুড়ি ভাজার লোকেদের প্রধান সমস্যা পুঁজির অভাবে বছরের শুরুতে ধান মজুত করতে না পারা। সে জন্য এ কুটির শিল্প বেঁচে রাখতে আড়তদার এবং এনজিও থেকে ঋণে প্রদান করতে হবে। স্বল্প সুদে কোন ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া যায় না। অন্যদিকে, বৃষ্টির সময় মুড়ির ধান শুকাতে অনেক কষ্ট হয়।
মুড়ি উৎপাদনকারী প্রদুল চন্দ্র দাস বলেন, হাতে ভাজা মুড়িতে লবণ পানি ছাড়া অন্য কোন পদার্থ দেওয়া যায় না। লাকড়ি ছাড়া গ্যাসের আগুনেও এ মুড়ি ভাজা যায় না। এমনকি এ মুড়ি বাজারে পাওয়া কোন চালেও তৈরি করা যায় না। এ অঞ্চলের মুড়ি নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরের আড়তে এবং স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয়।
বড়খেরী ইউনিয়নের রিতা রানী দাস বিগত ১৫ বছর দরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছেন। এ বিষয়ে তিনি জানান, ধানের মৌসুমে আর্থিক স্বাবলম্বী ব্যবসায়ীরা সারা বছরের জন্য পরিমাণমতো ধান কিনে বাড়িতে সংগ্রহে রাখেন। আর্থিক সংকটে থাকা ব্যবসায়ীরা প্রতি বাজারে মুড়ি বিক্রয় করার পর সে টাকায় ধানের আড়ত থেকে ধান কিনে বাড়িতে আনে। ধান থেকে চাল তৈরি এবং মুড়ি ভাজা পর্যন্ত প্রক্রিয়াটি একটি জটিল কাজ। সে কারণে অনেকে এখন পেশা ছেড়ে দিয়েছেন।
রামগতি বাজারের পরিতোষ চন্দ্র সাহা নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, আগে হাতে ভাজা মুড়ির প্রধান উপাদান গিগজ ধান প্রচুর চাষ হতো। বর্তমানে গিগজ ধানের উৎপাদন প্রায় বিলুপ্ত। গিগজ ধানের পাশাপাশি একই মানের ভূষিহারা, ধলামোডা জাতের দেশীয় ধান থেকেও এ মুড়ি তৈরি হয়।
লক্ষ্মীপুরের আড়তদার স্বদেশ দাস বলেন, আড়ত ছাড়াও বিভিন্ন দোকানিরা উৎপাদনকারীদের থেকে সরাসরিও মুড়ি কিনে থাকেন। মাঝে মাঝে কয়েকজন ঢাকার রপ্তানিকারক মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ এবং আমেরিকাতে লক্ষ্মীপুরের মুড়ি রপ্তানি করেন। এ ছাড়া এ অঞ্চলের প্রবাসীরা বিদেশ যাওয়ার সময় গিগজ মুড়ি সঙ্গে নিয়ে যান।

লক্ষ্মীপুরের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যের তালিকায় গিগজের মুড়ি অন্যতম। হাতে ভাজা গিগজ ধানের চালের মুড়ির স্বাদ প্রাচীনকাল থেকেই সারা দেশে বিখ্যাত। তবে গত কয়েক বছর ধরে এ ধানের বিলুপ্তি এবং মেশিনে বানানো মুড়ির চাপে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেছে এটি। ফলে বর্তমান প্রজন্মের অনেকে গিগজ মুড়ির সঙ্গে পরিচিত নয়।
জানা যায়, হাতে তৈরি ঐতিহ্যবাহী গিগজ মুড়ি টিকিয়ে রাখতে উৎপাদনকারীদের পড়তে হচ্ছে নানা প্রতিকূলতায়। বিশেষ এ মুড়ির ক্রেতাদের অনেকেই বিচিত্র এ পেশা সম্পর্কে জানেন না। ঐতিহ্য আর প্রাকৃতিকতার কারণে সাধারণ মুড়ির তুলনায় হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি এবং গিগজ ধানের দাম দ্বিগুণের বেশি। তবুও এ মুড়ির ব্যাপক চাহিদা। বাড়ি থেকে আড়তে আনলেই মুড়ি বিক্রি হয়ে যায়।
রামগতি উপজেলার চর ডাক্তার এবং রঘুনাথপুরে হাতে ভাজা গিগজ মুড়ির জন্য বিখ্যাত। এ গ্রামের বহু পরিবারের মানুষের প্রধান জীবিকা হাতে ভাজা গিগজ মুড়ি। অত্যন্ত কষ্টকর পেশা হলেও বংশগতভাবে যুগ যুগ ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাঁরা।
উৎপাদনকারীরা বলেন, মুড়ি ভাজার লোকেদের প্রধান সমস্যা পুঁজির অভাবে বছরের শুরুতে ধান মজুত করতে না পারা। সে জন্য এ কুটির শিল্প বেঁচে রাখতে আড়তদার এবং এনজিও থেকে ঋণে প্রদান করতে হবে। স্বল্প সুদে কোন ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া যায় না। অন্যদিকে, বৃষ্টির সময় মুড়ির ধান শুকাতে অনেক কষ্ট হয়।
মুড়ি উৎপাদনকারী প্রদুল চন্দ্র দাস বলেন, হাতে ভাজা মুড়িতে লবণ পানি ছাড়া অন্য কোন পদার্থ দেওয়া যায় না। লাকড়ি ছাড়া গ্যাসের আগুনেও এ মুড়ি ভাজা যায় না। এমনকি এ মুড়ি বাজারে পাওয়া কোন চালেও তৈরি করা যায় না। এ অঞ্চলের মুড়ি নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরের আড়তে এবং স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয়।
বড়খেরী ইউনিয়নের রিতা রানী দাস বিগত ১৫ বছর দরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছেন। এ বিষয়ে তিনি জানান, ধানের মৌসুমে আর্থিক স্বাবলম্বী ব্যবসায়ীরা সারা বছরের জন্য পরিমাণমতো ধান কিনে বাড়িতে সংগ্রহে রাখেন। আর্থিক সংকটে থাকা ব্যবসায়ীরা প্রতি বাজারে মুড়ি বিক্রয় করার পর সে টাকায় ধানের আড়ত থেকে ধান কিনে বাড়িতে আনে। ধান থেকে চাল তৈরি এবং মুড়ি ভাজা পর্যন্ত প্রক্রিয়াটি একটি জটিল কাজ। সে কারণে অনেকে এখন পেশা ছেড়ে দিয়েছেন।
রামগতি বাজারের পরিতোষ চন্দ্র সাহা নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, আগে হাতে ভাজা মুড়ির প্রধান উপাদান গিগজ ধান প্রচুর চাষ হতো। বর্তমানে গিগজ ধানের উৎপাদন প্রায় বিলুপ্ত। গিগজ ধানের পাশাপাশি একই মানের ভূষিহারা, ধলামোডা জাতের দেশীয় ধান থেকেও এ মুড়ি তৈরি হয়।
লক্ষ্মীপুরের আড়তদার স্বদেশ দাস বলেন, আড়ত ছাড়াও বিভিন্ন দোকানিরা উৎপাদনকারীদের থেকে সরাসরিও মুড়ি কিনে থাকেন। মাঝে মাঝে কয়েকজন ঢাকার রপ্তানিকারক মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ এবং আমেরিকাতে লক্ষ্মীপুরের মুড়ি রপ্তানি করেন। এ ছাড়া এ অঞ্চলের প্রবাসীরা বিদেশ যাওয়ার সময় গিগজ মুড়ি সঙ্গে নিয়ে যান।

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
২৬ মিনিট আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
২ ঘণ্টা আগে