প্রতিনিধি

রাঙামাটি (চট্টগ্রাম): জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে বিপদাপন্ন ছয়টি স্থানের মধ্যে শীর্ষস্থানে আছে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। প্রতিনিয়ত পাহাড়ে মানুষের চাপ বাড়ছে। অপরিকল্পিত উন্নয়নে নির্বিচারে বন উজাড়ে হুমকির মুখে রয়েছে এ এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ। হারিয়ে যাচ্ছে জীববৈচিত্র্য।
বিশ্বব্যাংকের ২০১৮–এর প্রতিবেদন মতে, বাংলাদেশে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এমন অবস্থায় সবচেয়ে হুমকিতে আছে পাহাড়ের ওপরে ও পাদদেশে বসবাসকারীরা। পানির উৎসগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময় পানির সংকটেও ভুগছে তারা।
ইউএনডিপির ফরেস্ট অ্যান্ড ওয়াটার শেড ম্যানেজমেন্টের চিফ টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট রমা শর্মা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে আগের অবস্থানে নিতে হলে হারিয়ে যাওয়া সংরক্ষিত বন পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া বন পুনরুজ্জীবিত করা এখনো সম্ভব। কারণ বনের ভূমিগুলো ফাঁকা আছে। ফাঁকা স্থানে বৃক্ষ রোপণে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে বনায়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। বসতি স্থাপন করা হলে তা সম্ভব হবে না।
রমা শর্মা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বনের ওপর যেহেতু সারা দেশ নির্ভর করে আছে, সেহেতু এই এলাকার বন পুনরুজ্জীবিত করতে হলে জাতীয় পর্যায়ে এখন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। ইতিমধ্যে অনেক ক্ষতি হলেও যা আছে তা দিয়ে পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশে রক্ষা করা যাবে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান শাহ বলেন, পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে হবে। বনায়ন বাড়ানো সম্ভব হলে পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী বলেন, `জ্ঞাতসারে হোক আর অজ্ঞাতে হোক, আমরা অতীতে পাহাড়ের পরিবেশের অনেক ক্ষতি করেছি। এর ফল আমরা পেতে শুরু করেছি। এখনই আমাদের উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।'

রাঙামাটি (চট্টগ্রাম): জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে বিপদাপন্ন ছয়টি স্থানের মধ্যে শীর্ষস্থানে আছে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। প্রতিনিয়ত পাহাড়ে মানুষের চাপ বাড়ছে। অপরিকল্পিত উন্নয়নে নির্বিচারে বন উজাড়ে হুমকির মুখে রয়েছে এ এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ। হারিয়ে যাচ্ছে জীববৈচিত্র্য।
বিশ্বব্যাংকের ২০১৮–এর প্রতিবেদন মতে, বাংলাদেশে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এমন অবস্থায় সবচেয়ে হুমকিতে আছে পাহাড়ের ওপরে ও পাদদেশে বসবাসকারীরা। পানির উৎসগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময় পানির সংকটেও ভুগছে তারা।
ইউএনডিপির ফরেস্ট অ্যান্ড ওয়াটার শেড ম্যানেজমেন্টের চিফ টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট রমা শর্মা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে আগের অবস্থানে নিতে হলে হারিয়ে যাওয়া সংরক্ষিত বন পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া বন পুনরুজ্জীবিত করা এখনো সম্ভব। কারণ বনের ভূমিগুলো ফাঁকা আছে। ফাঁকা স্থানে বৃক্ষ রোপণে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে বনায়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। বসতি স্থাপন করা হলে তা সম্ভব হবে না।
রমা শর্মা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বনের ওপর যেহেতু সারা দেশ নির্ভর করে আছে, সেহেতু এই এলাকার বন পুনরুজ্জীবিত করতে হলে জাতীয় পর্যায়ে এখন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। ইতিমধ্যে অনেক ক্ষতি হলেও যা আছে তা দিয়ে পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশে রক্ষা করা যাবে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান শাহ বলেন, পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে হবে। বনায়ন বাড়ানো সম্ভব হলে পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী বলেন, `জ্ঞাতসারে হোক আর অজ্ঞাতে হোক, আমরা অতীতে পাহাড়ের পরিবেশের অনেক ক্ষতি করেছি। এর ফল আমরা পেতে শুরু করেছি। এখনই আমাদের উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।'

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে