কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

৫ দিন পর কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় জলদস্যুদের হাতে অপহৃত ১৯ জেলে বাড়ি ফিরলেন। গতকাল শনিবার গভীর রাতে জলদস্যুরা ফিশিংবোটের ইঞ্জিন নষ্ট করে জেলেসহ ছেড়ে দেয় সাগরে। পরে অপর একটি ফিশিংবোট তাদের উদ্ধার করে।
আজ রোববার বিকেলে বিকল ফিশিংবোটটি উত্তর ধুরুং আকবরবলী ঘাটে আসে। এ সময় জেলে পরিবারগুলোর স্বজনসহ এলাকাবাসী ভিড় জমান।
এর আগে গত বুধবার রাত ২টার দিকে মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপের পশ্চিমে সাগরে ২১ মাঝি মাল্লাসহ জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল ‘আল্লাহর দয়া-৩’ নামের একটি ফিশিং বোট। এ সময় জলদস্যুদের গুলিতে বোটের মাঝি মোকাররম নিহত হন।
জলদস্যুরা নিহতের লাশ আরেকটি বোটে তুলে দিয়ে ১৯ জেলেসহ ফিশিংবোটটি অপহরণ করে নিয়ে যায়। এর মধ্যে ১৬ জন উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের বাসিন্দা। দুজন দক্ষিণ ধুরুং ও একজন নোয়াখালী জেলার।
ফিরে আসা জেলেরা হলেন–গিয়াস উদ্দিন (ফইজ্জার পাড়া), শাহ আলম (জমির বাপের পাড়া), রুহুল আমিন (জমির বাপের পাড়া), নাছির উদ্দিন (চাটি পাড়া), শাহজাহান (চাটি পাড়া), মো. সাহেদ (ফরিজ্জার পাড়া), তৌহিদুল ইসলাম (চাটি পাড়া), মো. আব্বাছ (চাটি পাড়া), মো. কালু (দক্ষিণ ধুরুং), সোনা মিয়া (ফয়জানির পাড়া), মো. রেজাউল (ফরিজ্জার পাড়া), মো. মেহেদী (ফরিজ্জার পাড়া), মো. সাকিব (ফরিজ্জার পাড়া), মো. ইদ্রিস (ফরিজ্জার পাড়া), মো. নয়ন (ফরিজ্জার পাড়া), মো. সাগর (কুইল্যার পাড়া), মনছুর আলম (আজিম উদ্দিন সিকদার পাড়া), ইঞ্জিন ড্রাইভার শাহজাহান (লক্ষ্মীপুর) ও মো. রুবেল (মশরফ আলী বলির পাড়া, দ: ধুরুং)।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জেলেদের বোটের ইঞ্জিন বিকল করে তাদের সাগরে ছেড়ে দিলে তারা ভাসতে থাকে। ভোরে খবর পেয়ে তাদের উদ্ধারে প্রশাসনিক সহায়তা নিয়ে বিকেলে কুতুবদিয়া পৌঁছে ১৯ জেলে। তারা ৪ / ৫ দিন সাগরে অনাহারে ছিল। ফলে যাদের চিকিৎসার প্রয়োজন তাদের সঠিক চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে স্ব স্ব পরিবারে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

৫ দিন পর কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় জলদস্যুদের হাতে অপহৃত ১৯ জেলে বাড়ি ফিরলেন। গতকাল শনিবার গভীর রাতে জলদস্যুরা ফিশিংবোটের ইঞ্জিন নষ্ট করে জেলেসহ ছেড়ে দেয় সাগরে। পরে অপর একটি ফিশিংবোট তাদের উদ্ধার করে।
আজ রোববার বিকেলে বিকল ফিশিংবোটটি উত্তর ধুরুং আকবরবলী ঘাটে আসে। এ সময় জেলে পরিবারগুলোর স্বজনসহ এলাকাবাসী ভিড় জমান।
এর আগে গত বুধবার রাত ২টার দিকে মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপের পশ্চিমে সাগরে ২১ মাঝি মাল্লাসহ জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল ‘আল্লাহর দয়া-৩’ নামের একটি ফিশিং বোট। এ সময় জলদস্যুদের গুলিতে বোটের মাঝি মোকাররম নিহত হন।
জলদস্যুরা নিহতের লাশ আরেকটি বোটে তুলে দিয়ে ১৯ জেলেসহ ফিশিংবোটটি অপহরণ করে নিয়ে যায়। এর মধ্যে ১৬ জন উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের বাসিন্দা। দুজন দক্ষিণ ধুরুং ও একজন নোয়াখালী জেলার।
ফিরে আসা জেলেরা হলেন–গিয়াস উদ্দিন (ফইজ্জার পাড়া), শাহ আলম (জমির বাপের পাড়া), রুহুল আমিন (জমির বাপের পাড়া), নাছির উদ্দিন (চাটি পাড়া), শাহজাহান (চাটি পাড়া), মো. সাহেদ (ফরিজ্জার পাড়া), তৌহিদুল ইসলাম (চাটি পাড়া), মো. আব্বাছ (চাটি পাড়া), মো. কালু (দক্ষিণ ধুরুং), সোনা মিয়া (ফয়জানির পাড়া), মো. রেজাউল (ফরিজ্জার পাড়া), মো. মেহেদী (ফরিজ্জার পাড়া), মো. সাকিব (ফরিজ্জার পাড়া), মো. ইদ্রিস (ফরিজ্জার পাড়া), মো. নয়ন (ফরিজ্জার পাড়া), মো. সাগর (কুইল্যার পাড়া), মনছুর আলম (আজিম উদ্দিন সিকদার পাড়া), ইঞ্জিন ড্রাইভার শাহজাহান (লক্ষ্মীপুর) ও মো. রুবেল (মশরফ আলী বলির পাড়া, দ: ধুরুং)।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জেলেদের বোটের ইঞ্জিন বিকল করে তাদের সাগরে ছেড়ে দিলে তারা ভাসতে থাকে। ভোরে খবর পেয়ে তাদের উদ্ধারে প্রশাসনিক সহায়তা নিয়ে বিকেলে কুতুবদিয়া পৌঁছে ১৯ জেলে। তারা ৪ / ৫ দিন সাগরে অনাহারে ছিল। ফলে যাদের চিকিৎসার প্রয়োজন তাদের সঠিক চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে স্ব স্ব পরিবারে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় শাহাবুদ্দিন (৪০) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কদমতলী কুদার বাজার আদর্শ সড়ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিএনপিতে ভেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে খোদ দলটির কোনো কোনো নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দলীয় নেতারা একে অপরকে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে কথা চালাচালি হচ্ছে। এদিকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দলে ভেড়ানোকে আশঙ্কাজনক বলছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। ১ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাবিনা ইয়াসমিনসহ...
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
৫ ঘণ্টা আগে