
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে এক সপ্তাহ আগে আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাট বাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ওই বিস্ফোরণে বাসায় দগ্ধ একই পরিবারের শিশুসহ ৯ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয়জন মারা গেছে।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির সদস্যরা নগরের হালিশহরে এইচ-ব্লকে ‘হালিমা মঞ্জিল’-এর তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট বাসা পরিদর্শন করেন। সেই ফ্ল্যাট বাসায় ভাড়ায় থাকতেন শাখাওয়াত হোসেন নামের এক গ্যারেজমালিকের পরিবার। বিস্ফোরণে নিহত ছয়জনের মধ্যে শাখাওয়াত, তাঁর স্ত্রী ও এক সন্তান রয়েছে। নিহত অন্য তিনজনের মধ্যে শাখাওয়াতের দুই ভাই ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা রয়েছে।
জানা গেছে, তদন্ত কমিটির প্রধান ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মো. জসিম উদ্দীন এবং সদস্যসচিব হিসেবে থাকা একই দপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা সেখানে বাসাটির রান্নাঘরের চুলা, গ্যাসের লাইন, বিদ্যুতের তারসহ অন্যান্য কক্ষ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। সে সঙ্গে ভবনের লিফটে কোনো ত্রুটি ছিল কি না, তা-ও পরীক্ষা করে দেখেন।
তদন্ত কমিটির প্রধান জসিম উদ্দীন বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন রকম মন্তব্য পেয়েছি। কেউ বলেছে লিফটের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে, কেউ বলেছে এসি বা আইপিএস থেকে হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলেছে, বাইরে থেকে জানালা দিয়ে বিস্ফোরকজাতীয় দ্রব্য বা কেমিক্যাল ছুড়ে মেরে ইচ্ছাকৃতভাবে নাশকতামূলক ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
‘আমরা রান্নাঘর দেখেছি, সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাইনের গ্যাস চেক করেছি। বদ্ধ পরিবেশে মিথেন গ্যাসের ঘনত্ব ৫ থেকে ১৫ শতাংশ হলে এবং সেখানে কোনো স্পার্ক হলে এ ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।’
ঘরের ভেতর গ্যাস জমে বিস্ফোরণ নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা তদন্তে উঠে আসবে বলে জানান চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের এই প্রধান কর্মকর্তা।
জসিম উদ্দীন বলেন, ফায়ার সার্ভিসকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবনের অনুমোদন সঠিক ছিল কি না বা কোনো ত্রুটি আছে কি না, তা-ও জানাতে মালিকপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবনমালিকের পক্ষ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ার কথা বলেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান।
জানা গেছে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রান্নাঘর থেকে বিকট একটা বিস্ফোরণে বাসার আসবাব, দরজা-জানালা ভেঙে কয়েক ফুট দূরে গিয়ে পড়ে। পরে আগুনের কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে পুরো বাসায়। আগুনের ভেতর শিশু-নারীদের কান্নাকাটি, চেঁচামেচি ও দৌড়াদৌড়িতে পুরো ভবনে এক বিভীষিকাময় অবস্থা তৈরি করেছিল।

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কথিত পুশ ইন চেষ্টায় আটকে পড়া ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশু ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিরো লাইনে অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। বিজিবির বাধায় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারায় এবং বিএসএফ ফেরত না নেওয়ায় তারা দুই দেশের মাঝামাঝি এলাকায় চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে...
৩৮ মিনিট আগে
কান্নাজড়িত কণ্ঠে এই বাবা বলেন, ‘আমি আমার বাচ্চা হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই। বাংলাদেশের আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করি। সেই শাস্তি যেন দ্রুত কার্যকর হতে দেখি, একজন বাবা হিসেবে এটাই আমার একমাত্র চাওয়া।’
১ ঘণ্টা আগে
কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি ঘটে বাসের যাত্রী ওঠানামার জন্য থামার সময়। শনিবার (৬ জুন) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ছুপুয়া আল-আমিন ফিলিং স্টেশনে...
১ ঘণ্টা আগে
নিপুণ রায় বলেন, একটি শিশু যখন নির্যাতিত হয়, তখন শুধু তার শরীর নয়; একটি পুরো ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাষ্ট্র যদি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তবে সেই রাষ্ট্রের উন্নয়নের কোনো অর্থ থাকে না।
১ ঘণ্টা আগে