কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে রাখাইন সম্প্রদায়ের তিন দিনব্যাপী সাংগ্রাইং পোয়ে বা জলকেলি উৎসব শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের পর বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শনিবার সন্ধ্যায় উৎসব শেষ হবে।
রাখাইন সম্প্রদায় প্রতিবছর বৈশাখের সঙ্গে রাখাইন অব্দ (মগীসন) উদ্যাপন করে। পুরোনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নিতে তারা পয়লা বৈশাখ থেকে সাত দিনব্যাপী উৎসব পালন করে।
এ সময় ঘরে ঘরে চলে উৎসব। এর মধ্যে তিন দিন সাংগ্রাইং পোয়ে বা জলকেলি উৎসব। জেলার আট উপজেলার মণ্ডপে মণ্ডপে রাখাইন তরুণ-তরুণীরা নেচেগেয়ে জল ছিটিয়ে উৎসবে মেতে থাকেন।
রাখাইন নেতারা জানান, গতকাল বুধবার রাত ১২টায় শেষ হয়েছে রাখাইন অব্দ ১৩৮৬ সাল। পুরোনো অব্দকে বিদায় এবং নতুন অব্দ ১৩৮৭ সালকে বরণ করে নিতে রাখাইন সম্প্রদায় আজ (মঙ্গলবার) থেকে তিন দিনব্যাপী সাংগ্রাইং বা জলকেলি উৎসব উদ্যাপন করে।
শহরের বৌদ্ধমন্দির সড়কের অগ্যামেধা কেয়াংয়ে গিয়ে দেখা যায়, কেয়াংয়ের (বিহার) পাশে শামিয়ানা টানানো প্যান্ডেলের এক পাশে পানির ড্রাম ভর্তি করে সারবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রাখাইন তরুণীরা। এর পাশেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল। সেখানে জড়ো হয়েছেন নানা বয়সের মানুষ। দল বেঁধে রাখাইন তরুণ-তরুণীরা নেচেগেয়ে এক মহল্লা থেকে আরেক মহল্লায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

বৌদ্ধমন্দির সড়ক ছাড়াও পেশকারপাড়া, টেকপাড়া হাঙরপাড়া, বড় বাজার ও চাল বাজারে রয়েছে ১২টি প্যান্ডেল। এসব প্যান্ডেলে রাখাইনদের পাশাপাশি অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন ও পর্যটকদের ভিড় করতে দেখা যায়।
কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক মংছেন হ্লা রাখাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পঞ্জিকা অনুযায়ী ১৬ এপ্রিল রাত ১২টায় ১৩৮৬ রাখাইন অব্দ (মগীসন) শেষ হয়েছে। ১৩৮৭ অব্দ শুরু হয়েছে ১৭ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে। ফলে ১৭ এপ্রিল থেকেই সাংগ্রাইং উৎসবের আয়োজন করা হয়। ১৯ এপ্রিল (শনিবার) সন্ধ্যা পর্যন্ত এ উৎসব চলবে।’
মংছেন হ্লা রাখাইন বলেন, এ বছর কক্সবাজার সদর, টেকনাফ, উখিয়া, মহেশখালী, রামু, পেকুয়া ও চকরিয়ায় ৩৭টির বেশি মণ্ডপে জলকেলি উৎসব শুরু হয়েছে।

কক্সবাজারে রাখাইন সম্প্রদায়ের তিন দিনব্যাপী সাংগ্রাইং পোয়ে বা জলকেলি উৎসব শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের পর বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শনিবার সন্ধ্যায় উৎসব শেষ হবে।
রাখাইন সম্প্রদায় প্রতিবছর বৈশাখের সঙ্গে রাখাইন অব্দ (মগীসন) উদ্যাপন করে। পুরোনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করে নিতে তারা পয়লা বৈশাখ থেকে সাত দিনব্যাপী উৎসব পালন করে।
এ সময় ঘরে ঘরে চলে উৎসব। এর মধ্যে তিন দিন সাংগ্রাইং পোয়ে বা জলকেলি উৎসব। জেলার আট উপজেলার মণ্ডপে মণ্ডপে রাখাইন তরুণ-তরুণীরা নেচেগেয়ে জল ছিটিয়ে উৎসবে মেতে থাকেন।
রাখাইন নেতারা জানান, গতকাল বুধবার রাত ১২টায় শেষ হয়েছে রাখাইন অব্দ ১৩৮৬ সাল। পুরোনো অব্দকে বিদায় এবং নতুন অব্দ ১৩৮৭ সালকে বরণ করে নিতে রাখাইন সম্প্রদায় আজ (মঙ্গলবার) থেকে তিন দিনব্যাপী সাংগ্রাইং বা জলকেলি উৎসব উদ্যাপন করে।
শহরের বৌদ্ধমন্দির সড়কের অগ্যামেধা কেয়াংয়ে গিয়ে দেখা যায়, কেয়াংয়ের (বিহার) পাশে শামিয়ানা টানানো প্যান্ডেলের এক পাশে পানির ড্রাম ভর্তি করে সারবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রাখাইন তরুণীরা। এর পাশেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল। সেখানে জড়ো হয়েছেন নানা বয়সের মানুষ। দল বেঁধে রাখাইন তরুণ-তরুণীরা নেচেগেয়ে এক মহল্লা থেকে আরেক মহল্লায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

বৌদ্ধমন্দির সড়ক ছাড়াও পেশকারপাড়া, টেকপাড়া হাঙরপাড়া, বড় বাজার ও চাল বাজারে রয়েছে ১২টি প্যান্ডেল। এসব প্যান্ডেলে রাখাইনদের পাশাপাশি অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন ও পর্যটকদের ভিড় করতে দেখা যায়।
কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক মংছেন হ্লা রাখাইন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পঞ্জিকা অনুযায়ী ১৬ এপ্রিল রাত ১২টায় ১৩৮৬ রাখাইন অব্দ (মগীসন) শেষ হয়েছে। ১৩৮৭ অব্দ শুরু হয়েছে ১৭ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে। ফলে ১৭ এপ্রিল থেকেই সাংগ্রাইং উৎসবের আয়োজন করা হয়। ১৯ এপ্রিল (শনিবার) সন্ধ্যা পর্যন্ত এ উৎসব চলবে।’
মংছেন হ্লা রাখাইন বলেন, এ বছর কক্সবাজার সদর, টেকনাফ, উখিয়া, মহেশখালী, রামু, পেকুয়া ও চকরিয়ায় ৩৭টির বেশি মণ্ডপে জলকেলি উৎসব শুরু হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর আগেই কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ‘প্রশ্নপত্রের’ ফটোকপিসহ আটক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিনারুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২৪ মিনিট আগে
ঢাকায় অবস্থানরত যশোর জেলার সাংবাদিকদের সংগঠন যশোর সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৩৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
২৭ মিনিট আগে
আমি প্রতিজ্ঞা করেছি, তারেক রহমান যেদিন দেশে ফিরবেন এবং বিএনপি যেদিন ক্ষমতায় আসবে, সেদিনই আমি ভাত খাব। তার আগে না। এতে আমার জীবন চলে গেলেও কোনো আফসোস নেই।
৩০ মিনিট আগে
জাজিরায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল থেকে হাতবোমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করেছে পুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম। একই সঙ্গে কয়েক দিনে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৩৮টি তাজা হাতবোমা নিরাপদভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে